ইংলিশ এবং আইটির কোন ভাল ম্যাচ মেকিং হয়নি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের আজকে এলামনাই (প্রাক্তন ছাত্রদের) মিলনমেলার অনুষ্ঠানটি হয় টিএসসিতে। ৬ ঘণ্টার মত ছিলাম সেখানে। ১৫ বছর পর এ অনুষ্ঠানে যাই। ভাল লাগলো ১৫ বছর পর অনেককেই দেখতে পেয়ে। সেখানে গিয়েছিলাম শিক্ষক, সহপাঠী এবং জুনিয়র সিনিয়রদের সঙ্গে অনেক বছর পর দেখা করতে এবং আড্ডা দিতে। ই-কমার্স নিয়ে কোন চিন্তা ছিলনা। তবে দেখলাম যে আমার ক্লাসের ৩ জন বন্ধু একটু একটু করে ই-কমার্সের দিকে পা ফেলছে। তবে তারা ই-কমার্স নিয়ে তেমন অবগত নয়। আর অন্যদিকে ইন্টারনেটে যে এখন প্রায় সব কিছু কেনাকাটা করা যায় তাও অনেকে জানেন না। তবে তারা কিনতে চায় কারণ সময় একটা বড় ফ্যাক্টর ভয়াবহ জ্যামের শহর ঢাকাতে।
যাই হোক ই-কমার্স এর কথা বাদ দেই। ইংরেজি বিভাগের সঙ্গে আমার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে। ১৯৯৮ সালে এমএ পাশ করে তারপর ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কর্ম জীবনে প্রবেশ করি। ইংরেজি ভাষার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আইটিতে একটু একটু করে এগুনোর চেষ্টা করেছি। ইংরেজি কোন সমস্যা নয় বলে অনেক সহজে অনেক কিছু বুঝতে পারি। তবে দুঃখ লাগে এজন্য যে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ইংলিশ এবং আইটির কোন ভাল ম্যাচ মেকিং হয়নি। ইংরেজি ব্যাকগ্রাউন্ডের মানুষের জন্য ইন্টারনেটে অনেক ধরনের কাজের সুযোগ রয়েছে। এ নিয়ে কোন ধরনের উদ্যোগ এবং গবেষণা নেই।
কলসেন্টার, অনলাইন রাইটিং, প্রফেশনাল ব্লগিং, অনলাইন রিসার্চ, ভার্চুয়াল এসিসটেন্ট, অনলাইন টিচিং, ইত্যাদি নানা ধরনের কাজে ইংরেজি ব্যাকগ্রাউন্ডের লোকদের অনেক কাজের সুযোগ আছে। বিলিয়ন ডলার আয়ের সুযোগ রয়েছে এ দিকে। আমাদের ই-কমার্স খাতেও ইংরেজি জানা লোকের দরকার কারণ বেশীরভাগ ওয়েবসাইটের ভাষা এখনও ইংরেজি।
দুর্ভাগ্যবশত বাংলাদেশে যারা ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যের ছাত্র তারা এসব নিয়ে চিন্তিত নয়। যারা এ দিকে বিশেষজ্ঞ তারাও চিন্তিত নয়। কিন্তু আমরা আসলেই খুব বড় একটা সুযোগ হেলায় হারাচ্ছি।

Spread the love

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *