আমি ঠিক কিছুটা না বরং পুরাই পাগলাটে ধরনের মানুষ। আমি আমার নিজের বিশ্বাসের জন্য জান প্রান দিয়ে চেষ্টা করি, পরিশ্রম করি, সময় দেই। যারা আমার ফ্রেন্ড লিস্টে আছেন বা যারা ই-ক্যাব নিয়ে আমাকে চেষ্টা করতে দেখেছেন তারা জানেন যে গত সাড়ে ২২ মাস ধরে একটানা লেগে আছি ই-ক্যাব নিয়ে। প্রথম এক বছর তেমন ঘুমাই নি। অনেক সময় টানা ৩৫-৩৬ ঘণ্টা জেগে থেকে ই-ক্যাব গ্রুপে পোস্ট দিয়েছি, না ঘুমিয়ে সকালে মিটিং করেছি, বিকালে ধানমন্ডি লেকে আড্ডা দিয়েছি। শত শত লোকের সঙ্গে ফেইসুকে, স্কাইপে, ফোনে কথা বলেছি। শুধু কথা বলার বা উপদেশ দেবার মানুষ আমি নই। যা বলি তা করার চেষ্টা করি, এবং মনে প্রানে যা বিশ্বাস করি তা বলি।

গ্রামার, কারেকশন, ভুল শুদ্ধ সব কিছুকে এক পাশে সরিয়ে দিয়ে প্র্যাকটিস করার জন্য বারবার বলি আপনাদের। বলি কারণ একটি শিশুর কথা চিন্তা করেন। সে প্রথমে শব্দ উচ্চারন করতে শেখে, তারপর বাক্য, এরপর লিখতে শিখে। সেখানে প্রথমে বর্ণমালা, তারপর শব্দ, তারপর বাক্য। এরপর আসে গ্রামার বা ব্যকরন। ব্যাকরণ ঠিক মত শিখতে অন্তত ৫-৬ বছর লেগে যায়। আর আমাদের দেশে আমরা তো দেখতেই পাচ্ছি যে আমাদের কত খারাপ অবস্থা। এমন না যে সার্চ ইংলিশ গ্রুপে এসে আমার কাছ থেকে ইংরেজি শেখা শুরু করেছেন। আপনারা সবাই আগে ১২-১৪ বছর ইংরেজি পড়ে এসেছেন। গ্রামার তো মনে হয় কম পড়েন নি।

কিন্তু তারপরেও আপনারা পারছেন না, না পারেন গ্রামার, না পারেন একটি পোস্ট দিতে। গ্রামার নিয়ে এই ভয় আপনাদের মনের মধ্যে এতটাই গেছে গেথেছে যে প্রতিদিন পোস্টে বা এমনকি কমেন্টে অনেকে লিখেন লেখায় ভুল হলে মাফ করবেন, ক্ষমা চাচ্ছি ইত্যাদি। ফেইসবুকের ইনবক্সে অনেকেই বলেন যে অন্যরা হাসবে বলে লেখার সাহস পান না।

এজন্যই প্রতিদিন আমি কয়েকটি পোস্ট দেই এবং আপনাদের কমেন্ট লেখার জন্য উৎসাহিত করি। আপনাদের মধ্যে অনেকেই জীবনে নিজে থেকে ইংরেজিতে কিছু লেখেন নি বা এমনকি চেষ্টাও করেন নি। এটিই আসল সমস্যা। তাই দয়া করে শুরু থেকে শুরু করুন।

কমেন্ট লেখার দিকে মন দিন। শুধু গ্রামার নয়, কোন কিছু নিয়েই ভয় করবেন না, লজ্জা পাবেন না, লেখার ব্যপারে সংকোচ রাখবেন না।

আমি গ্রামার এর বিপক্ষে নই, ভোকাবুলারির বিপক্ষে নই। তবে মনে করি যে আপনাদের এগুলো আরও ৫-৬ মাস পরে পড়া উচিত। আগে যতটা সম্ভব ইংরেজিতে লেখা, পড়া ও বোঝার ব্যপারে দক্ষ হতে হবে। নিউ ইয়র্ক টাইমস না হোক অন্তত এদেশের ডেইলি স্টার পড়ে সব বোঝার মত অবস্থায় যেতে হবে।

শুরু থেকে শুরু হোক