কন্টেন্ট এর মূল্য উপলব্ধি

ই-ক্যাব থেকে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি এবং এর ফলে দেশের ই-কমার্স সেক্টরে ২০১৫ সালের মধ্যেই আশাতীত অগ্রগতি ও প্রবৃদ্ধি আসবে বলে আমি আশাবাদী। কন্টেন্ট এর প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি কারন আপনি নিজেই চিন্তা করুন সারাদিন ইন্টারনেটে বসে কি করেন? গুগলে সার্চ করেন- কি সার্চ করেন এবং এর উত্তরে গুগল কি রেজাল্ট নিয়ে আসে? আমার মনে হয় আমরা ৮০-৯০% ক্ষেত্রে আমরা টেক্সট বা লেখার রেজাল্ট খুজি এবং খুজে পাই। ফেইসবুকে কি করি আমরা- নিজের লেখা পোস্ট করি এবং অন্যদের স্ট্যাটাস পড়ি। ব্লগে একই ব্যপার- সবার লেখা পড়ি।
ই-কমার্স এর অগ্রগতি যত হবে কন্টেন্ট এর প্রয়োজন তত বাড়বে। তবে আরেকটা দিকে আমি বিপুল সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি- পর্যটন বা ট্যুরিজম। বাংলাদেশের পর্যটন খাতে দারুন বিকাশ হবে ২০১৬ সাল থেকে কারন সরকার এদিকে গুরুত্ব দেয়া শুরু করেছে। ফলে এদিকে ওয়েবসাইট, বই, কন্টেন্ট, ম্যাগাজিন সহ নানা ধরনের কন্টেন্ট এর চাহিদা হবে বলে আমার মনে হয়। এ দিকে আমার তেমন কোন দক্ষতা নেই তাই খুব বেশি সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারবো না। কিন্তু এ দিকে কন্টেন্ট এর দরকার হবে তা বুঝতে পারছি।
বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের সবচেয়ে বেশি দরকার হবে প্রচারণা চালানো এবং প্রচারণা মানে হল কন্টেন্ট- টেক্সট, ছবি এবং ভিডিও। ভিডিও সুন্দর করতে হলে কিন্তু দরকার আগে একটা টেক্সট স্ক্রিপ্ট।
বাংলাদেশের অর্থনীতি (জিডিপি) গড়ে ৬% হারে বাড়ছে। তাই আমার মনে হয় যে বিভিন্ন বিষয়ে ওয়েবসাইট তৈরির দরকার হবে এবং কোম্পানি গুলো আজ হোক কাল হোক কন্টেন্ট এর মূল্য উপলব্ধি করতে বাধ্য হবে।
কন্টেন্ট খাতে কি কি সুযোগ তৈরি হবে এ নিয়ে আমরা যদি এই গ্রুপে আলোচনা করি তাহলে ভাল হয়। প্রথমে না হয় ২-৩ জন মিলেই শুরু করলাম।
আমি কন্টেন্টকে এতটা গুরুত্ব দিচ্ছি কারন আমরা যদি এখন থেকে গুরুত্ব না দেই তবে আগামি ৪-৫ বছরে অনেক সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা এবং নেপাল থেকে অনেকেই এসব কাজ নিয়ে নেবে- অন্তত ইংরেজি কন্টেন্ট এর বেলাতে এটা হবেই।

Spread the love

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *