আর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সার্চ ইংলিশের মেম্বার ৪০,০০০ ছাড়িয়ে যাবে। অনেক ধন্যবাদ সবাইকে। আমরা আর ছোট গ্রুপ নই। যথেষ্ট বড় এবং তার থেকেও অনেক বেশি একটিভ একটি গ্রুপ। যে দেশে পরিক্ষার খাতার বাইরে ইংরেজি চর্চার সংস্কৃতি তেমন জোরালো নয় সেখানে আমরা দিন রাত ২৪ ঘণ্টা কয়েক শত মানুষ ইংরেজি লিখছি, পড়ছি, পোস্ট দিচ্ছি, কমেন্ট করছি, লাইক দিচ্ছি।
আমরা ইংরেজিকে আর ভয় পাই না- কেন পাবো? ভুল হলেও লজ্জার কিছু নেই। না পারা নয় বরং চেষ্টা না করা লজ্জার- এই সাধারণ বিষয়টি আমরা জানি, মানি এবং বিশ্বাস করি।
এভাবে ধীরে ধীরে গত ৩ মাসে ইংরেজি ব্যবহারের সুন্দর এক অভ্যাস ও আবহাওয়া গড়ে উঠেছে। আপনাদের অনুপ্রাণিত করার জন্য অনেক পোস্ট দেই। পোস্ট গুলোর মূল কথা একই- ভয়, লজ্জা আর সংকোচ বাদ দিয়ে কমেন্ট করুন দিন রাত।
যারাই চেষ্টা করেছেন তারাই এখন ইংরেজিতে লিখতে পারেন। হ্যা, অনেক ভুল হয় কিন্তু তারা লিখতে পারেন- দিনে ১০০০ শব্দের বেশি লিখতে পারেন।
আমি হতাশ নই বরং প্রচণ্ড আশাবাদি। আমি আশাবাদি কারণ সবচেয়ে কঠিন অংশটি বাস্তবায়ন করতে পেরেছি। এখন প্রচুর পোস্ট আসে, কমেন্ট আসে। অনেকে লেখেন। তাদের মধ্যে থেকে যারা নিয়মিত পরিশ্রম করবেন তাদের নিয়ে আমি আরও বেশি চেষ্টা করবো।
ই-ক্যাবে আমার সঙ্গে বেশ কিছু তরুন যোগ দেয় এবং জীবনের অনেক সুখ, আনন্দ, আরাম তারা বিসর্জন দিয়ে আমার সঙ্গে দিন রাত লেগে থাকে। এতে করে ই-ক্যাব যেমন আজ প্রতিষ্ঠিত ঠিক তেমনি সেই কয়েকজন তরুনের কথা একটি ইন্ডাস্ট্রির অনেকে জানে। আশা করি সার্চ ইংলিশেও এমন হবে।
আসলে ৩ মাস খুব অল্প সময় এবং এখানে কাউকেই তেমন চিনি না। তবে আমি আশাবাদি যে অনেককেই খুব ভাল গাইড করতে পারবো। আমার দক্ষতা এখানেই আসলে। আমার ব্যাকগ্রাউন্ড ইংরেজি এবং আমার দক্ষতা গাইড করা।
আমি স্বপ্ন দেখি আগামী বছর এই সময়ে পার্থ প্রতিম ভাই, ফারহানা আশা আপু, নাজমুল হাসান ভাইদের মত ২০-২২ জন একদিকে দক্ষ হবেন অন্যদিকে সবাই তাদের কথা জানবেন, পড়বেন- এখন যেমন মহান ভাই, খায়ের ভাই, সিফাতদের কথা সবাই জানে।

ভয় নেই