লেখাপড়া ও ইংরেজি

এই গ্রুপের বেশির ভাগ মানুষ মনে হয় অনার্স লেভেলে লেখাপড়া করছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজ গুলোতে। কিছু মানুষ ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে লেখাপড়া করছেন এবং তাদের সংখ্যা অন্তত ১০০০ এর মত হবে। আর এর বাইরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পড়ছেন অনেকে। যারা ইংরেজি নিয়ে পড়ছেন তাদের নিয়ে আরেকদিন আলাদা একটি পোস্ট দেব। আমি নিজে এই ব্যাকগ্রাউন্ডের। তাই আমার মনে হয় যে অনেক ভাল কিছু লিখতে পারবো এদিকে।
যাই হোক, কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছি। ইংরেজি পড়াতাম এবং আমার ছাত্ররা বিভিন্ন বিষয়ের ছিল- বিবিএ, কম্পিউটার সায়েন্স, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি। তাদের জন্য ইংরেজি কোর্স ছিল বেশীরভাগ ক্ষেত্রে কিছুটা ভয়ের এবং কিছুটা বিরক্তির। সব বইতো ইংরেজিতেই পড়ছি, আবার ইংরেজি নিয়ে আলাদা কোর্স কেন?
এদেশে উচ্চ শিক্ষার মাধ্যম এখন পর্যন্ত ইংরেজি। সব বই ইংরেজিতে আপনি যে বিষয় নিয়েই পড়েন না কেন। পরীক্ষার খাতায় ইংরেজিতে লিখতে হয় বা লিখতে পারলে বেশি নম্বর পাওয়া যায়। তাই লেখাপড়াতে ইংরেজির গুরুত্ব অনেক। কিন্তু যেহেতু বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ইংরেজিতে কাঁচা তাই মুখস্ত করা আর ফাকি দেবার প্রবণতা বেশি। অথচ অনার্স পর্যায়ে পাঠ্য বই এবং রেফারেন্স বই পড়া দরকার। না হলে আপনি দক্ষ হতে পারবেন না। আপনি যে বিষয় নিয়েই পড়েন এর বিকল্প নেই। শুধু মাত্র ইংরেজিতে দুর্বলতার কারনে আমরা পিছিয়ে থাকি এবং পিছিয়ে আছি।
অথচ আমাদের শুধু দুটি দিকে দক্ষতা দরকার। প্রথমত প্রতিদিন ইংরেজিতে মাত্র ২০-২৫ পৃষ্ঠা পড়ার অভ্যাস। বই পড়ে বুঝার ক্ষমতা। আর দ্বিতীয় যে দিকে ভাল হতে হবে তাহল বইতে যা বলা হয়েছে তা নিজের ভাষায় লেখার ক্ষমতা। একটু দ্রুত লেখার ক্ষমতা দরকার যাতে পরিক্ষাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিখতে পারি।
এর সঙ্গে আরেকটি দিকে মন দেয়া দরকার। লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ। আগ্রহ না থাকলে যে কোন কাজ অনেক কষ্টের বলে মনে হয়। আমি নিজে সার্চ ইংলিশ গ্রুপে প্রতিদিন পোস্ট দিয়ে যাচ্ছি কারন আমার আগ্রহ আছে। আগ্রহ আসলে তৈরি করা অনেক কঠিন।
এসব কিছু মিলিয়ে আসলে কমেন্ট করার দিকে আমি গুরুত্ব দেই এত। কারন আপনি যদি কমেন্ট করেন তাহলে পোস্ট পড়তে হয়। নানা বিষয়ে পোস্ট আসে। তাই অনেক কিছু পড়া হয়। পড়ার ক্ষমতা অনেক বাড়ে। বোঝার ক্ষমতা ও গতি বাড়ে। লেখার ক্ষেত্রেও একই কথা বলা যায়। একদিনে যদি ৩০ টি কমেন্ট লেখেন এবং প্রতিটি কমেন্ট যদি গড়ে মাত্র ৩০ শব্দ করেও হয় তাহলে ৯০০ শব্দ। ১০ দিন এভাবে করলে লেখার গতি এমনিতেই বেড়ে যায়।
আমরা যেহেতু সাধারণ মানুষ এবং অনেক সহজ করে লিখি তাই আমাদের নিজেদের লেখা গুলো পড়তে ভাল লাগে এবং আগ্রহ জন্মায়। ফেইসবুক নেশার মত আমাদের কাছে, কেন? কারন এখানে আমরা লিখছি, আমাদের আত্মীয় স্বজন , বন্ধুরা লিখছে। ফেইসবুকের এই আনন্দের দিকটাকে কাজে লাগিয়ে কমেন্ট করছি সার্চ ইংলিশে। সব কিছুই করছি, শুধু করছি ইংরেজিতে।

Spread the love

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *