আজকে ই-ক্যাবের অফিসে আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন ইফাত শারমিন আপু। তার জামদানী ভিলা (https://www.facebook.com/JamdaniVille ) আজ থেকে ই-ক্যাবের সদস্য। বাংলাদেশের তাঁত শিল্পের সঙ্গে আমার শৈশব ও কৈশোরের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। পারিবারিক ব্যকগ্রাউন্ড কিছুটা এদিকে এবং মাতুয়াইল, রায়েরবাগ এসব এলাকায় অনেক বছর কাটিয়েছি। ডেমরার হাট, রূপগঞ্জের, কুমারখালির, পাবনার শাহদাজপুরের তাঁতিদের কাজ দেখেছি বা তাদের সম্পর্কে জেনেছি। নিজের মনে অনেক বছরের ইচ্ছা ছিল তাঁতের কাপড়ের ও বিশেষ করে জামদানীর উপর একটা ভাল মানের তথ্যবহুল ওয়েবসাইট করার। তাই শারমিন আপুর কাজ দেখে আমার খুবই ভাল লাগে। আমি যা করতে পারিনি তিনি তাই করতে পেরেছেন।
শারমিন আপু ফেইসবুকে বেশ জনপ্রিয় এবং গ্রুপের অনেকেই তাকে চেনেন। তিনি আসাতে আমাদের ই-ক্যাবে আরেকজন নারী উদ্যোক্তা বাড়ল। আগামি ৮ মার্চ বিশ্ব নারী দিবস এবং সেদিন আমরা নীলা আপু, সারাহ আপু এবং শারমিন আপুর সহযোগিতায় ই-কমার্সে নারী বিষয়ে একটি সেমিনার করার চেষ্টা করবো। তাছাড়া মেয়েদের কলেজে এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের মধ্যে ই-কমার্স নিয়ে প্রচারনা চালাতে শারমিন আপু সক্রিয়ভাবে ই-ক্যাবের সঙ্গে থাকবেন বলে জানিয়েছেন।
শারমিন আপুর কাজকে আমি শ্রদ্ধার চোখে দেখি কয়েকটা কারনে। মিরপুর থেকে রূপগঞ্জ যেতে কষ্ট আমি ভাল মতই জানি। তিনি শত প্রতিকূলতার মাঝেও হাল ছাড়েন নি। আর তাঁতিদের সঙ্গে একাত্ব হয়ে কাজ করেন তিনি যেখানে তাঁতিদের ইতিহাস মানেই বঞ্চনার ইতিহাস। জামদানী যারা বুনে তাদের মা, বোন, বউ বা কন্যা কারো কপালেই জামদানী পড়া হয়ে উঠে না। শারমিন আপুর প্রচেষ্টায় যদি একজন তাঁতিও তার পন্যের ন্যায্য মূল্য পান তাতেই আমি আনন্দিত।
আশা করি আপনারা সবাই এ পোস্টে কমেন্ট করে শারমিন আপুকে ই-ক্যাবে স্বাগত জানাবেন।

February 2015

ইফাত শারমিন আপু