প্রথম স্কুলে যাবার দিনঃ ছোট গল্প

(প্রথমেই বলে রাখি আত্বজীবনীর ভঙ্গীতে লেখা হলেও আমার নিজের জীবনের কাহিনীর সঙ্গে বড় জোর ১০% মিল আছে। হয়তো এটা গল্প কিংবা অনেকের ইতিহাস।) ৬ বছর হতে আর মাস তিনেক বাকি অপুর। এখনো স্কুলে যায়নি দেখে আত্মীয় স্বজন অনেকেই অবাক হয়।

আমি পড়তে খুব ভালবাসি

আমি পড়তে খুব ভালবাসি- যতক্ষণ পিসির সামনে থাকি ততক্ষণ কিছু না কিছু পড়ার চেষ্টা করি। এমনকি অন্যদের সঙ্গে যখন স্কাইপে আড্ডার মধ্যে থাকি ঘণ্টার পর ঘণ্টা তখনও অন্যদের কথা শোনার মাঝেই ফেইসবুকে পড়ি, কিংবা কোন ব্লগ বা নিউজ পড়ি। জীবনে

আমরা খুব কম লোকই কিছু করার চেষ্টা করি

এনকারেজবিডি গ্রুপে এখন ১০,৪০০ মানুষ যুক্ত আছেন। কিন্তু এক দিনে হয়তো ১০ জনের বেশি পোস্ট দেন না এবং ৩০ জনের বেশি কমেন্ট করেন না। জীবনের বাস্তবতা এমনই। আমরা খুব কম লোকই কিছু করার চেষ্টা করি। মেসি বা রোনালদোর খেলার আমরা

আমি কোন অর্থেই সেলিব্রিটি নই

ই-ক্যাবের সভাপতি আমি, ফেইসবুকে কিছুটা জনপ্রিয় কিন্তু আমি কোন অর্থেই সেলিব্রিটি নই এবং হতেও চাই না। কথার কথা নয় বরং আমি গত ১ বছরে তা প্রমান করতে সক্ষম হয়েছি বলে বিশ্বাস করি। আমি একজন সাধারণ মানুষ ছিলাম ই-ক্যাবের সভাপতি হবার

ইংরেজি শেখার বা চর্চা করার ভাল কোন সুযোগ নেই

  ২০১৫ সালের পুরোটা জুড়ে ই-কমার্স নিয়ে প্রতিদিন স্কাইপে আড্ডা দিয়েছি। এখন গত ১৩ দিন ধরে স্কাইপে ইংরেজি শেখা নিয়ে আড্ডা দিচ্ছি। বেশ মজার একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম। ই-কমার্স এখনো ঢাকা কেন্দ্রিক এবং যারা স্কাইপে আড্ডা দিত তাদের ৮০% হয়

লেগে থাকলে সামনে অনেক বড় সাফল্য আসবে

জীবনে সব কিছুতেই হেরেছি অনেকবার এবং এত বেশি হেরেছি যে এখন আর এ নিয়ে ভয় পাই না। বরং জানি লেগে থাকলে সামনে অনেক বড় সাফল্য আসবে। ৫ বছর আগে যে সব বিষয়কে অনেক বড় মনে হত ভয়ংকর বলে মনে হত

যে স্বপ্ন দেখা এক জিনিস এবং তা বাস্তবায়ন করা আরেক

  যারা স্বপ্ন দেখতে ভালবাসেন তারা জানেন যে স্বপ্ন দেখা এক জিনিস এবং তা বাস্তবায়ন করা আরেক। কারণ স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে অনেক কষ্ট হয় এবং অনেক মূল্য দিতে হয়। আমি ই-ক্যাব নিয়ে তা ভালমতো উপলব্ধি করেছি। আবার অন্যদিক থেকে

সবচেয়ে বড় যা শিখেছি তাহল টিম তৈরির দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা

গত বছর এই সময়ে মহান ভাইয়ের সঙ্গে তেমন খাতির ছিল না। তাঁকে ঠিক মত মনে হয় চিনতাম না। আবুল খায়ের ভাইয়ের সঙ্গে মাত্র ভাল করে পরিচিত হয়েছি। খায়ের ভাইকে বলতাম যে আমরা কয়েকজন মিলে একদিন ভাল কিছু করবো এবং দেখা

