গত বছর এই সময়ে মহান ভাইয়ের সঙ্গে তেমন খাতির ছিল না। তাঁকে ঠিক মত মনে হয় চিনতাম না। আবুল খায়ের ভাইয়ের সঙ্গে মাত্র ভাল করে পরিচিত হয়েছি। খায়ের ভাইকে বলতাম যে আমরা কয়েকজন মিলে একদিন ভাল কিছু করবো এবং দেখা হলে অনেক আইডিয়া নিয়ে গল্প করতাম। এরপর মে মাসে মহান ভাইয়ের সঙ্গেও খাতির হয়ে যায় এবং জুন থেকে স্কাইপে তাদের দুজনের সঙ্গে নানা বিষয়ে কথা বলতাম। দুজন আমার মতই কষ্ট করতে পারে এবং আমার মতই সিরিয়াস।

খায়ের ভাই আর মহান ভাই তাদের নিজ নিজ কাছে বেশ দক্ষ তা অনেকেই জানেন। তাদের এই দক্ষতা বেশ কাজে লাগে। আমি স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি, নতুন কিছু চিন্তা করতে পছন্দ করি এবং কিছু পেলে তাদের সঙ্গে তা নিয়ে কথা বলি এবং তারপর তারা তা করার চেষ্টা করেন। এভাবে ছোট খাট অনেক কিছুই করেছি তাদের নিয়ে। আর আমার সঙ্গে সব সময় সব কাজেই এসএম মেহদি হাসান (পার্থ), শাওনরা তো থাকেই।

১০ মাস ধরে প্রায় প্রতিদিন খায়ের ভাই আর মহান ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে, কথা হয়, টুকটাক কিছু করার চেষ্টা করেছি আমরা। এখন আমাদের সঙ্গে আরও কয়েকজন যোগ দিয়েছেন। তাদের মধ্যে হয়তো ২-৩ জন টিকে যাবেন এবং এভাবে আমাদের কাজের দলটা একটু একটু করে বড় হচ্ছে।

মহান ভাই আর খায়ের ভাইকে নিয়ে চেষ্টা করতে গিয়ে কিছু ভাল জিনিস শিখেছি। সবচেয়ে বড় যা শিখেছি তাহল টিম তৈরির দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা। এ নিয়ে অনেক পড়েছি কিন্তু বাস্তব জীবনে তা করতে পারা অনেক কঠিন। ১৫ বছর ধরে এ ধরনের একটি টিম তৈরির চেষ্টা করছি এবং বলা যায় মহান ভাই আর খায়ের ভাইয়ের কল্যানে এত দিনে সফল হয়েছি।

আমি লিখতে পারি, লেখাপড়া বা জ্ঞান এর সম্পর্কিত কিছু আমার শক্তিশালি দিক। কিন্তু সব সময় আমার স্বপ্ন ছিল যে আমার শক্তিশালি দিক হবে ১০-১২ জনকে এক করে বিশ্বমানের কিছু না হোক অন্তত দক্ষিন এশীয় মানের বা অন্তত দেশে জাতীয় মানের কিছু করার চেষ্টা করবো। এখন সেই স্বপ্নকে অনেক কাছের কিছু বলে মনে হয়।

সবচেয়ে বড় যা শিখেছি তাহল টিম তৈরির দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা