ভেজাল ছাড়া এই বছরটা শুরু করতে পেরে মনে অনেক শান্তি পাচ্ছি। একদিকে ই-ক্যাবের বিরুদ্ধে আক্রমন শেষ আর আমি নিজেও ফালতু কথাকে সামান্যতম পাত্তা না দিয়ে কাজ করা শিখে গেছি। এখন কাজ করতে চাই, লিখতে চাই, গবেষণা করতে চাই। অনেক ভাল লাগে যখন দেখি নিয়মিত অনেকে আমাকে বলেন যে আমার লেখা পড়ে তারা বাস্তব জীবনে অনুপ্রাণিত হন।
সত্যি বলতে কি ই-ক্যাব নিয়ে এই লড়াইতে আমার জীবনের সব কিছু ভেঙ্গে পরেছে কিন্তু আবার অন্য দিক থেকে চিন্তা করলে এই কষ্ট, লড়াই, লেগে থাকা আমাকে সত্যিকার একজন মানুষ করেছে। ভাল কিছু একটা কষ্ট করে প্রতিষ্ঠিত করতে পারার আনন্দ অন্যরকম যা জীবনে এর আগে কখনো পাই নি, সামনে আর পাবো কিনা জানি না।
সারা দেশ থেকে অনেক মানুষ আমাকে খুব শ্রদ্ধা করেন। রাস্তায় কারো সঙ্গে দেখা হলে তাদের চোখে মুখে আমার প্রতি যে ধরনের শ্রদ্ধার ছাপ দেখতে পাই তা আমার হৃদয়কে স্পর্শ করে। না অনেকের থেকে নিয়মিত পেয়েও তা স্বাভাবিক হয়ে উঠেনি আমার কাছে।
আনন্দের থেকেও বড় ব্যপার হল এক ধরনের দায়িত্ববোধ কাজ করে মনের মধ্যে যে নিজের বা এমনকি ই-ক্যাবের স্বার্থ আদায়ের জন্য কাউকে অসৎ পরামর্শ দেব না বা কোন রকম ছল চাতুরির আশ্রয় নেব না কোন ব্যপারে।

ভেজাল ছাড়া এই বছরটা শুরু করতে পেরে