ইংরেজি শেখার জন্য বাংলাদেশে সবচেয়ে একটিভ গ্রুপ এখন সার্চ ইংলিশ। এখন প্রতিদিন মনে হয় ৪০-৫০ টা পোস্ট আসে আর কমেন্ট অন্তত ১০০০ বা তারও বেশি। কখনো কখনো নোটিফিকেশনের ঝড় বয়ে যায় রাতের দিকে এবং আমার ব্রাউজার হ্যাং করে। তাই প্রতিদিন এখন অনেক মানুষ ফেইসবুকের ইনবক্সে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে ইংরেজি শেখা নিয়ে টিপস এর জন্য। যেহেতু তারা জানে যে সার্চ ইংলিশে কোন টাকা লাগে না তাই অনেকেই এখানে এসে শিখতে আগ্রহি। কিন্তু চারটি সমস্যা আছে সার্চ ইংলিশের এবং এজন্য অনেকেই আর একটিভ হয় না এখানে।
১। এখানে কোন শর্ট কাটের ব্যপার নেই। আমরা কখনোই বলি না যে ৩ মাস থাকলেই আপনি পারবেন। আর সপ্তাহে দুই দিন বা তিন দিন সময় দেন তাও বলি না। বলি যে প্রথম এক মাস যতটা পারেন সময় দেন। এই বিষয় নিয়ে অনেকের মধ্যে সমস্যা কাজ করে। কেন প্রতিদিন সময় দিতে হবে।
২। আমি প্রথম এক মাস সবাইকে রাত দিন কমেন্ট লেখার জন্য বলি। এটিও অনেকের পছন্দ নয়। তাদের চিন্তা হল পোস্ট লেখা ভাল, কমেন্ট লিখে কি হবে। মজার ব্যপার হল এখন গ্রুপে অনেকেই ২০০ শব্দের বেশি লিখতে পারেন একটি কমেন্টে। আবার যারা নিয়মিত প্র্যাকটিস করে না তারা ১০০ শব্দের পোস্ট লিখতেই হিমশিম খায়।
৩। সার্চ ইংলিশ গ্রপে ভুল করলে সমস্যা নেই, শব্দ বা ভোকাবুলারি নিয়ে মাথা ব্যথা নেই। কিন্তু যাদের সঙ্গে কথা হয় তাদের বড় অংশের ধারনা যে কমেন্ট করতে গিয়ে ভুল হলে লোকে তো হাসবে। আবার কেউ কেউ চায় অন্যদের কমেন্টে গিয়ে ভুল ধরতে- তাও নিষিদ্ধ এখানে। এ নিয়ে প্রতি সপ্তাহে ফেইসবুকের ইনবক্সে কারো না কারো সঙ্গে ভেজাল হয়।
৪। শেষ সমস্যাটি সবচেয়ে বড়। যারা আমার সঙ্গে কথা বলে তারা সবাই টিপস চায় এবং আশা করে যে এখানে কয়েকজন শিক্ষক থাকবে, তারা শেখাবে এবং লিখে যাবে আর বাকীরা দেখে যাবে, বড় জোর মুখস্থ করবে। কিন্তু এখানে আমরা কেউ শিক্ষক নেই। এমনকি আমি নিজেও নই। এই যে মাসে ১৫০ এর মত পোস্ট দেই এর একটিও কিন্তু Tense, Vocabulary এসব কিছু নিয়ে না। আসলে এটিই সবচেয়ে বড় সমস্যা।
সব শেষ কথা হল ইংরেজি একটি ভাষা এবং এটি আপনি দিন রাত ব্যবহার করবেন। নিজে নিজে করবেন। এই নিজে নিজে করার আইডিয়া নিয়েই সবচেয়ে বেশি ভেজাল। সার্চ ইংলিশ এই নিজে নিজে চেষ্টা করার উপর ১০০% গুরুত্ব দেয় কারন যাই উন্নতি করবেন তা আপনার নিজের থাকবে।

সার্চ ইংলিশের চারটি সমস্যা