স্বপ্ন দেখি তরুণদের জন্য ভাল কিছু করার

  ই-ক্যাবের জন্য অনেক কষ্ট করেছি দিনের পর দিন মাসের পর মাস। গত বছর এ সময়ে আমাদের রেজিস্ট্রেশান ছিল না এবং এজন্য অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। এছাড়া আরও বিভিন্ন কারণে অনেক কষ্টের সময় পার হয়েছি। এখন ই-ক্যাব প্রতিষ্ঠিত এবং ই-কমার্স

১৯৯৬ সালের অলিম্পিক গেমসের গানের অনুবাদ

১৯৯৬ সালের অলিম্পিক গেমসের এই গানটি গেয়েছেন সেলিন ডিওন (টাইটানিক সিনেমার গায়িকা)। গানটি শুনতে খুবই ভাল লেগেছে এবং এর কথা (লিরিক) হৃদয় ছুয়ে গেছে। আমি কবি নই, তাই কবিতার মত করে অনুবাদ করতে পারবো না। এজন্য গদ্য আকারে অনুবাদ করেছি।

ইংরেজি নিয়ে সময় দিন

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি মাধ্যমে লেখাপড়া, ফ্রিল্যান্সিং-এ ইংরেজি দরকার মারাত্বক। ইংরেজির দরকার চাকুরির ইন্টারভিউতে। প্রতিদিন অন্তত ৪-৫ জন আমাকে ফেইসবুকে মেসেজ দেন যে তারা ইংরেজিতে ভাল হতে চান। আমি আমার স্কাইপ আইডি আর ফেইসবুকে ইংরেজি গ্রুপের লিঙ্ক দিয়ে বলি যে ৮

খারাপ সময়ে কারা পাশে থাকে এমন মানুষদের চিনতে শেখা

গতবছর এই সময়ে ফেইসবুকে প্রায় প্রতিদিন ই-ক্যাব আর আমাকে নিয়ে আক্রমন করে পোস্ট দেয়া হত। তখন ই-ক্যাবের সরকারি রেজিস্ট্রেশন ছিল না বলে আক্রমণ করা খুব সহজ ছিল। ই-ক্যাবের মধ্যেই কিছু লোক আবার ঐসব পোস্টের উদাহরণ দিয়ে বলার চেষ্টা করতো যে

সিদ্ধান্ত আপনার, একমাত্র আপনার

  ই-ক্যাবের জন্য চেষ্টা করছি বা ই-ক্যাবের সঙ্গে আছি ২২ মাস ২০ দিনের মত। অনেক মানুষের সঙ্গে কথা হয়েছে, পরিচয় হয়েছে। বিশেষ করে ই-ক্যাবের ফেইসবুক গ্রুপে একটিভ হবার পর গত ১৭ মাসে অনেক মানুষের সঙ্গে কথা হয়েছে। অনেক তরুনের কথা

ই-ক্যাব ব্লগ নিয়ে কিছু কথা

ই-ক্যাবের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয় ৮ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে। প্রথম থেকেই চিন্তা ছিল ইচ্ছা ছিল বা স্বপ্ন ছিল এদিকে তথ্য ভাণ্ডার গড়ে তোলার। এজন্য ই-ক্যাব ব্লগের দিকে গুরুত্ব দিয়েছি অনেক ভেজাল আসার পরও। ই-ক্যাব ব্লগ না থাকলে আমার নিজের কোন

টিম বিল্ডিং নিয়ে কিছু কথা

টিম বিল্ডিং বা গ্রুপ গঠনের ব্যপারে গত কয়েক মাস ধরে অনেক চেষ্টা ও গবেষণা করছি। মূল উদ্দেশ্য হল ১০-১১ জনের একটি টিম গঠন করে কিছু একটা করা। বেশ কঠিন একটি কাজ তা বুঝতে পারছি তবে এও বুঝেছি যে কোন কাজের

সবচেয়ে বড় সমস্যা হল ভয় এবং সংকোচ

  ইংরেজি শেখাতে গিয়ে লক্ষ্য করেছি সবচেয়ে বড় সমস্যা হল ভয় এবং সংকোচ। অনেকেই ধরে নেন যে তারা পারবেন না। বিশেষ করে প্রথম দিনে কাউকে যখন বলি যে তিনি মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে ইংরেজিতে এক ঘণ্টা কথা বলতে পারবেন এবং

ফেইসবুককে কাজে লাগান

পরিচিতি অনেকেই ফেইসবুককে খুব নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে। তাদের ধারণা হল ফেইসবুক মানে সময় নষ্ট এবং ফালতু কাজে সময় নষ্ট। এর আগে অবশ্য ইন্টারনেটে নিয়ে অনেকের মনে এই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি দেখেছি অনেক বছর ধরে। ২০০২ সালের ১ জানুয়ারি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকুরি

সিদ্ধান্ত আপনার

এই রাত আড়াইটার দিকে এই পোষ্ট টা লিখছি। চাইলে এখন আমি সিনেমা দেখতে পারতাম, ফেইসবুকে চ্যাট করতে পারতাম, বা এখন যে লেটেস্ট হট টপিক হিরো আলম তাকে নিয়ে ফেইসবুকে মজা করতে পারতাম, তর্ক করতে পারতাম। তা না করে আমি এই

৬ মাস বা এক বছর সময় দিন ইংরেজি নিয়ে

অনেকে প্রতিদিন আমার সঙ্গে ইংরেজি শেখা নিয়ে যোগাযোগ করেন এবং প্রতিদিন অনেকের সঙ্গে কথা হয়। আমার দুটি সমস্যাকে খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছেঃ ১। বেশীরভাগ মানুষ আসলে গ্রামার হোক, ভোকাবুলারি হোক, ট্রান্সলেসন হোক মুখস্ত করতে চান। মুখস্ত করার দরকার নেই আমি

আমি চিন্তা করতে ভালবাসি, স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি

আমি চিন্তা করতে ভালবাসি, স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি, নিজের মত করে কিছু করতে ভালবাসি। বেশীরভাগ সময় ব্যর্থ হয়েছি এবং অনেকবার মন ভেঙ্গে গেছে এজন্য। আবার নিজের মতে নিজের পথে চলতে গিয়ে অনেক ভেজালেও পরেছি জীবনে। তবে এখন বুঝতে পারি যে অন্য

অস্থির সময়ে স্থির থাকার চেষ্টা করুন

জীবনে অনেকবার অনেক কিছুতে ব্যর্থ হয়েছি হেরে গেছি এবং পড়ে গেছি। অনেকবার মনে হয়েছে হয়তো উঠে দাড়াতে পারবো না। অনেকবার মনে হয়েছে সমস্যার কোন সমাধান নেই এবং এর পর কি হবে জানি না। এমনটি শুধু আমার একার নয় বরং আমাদের

লেগে থাকার মানসিকতা থাকতে হবে

গত ২১ মাস ধরে আমার প্রতিদিনের সঙ্গী নেসক্যাফের কফি। সেই ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে ফেইসবুকে নেমে পরেছিলাম ই-ক্যাব নিয়ে এবং এই ৩১ জুলাই ২১ মাস হবে। যারা সেই সময় থেকে আমার সঙ্গে ফেইসবুকে আছেন তারা জানেন যে প্রায় প্রতিদিন

৪০ বছরের এই ক্যারিয়ার

গত ২১ মাসে ফেইসবুকে একটিভ থাকার কারনে অনেক তরুনের সঙ্গে কথা হয়েছে। অনেকে লেখাপড়া থেকে ছিটকে পরেছেন নানা কারনে, অনেকে আবার যে কোন কারনেই হোক এসএসসি বা ম্যাট্রিকের পর এইচএসসি না পড়ে ডিপ্লোমা লাইনে পড়ে এক ধরনের অশান্তিতে ভুগেন। কারো

জীবনের সেরা অর্জন

এখন প্রতিদিন কেউ না কেউ আমাকে বলে যে ধৈর্য ধরে লেগে থাকলে একদম শুন্য থেকে কিছু একটা দাড় করানো যায় তা ই-ক্যাব আর আমাকে দেখে তারা বিশ্বাস করা শুরু করেছেন। নিজের জীবনের দুই বছর ই-ক্যাবের জন্য দিয়ে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি

নিজের কাজে মন দিন

কথাটা অনেকটা নিজের চরকায় তেল দিন-এর মত। কিন্তু আসলেই কথাটার মুল্য কোটি টাকার থেকেও বেশি যদি আপনি মেনে চলতে পারেন। গত ২১ মাসে অনেক ভেজাল পার হয়েছি, অনেক ধরনের বাজে কথা বলা হয়েছে ই-ক্যাব আর আমাকে নিয়ে। কিন্তু শত ভেজালের

আমরা কেন ভাল কিছু করতে পারি না?

তরুন বয়সে কেউ বাস কন্ডাক্টার, কেউ বাদাম বিক্রেতা, কেউ হকার, কেউ বা চা বিক্রেতা থেকে এক সময় দেশের রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী, সেরা অভিনেতা, অলিম্পিকে গোল্ড মেডেলিস্ট এসব হয়। তারা পারে এবং আমরা কেন ভাল কিছু করতে পারি না? এর কারন

লেখাপড়া শিখে লাভ কি? 

কি ফেইসবুকে কি বাস্তব জীবনে অনেকেই বলে যে ঢাকা শহরে একজন রিকশাওয়ালা আজকাল মাসে ২০,০০০ টাকা আয় করে, চা বিক্রেতা ৩০,০০০ টাকা কিংবা অনেক চটপটি বিক্রেতা মাসে ৫০,০০০ বা এমনকি ১ লাখ টাকা আয় করে। তাই অনার্স মাস্টার্স পাশ করে

স্মার্টনেস আসুক কাজ কর্মে, স্টাইলে নয়

২১ মাস আগে আনুষ্ঠানিক ভাবে ই-ক্যাব এর ঘোষণা যখন দেয়া হয় তার আগে ফেইসবুকে তেমন একটিভ ছিলাম না। সেই অর্থে সমাজে খুব বেশি লোক আমাকে চিনত না। ই-ক্যাব প্রেসিডেন্ট হিসেবে এবং ফেইসবুকে একটিভ থাকার কল্যানে এখন হয়ত লাখ খানেক লোক

হতাশা আসা স্বাভাবিক কিন্তু লেগে থাকার অভ্যাস করুন

আমরা ব্যর্থতার কথা বলতে কষ্ট পাই, লজ্জা পাই, দুঃখ পাই। এটি স্বাভাবিক কারন কোন কিছুতে ব্যর্থ হলে একদিকে নিজের কাছে খারাপ লাগে আর অন্য দিকে পরিবার, সমাজ, বন্ধুরা সবাই মিলে মজা করে, উপহাস করে বাজে কথা বলে। জীবনে আমি অনেক

কেন অন্যদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে মাথা ঘামাবেন না

স্কুলে যাদের সঙ্গে ফাস্ট সেকেন্ড থার্ড নিয়ে কম্পিটিশন করতাম তাদের অনেকেই জীবন থেকে হারিয়ে গেছে। এমনকি ফেইসবুকেও তাদের অনেককে খুঁজে পাই না। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাদের সঙ্গে কম্পিট করতাম তাদের কারো সঙ্গেই তেমন দেখা হয় না হাড্ডাহাড্ডি লড়াই তো দুরের কথা।

আমি খুব সাধারণ মানুষ

যে কারনেই হোক না কেন প্রতিদিন অনেক মানুষ বিভিন্ন বিষয়ে আমার থেকে পরামর্শ চায়। আমি চেষ্টা করি নিজের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা থেকে যা জানি, যা বুঝি সেই থেকে পরামর্শ দিতে। বুঝতেই পারছেন ৫০% মানুষ আসলে ই-কমার্স নিয়ে আমার সঙ্গে কথা

দুর্বলতা বনাম শক্তি

২১ মাস আগে ই-ক্যাবের প্রথম দিন গুলোতে আমার সাধারণ বেশ ভুষাকে আমার দুর্বলতা হিসেবে অনেকেই গন্য করতেন। সব পোস্ট বাংলাতে, কমেন্ট বাংলাতে, কথা বার্তা একদম সাধারণ। চলাফেরা ধানমন্ডি লেকের ধারে সব চাল চুলো হীন রাস্তার পোলাপানদের সঙ্গে (প্রথম দিকে এ

ই-ক্যাবের চট্টগ্রাম সফর নভেম্বর ২০১৪

  গত পরশু মানে এই শনিবারে (২২ নভেম্বর ২০১৪) চট্টগ্রামের ই-কমার্স কোম্পানি গুলোর ও যারা ই-কমার্স নিয়ে আগ্রহী তাদের সঙ্গে আমরা ই-ক্যাব থেকে বসেছিলাম। সব মিলিয়ে মনে হয় আমরা ৩০-৩৫ জনের মত ছিলাম। অনুষ্ঠানের সব আয়োজনই করেছিল Branoo এবং তাদের

ই-কমার্স উদ্যোক্তা নিয়ে কিছু কথা

নভেম্বর মাসে প্রতিদিনই কারও না কারো সঙ্গে কথা হয়েছে যে তারা ই-কমার্স উদ্যোক্তা হতে চায়। তাদের বেশীর ভাগ বয়সে তরুণ এবং অনেকে ই-কমার্স সম্পর্কে একদমই জানেনা। এ নিয়ে অবশ্য আমার আপত্তি নেই। নিজেও সারা জীবন আর্টস পড়ে এমএ পাশ করে

ই-ক্যাব নিয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর

Sajjat Hossain ই-ক্যাব নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রশ্ন রেখেছেন তার ফেইসবুকের একাউন্টের একটি স্ট্যাটাসে। আমি বেশ লম্বা একটা উত্তর লিখেছি কিন্তু পোস্ট করতে পারছি না- মানে ফেইসবুক করতে দিচ্ছে না। যাই হোক এখানে চেষ্টা করছি। প্রথমে Sajjat Hossain এর স্ট্যাটাসের লিঙ্কঃ

পৃথিবীর সব দেশে ফাইবার অপটিক বা তার দিয়ে সবচেয়ে কম দামে সবচেয়ে দ্রুতগতির সংযোগ দেয়া হয়

ইন্টারনেট ব্যবহার করছি সেই ১৯৯৭ সাল থেকে আর বাসায় ইন্টারনেট রয়েছে সেই ২০০৩ সাল থেকে। সাইবার ক্যাফের ইন্টারনেট, গ্রামীণ ফোন ও অন্যান্য মোবাইল ফোনের ইন্টারনেট, বাংলা লায়ন ও কিউবির ওয়াইম্যাক্স সব কিছুরই অভিজ্ঞতা রয়েছে আমার। গত ১২/১৩ বছর ধরে আয়ের

মন দিয়ে পড়ার জন্য উচিৎ গর্ববোধ করা

আমার মনে হয় গড়পড়তা মানুষের থেকে আমার স্মরণশক্তি কিছুটা বেশীই ছিল সবসময়। তাই ক্লাসের পড়া মুখস্থ করতে কখনোই খুব একটা বেগ পেতে হতো না। আসলে মুখস্থ করাতে দোষের কিছু দেখিনা। অনেক কিছুই মনে রাখতে হয় এবং তা কর্মজীবনে কাজে লাগাতে

21 Months

For the last 21 months, I am almost always active in Facebook. I started this mission on 1 November 2014. We just started going public with e-Commerce Association of Bangladesh (e-CAB). I have written at least 300 hundred posts per

ইংরেজি শেখানো নিয়ে সাফল্য ও ব্যর্থতা

১৯৯৯ সালে চাকুরি জীবন শুরু করি শিক্ষকতা দিয়ে। কয়েকটি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ইংরেজি বিভাগের লেকচারার ও টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট ছিলাম। তিন বছর এই কাজ করি এবং ২০০২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এটি ছেড়ে দিয়ে ইন্টারনেটে বসে পরি। শিক্ষকতা ছেড়ে দিয়েছিলাম এক ধরনের

তবুও স্বপ্ন দেখি

পোস্ট টা লিখেছিলাম ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। তখন ই-ক্যাব নিয়ে প্রকাশ্যে আমরা নামিনি। অবশ্য একটু একটু করে অনেক কিছু গুছাচ্ছিলাম। এখন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) অনেক এগিয়েছে। পোস্ট টা আমি আবার দিচ্ছি আমার সেই সব তরুন বন্ধুদের জন্য যারা

লেগে থাকেন, চেষ্টা করেন, পরে গেলেও উঠে দাঁড়ান

জীবনে যখন একটি দরজা বন্ধ হয়ে যায়, তখন আরেকটি দরজা খুলে যায়, কিন্তু বন্ধ হয়ে যাওয়া দরজাটির দিকে আমরা এত বেশি সময় ধরে তাকিয়ে থাকি যে খুলে যাওয়া দরজাটি আর দেখতে পাই না। সুন্দর একটি উক্তি করেছেন আলেক্সান্ডার গ্রাহাম বেল।

ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার নতুন করে চেষ্টা করা

জীবনে যখন থেকে মনে পড়ে কখনোই আমি অলস ছিলাম না। হয়তো সেভাবে কঠোর পরিশ্রমী ছিলাম না তবে গড়পড়তা মানুষের থেকে একটু বেশি লেখা পড়া করতে, কাজ করতে ভালবাসতাম এখন আরও বেশি বাসি। জীবনে সব কিছুতেই সাফল্য-ব্যর্থতা পেয়েছি এবং এখন মনে

খারাপ সময় এক সময় শেষ হয়

বেশ খারাপ একটা সময় সব দিকেই ছিল ই-ক্যাব নিয়ে পথে নামার পর। এখন তা প্রায় শেষ এবং ভাল সময়ের দোরগোড়ায় চলে এসেছি বলা চলে। তবে গত দেড় বছরের কঠিন সময়ে কিছু ভাল জিনিস শিখেছি এবং অভ্যাস করতে পেরেছি। প্রথমেই বলতে

ব্যর্থতা হতে পারে অনেক বড় সম্পদ

অনেক কিছুতে আমি ব্যর্থ হয়েছি এবং অনেক ব্যর্থতা আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। কিছু ব্যর্থতা খুব বেদনাদায়ক ছিল এবং স্বাভাবিক জীবনে আসতে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। মাত্র ৩ বছর চাকুরি করে ২০০২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সাইবার ক্যাফেতে বসে পরি

পরে গেলেও উঠে দাঁড়াবেন

জীবনে আমি ১০-১১ বার পরে গিয়েছি, হেরে গেছি, ব্যর্থ হয়েছি। তাই ব্যর্থতা কি জিনিষ আমি হারে হারে টের টের পেয়েছি, অনেক ভেজাল মোকাবেলা করেছি, অনেক বাঁধা অতিক্রম করেছি। তাই জীবন কখনো আমার জন্য আরামের ছিল না। এসব কথা বলছি এজন্য

অন্যদের কথায় মন খারাপ করবেন না

কাজে ফাকি দিতে সবার মজা লাগে। অনেকে আবার এটিকে খুব ক্রেডিটের ব্যপার বলে মনে করেন। ছোট বেলা থেকে আমার পড়তে ভাল লাগতো, এখনো লাগে। আমাদের দেশে সবাই কত কমে পড়ে তা জাহির করার জন্য ব্যস্ত থাকে। কম পড়া মানে ব্রেন

মিলিয়ন ডলার মুল্যের শিক্ষা যা আপনার জন্য সাফল্য বয়ে আনতে পারে

একবার একজন ট্যাক্সি ড্রাইভার কাস্টমার এর প্রত্যাশা ও সন্তুষ্টি (customer satisfaction and expectation) সম্পর্কে মিলিয়ন ডলার সমমানের এক শিক্ষা প্রদান করে। অনুপ্রেরণা দানকারী বক্তারা কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ ও স্টাফদের এ ধরনের শিক্ষা দেবার জন্য হাজার হাজার ডলার চার্জ করে। আর এ

আলেক্স হেলি’র স্বপ্নের ছায়ারাজ্য

১২ বছর ধরে আমি এ লেখাটি নিয়মিত পড়ছি। যখনই হতাশা আসে, সাফল্যকে অনেক দুরের কিছু মনে হয় তখনই পড়ি। একেবারে সত্য ঘটনা যা ‘রুটস’ খ্যাত লেখক আলেক্স হেলি নিজের জীবন সম্পর্কে লিখেছেন।অনুবাদ করে বেশ ভাল লেগেছে নিজের কাছে। আশা করি

রজার ক্রফোর্ড: অনেক কিছুই পারি না আমি

টেনিস খেলার জন্য যা দরকার রজার ক্রফোর্ড এর সবকিছুই ছিল, শুধু ছিল না তার দুইটি হাত ও একটি পা। রজারের বাবা মা যখন তাদের এই সন্তানটিকে প্রথমবারের মত দেখেন তখন তারা দেখতে পান তার ডান হাতের কনুই থেকে কব্জির পর

ব্যর্থ দা লুজার : একটি সত্য কাহিনী

ছেলেটিকে ডাকা হত স্পার্কি নামে। এটি তার আসল নাম নয়। অবশ্য তার আসল নাম হওয়া উচিত ছিল ব্যর্থ বা দা লুজার। তার আসল নাম আমি একটু পরে জানাব। তবে ছেলেটি অনন্ত জলীল নয়। স্কুলে স্পার্কির সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব ছিল লেখাপড়া

উৎসাহ: একটি সত্য ঘটনা

  উনবিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত কবি এবং শিল্পী দান্তে গ্যাব্রিয়েল রসেটির কাছে একদিন একজন বৃদ্ধ লোক আসলেন। বৃদ্ধ লোকটি কিছু পেইন্টিং বা চিত্রকর্ম সাথে নিয়ে এসেছিলেন রসেটিকে দেখানোর ও এগুলো সম্পর্কে তাঁর মতামত নিতে। রসেটি বেশ মনোযোগ দিয়ে দেখতে থাকলেন। তবে

অলসতা কাটিয়ে সফল হবার উপায়

সারা জীবন আমার মনে উচ্চাকাঙ্ক্ষা, লক্ষ্য ও তা কিভাবে অর্জন করা যায় সে ব্যপারে মনের ভেতর সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা ছিল। তবে যা ছিল না তা হল কি কি করলে সেখানে পোঁছানো যায়। আমি লম্বা সময় ধরে ভিডিও গেম খেলতাম, ঘণ্টার

ইংরেজি শেখার কিছু সাধারন টিপস

ইংরেজি নিয়ে পড়েছি এবং এ বিষয় নিয়ে এক বছর ধরে লিখলেও মনে হয় শেষ হবে না। যাই হোক, কিছু জিনিস লিখছি, ঠিক টিপস নয়- আমার নিজের চিন্তা ভাবনা বা দৃষ্টি ভঙ্গীঃ ১। যে কোন জিনিস শেখার জন্য দুটি বিষয় খুব

রিকশাওয়ালাদের জীবন বদলানোর গল্প

আমাদের সময়ে চয়নিকা বলে একটা বই ছিল ক্লাস থ্রি ফোরে। সেখানে রিকশা চালকদের সম্পর্কে একটা গল্প ছিল। ৩০ বছর আগের পড়া সেই গল্পটির হয়তো অনেক কিছুই ভুলে গেছি। যতটুকু মনে আছে তাই লিখছি। বেশ কয়েকজন রিকশাওয়ালা সারাদিন রিকশা চালিয়ে সন্ধ্যা

আপনার শক্তিই সবচেয়ে বড় পুঁজি

বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের একটি গরীব দেশ। যদিও এখন নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃত আমাদের দেশ এখন কিন্তু তারপরও লক্ষ লক্ষ তরুণ বেকার অথবা সামান্য আয়ের কোন কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে। বিশেষ করে যারা ব্যবসা করতে চায় তাদের জন্য পুজির

পরে যাবেন, হেরে যাবেন  তবুও উঠে দাঁড়ান

ই-ক্যাবের কল্যানে এবং ফেইসবুকের কল্যানে কিছু মানুষের সংগ্রামের কাহিনী নিয়মিত দেখতে পাচ্ছি। তাদের প্রায় সবাই ভাল মানুষ কিন্তু জীবন নানা দিকে ভেজালে ভরা। চারপাশের চাপ, পরিবারের অসহযোগিতা আর বন্ধুদের বিদ্রূপ তাদের মানসিক শক্তি কমিয়ে দিচ্ছে, লড়াই করার ক্ষমতা নিঃশেষ করে

স্বপ্ন ঠিক করা দরকার

অনুপ্রেরণা মূলক সিনেমা অনেক দেখেছি- মনে হয় ১০০ এর কম হবে না। অনেক সিনেমার কাহিনী ছিল এমন যে কয়েকজন মিলে কিছু একটা করার চেষ্টা করে এবং প্রথমে ব্যর্থ হয় এবং তারা হতাশ হয়ে পরে। কিন্তু তারা আবার চেষ্টা করে এবং

প্রতিদিনকে কাজে লাগাতে হবে

প্রতিদিন আমাদের কাজের সময় ৬ থেকে ১০ ঘণ্টার মত। কাজ বলতে আমি লেখাপড়া, ব্যবসা, চাকুরি, ফ্রিল্যান্সিং এবং এমনকি বেকারত্বকেও বুঝাচ্ছি- চাকুরি খোঁজাও খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ। আর কাজের উল্টো হল বিশ্রাম ও বিনোদন। প্রতিদিন প্রায় ৭-৮ ঘণ্টার মত ঘুমাই বা শুয়ে