একজন ছাত্র যখন একদিনে ১ ঘণ্টা ইংরেজিতে কথা বলতে পারবে

আজকে শিক্ষক দিবস ছিল। ঘুম থেকে উঠতেই দেখি ফারহানা আশা আপুর পোস্ট, বিশ্বজিৎ অধিকারি ভাইয়ের পোস্ট। এরপর একের পর এক পোস্ট আসে এই গ্রুপে। ধন্যবাদ সবাইকে।
আমি আসলে শিক্ষক নই। ক্যারিয়ার শুরু করেছিলাম শিক্ষকতা দিয়ে। ইংরেজির শিক্ষক ছিলাম। পড়াতে গিয়ে দেখি যে ছাত্রদের মধ্যে উন্নতি হচ্ছে না, হয়তো আমার ব্যর্থতা। আবার তারাও সেভাবে পরিশ্রম করতে আগ্রহী নয়। তাছাড়া আমি যেভাবে ইংরেজি পড়াতে আগ্রহী কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্ভব নয় কারণ আমি মুখস্ত বিদ্যা নয় বরং নিজের ভাষায় সব কিছু লেখা ও বলার পক্ষপাতি। Accuracy নয় বরং Fluency এর পক্ষপাতি আমি।
আমার বিশ্বাস যে একজন ছাত্র যখন একদিনে ১ ঘণ্টা ইংরেজিতে কথা বলতে পারবে, ১০০০ শব্দ লিখতে পারবে এবং ৫০ পৃষ্ঠা ইংরেজি পড়ে বুঝতে পারবে তখন সে নিজে নিজেই গ্রামার শিখতে পারবে এবং এগিয়ে যেতে পারবে। আমার কাজ হবে তাকে এই ভিত গড়ে দেয়া যাতে করে এরপর সারাজিবন সে নিজে থেকেই ইংরেজিতে এগিয়ে যায় এবং যাবার চেষ্টা করে। আমার মূল কাজ হবে ইংরেজি নিয়ে ভয় ও লজ্জা দূর করা এবং এতে করে ইংরেজির ব্যপারে আগ্রহ ও আত্মবিশ্বাস থাকবে।
২০০২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে শিক্ষকতা ছেড়ে দিয়ে ইন্টারনেটে বসে পরি এবং কিভাবে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে ইংরেজি শেখানো যায় তা নিয়ে চিন্তা ভাবনা শুরু করি। সার্চ ইংলিশ দিয়ে তা কিছুটা হলেও করতে পেরেছি।
এখানে যারা যোগ দিয়েছেন তাদের প্রায় কেউ জীবনে এক পৃষ্ঠা ইংরেজি লেখেন নি, ১০ মিনিট ইংরেজিতে কথা বলেন নি, ১ পৃষ্ঠা ইংরেজি পড়ে বুঝতেও তাদের খবর হয়ে যেত। এমন অনেকের মধ্যে ইংরেজি নিয়ে আগ্রহ ও আত্মবিশ্বাস তৈরি করতে পেরেছি দেখে আমি আনন্দিত। এটি আমার স্বপ্ন ছিল।
আমি ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেশ ই-ক্যাব এর প্রেসিডেন্ট এবং এজন্য অনেক ব্যস্ত থাকতে হয়। তবে ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে আমি চেষ্টা করবো ইংরেজি নিয়ে গবেষণা শুরু করার। আজকের এই শিক্ষক দিবসে আপনাদের অনেকের থেকে যে সন্মান ও শ্রদ্ধা পেয়েছি তাই আসলে আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে এ নিয়ে কাজ করতে।

Spread the love

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *