চেষ্টা করলে তাদের জীবনটা অন্যরকম হতে পারতো

ফেইসবুকে আমার ফ্রেন্ডলিস্ট, ফলোয়ার, ই-ক্যাব গ্রুপ এবং সার্চ ইংলিশের গ্রুপের লোকজনের একটা বড় অংশের বয়স ২০-২৫ বছরের মধ্যে। তাদের জন্যই এই পোস্ট। ১। মন দিয়ে লেখাপড়া করার চেষ্টা করুন। পড়ার অভ্যাস করুন- বই, পত্রিকা, ওয়েবসাইট, ফেইসবুক যা ভাল লাগে। এর

আপনি সময় দিলে ভাল করবেন না দিলে করবেন না

Biswajit Adhikary ভাই আজ সার্চ ইংলিশ গ্রুপের কাভার ফটোতে। আমি সহ সবাই তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। তার ডলার আয়ের ছবি দেখে হয়তো ভাবছি আমরাও করবো। বিশ্বজিৎ ভাইকে চিনি ১০ মাস আগে থেকে। তখন ই-কমার্স ওয়ার্ল্ড গ্রুপের স্কাইপ আড্ডা হত।

এটিই জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া

যারা আমাকে পছন্দ করেন, সন্মান করেন, শ্রদ্ধা করেন তাদের আমি খুব ভাল করে ব্রেইনওয়াশ করতে পারি। এটি আমার একান্তই বিশেষ দক্ষতা বা স্কিল। ই-ক্যাবের জন্য এই স্কিল কাজে লাগিয়ে কিছু মানুষকে নিয়ে অনেক কাজ করেছি। এবার Search English এর জন্য

আপনাদের অবদান কম নয়

Search English গ্রুপের প্রান আমি এবং মূলত আমার জন্যই এত মানুষ একটিভ। এখনSirajum Munira আপুও এদিকে চেষ্টা করছেন এবং তিনি ইংরেজি থেকে লেখা পড়া করেছেন। কিন্তু যে দুজনের কাজের কথা আমরা তেমন জানি না তারা হল খায়ের ভাই এবং মহান

আমরা যদি এই আকালেও স্বপ্ন দেখি কার তাতে কি

Neyamot Ullah Mohan vai and Abul Khayer ভাই আমার সঙ্গে আছেন প্রায় ২১ মাস ধরে। ২১ মাস আগে তাদের বয়স ছিল মনে হয় ২০। ই-ক্যাবের অনেক গুরুত্বপুর্ন মিটিং, রিপোর্ট, ব্লগ, ট্রেনিং সব কিছুতেই আমার সঙ্গে তারা কাজ করেছেন। এ নিয়ে

বাংলাদেশে মানুষ মন দিয়ে লেগে থাকতে চায় না

Partho Pratim Mazumder ভাই সাড়ে ১১ মাস ধরে আমার সঙ্গে আছেন। আমার কথা মত প্রতিদিন ১০-১২ ঘণ্টা করে সময় দিয়েছেন এবং অনেক উন্নতি করেছেন এই এক বছরে। তাকে বলেছিলাম চোখ কান বন্ধ করে এক বছর ধরে আমার কথা মত চলতে

কার তাতে কি?

সার্চ ইংলিশ গ্রুপ আর ওয়েবসাইট নিয়ে আমার স্বপ্ন খুব পরিষ্কার এবং সোজা সাপ্টা। আমি চাই এখানে সময় দিয়ে আপনারা ভয় আর লজ্জা কাটিয়ে ইংরেজি চর্চা করুন দিন রাত। ১। যারা লেখা পড়া করছেন তাদের জন্য ইংরেজি খুব দরকার। আমাদের দেশে

লেখাপড়া ও ইংরেজি

এই গ্রুপের বেশির ভাগ মানুষ মনে হয় অনার্স লেভেলে লেখাপড়া করছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজ গুলোতে। কিছু মানুষ ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে লেখাপড়া করছেন এবং তাদের সংখ্যা অন্তত ১০০০ এর মত হবে। আর এর বাইরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পড়ছেন অনেকে। যারা

সাফল্য এসেছে মার্কেটিং না করে

মিথ্যা কথা আমি বলিনা এত বড় মিথ্যা কথা বলতে পারবো না। তবে খুব সুন্দর করে ও গুছিয়ে মিথ্যা কথা আমি বলতে পারিনা এবং ৯০% ক্ষেত্রেই ধরা পড়ে যাই। কেউ আমাকে বিশ্বাস করে কিছু বললে বা জানালে তা আমি গোপন রাখি-

নতুন একটা অ্যাসোসিয়েশান দাড় করানো খুব কঠিন কাজ

ফেব্রুয়ারি মাসের আজ শেষ দিন। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর সভাপতির দায়িত্ব নেবার পর কত গুলো রাত যে না ঘুমিয়ে কাটিয়েছি তার হিসেব নেই। আজকে সারা দিনে দুটি মিটিং আছে বিধায় এখন আর ঘুমানো যাবে না। তাই কিছুটা সময়

ভাল মানুষের সঙ্গে পথ চলতে গিয়ে অনেক বেশি কষ্ট হবে

কাউকে উদ্দেশ্য করে এই পোস্ট নয়। জীবন থেকে নেয়া, জীবনে দেখা এবং জীবন থেকে শেখা উপলব্ধি আর পর্যবেক্ষন মাত্র। একজন ভাল মানুষের সঙ্গে পথ চলতে গিয়ে অনেক বেশি কষ্ট হবে, একজন খারাপ মানুষের সঙ্গী হবার তুলনায়। কারন যাই হোক না

আশা নিয়ে স্বপ্ন নিয়ে প্রচণ্ড রৌদের মধ্যে

আশা নিয়ে স্বপ্ন নিয়ে প্রচণ্ড রৌদের মধ্যে এক ঘণ্টা হাটলেও কষ্ট হয় না, মনে এক ধরনের আনন্দ থাকে। অন্যদিকে দুঃখ আর হতাশা নিয়ে ১০ মিনিট হাঁটলেও খারাপ লাগে, অসহায় লাগে। আমরা মানুষ এবং সুখ দুঃখ মিলিয়েই জীবন। কিন্তু খারাপ সময়ে

সার্চ ইংলিশ কোন অ্যাসোসিয়েশান নয়

ই-ক্যাব নিয়ে গত ২৬ মাসে অনেক খারাপ সময় পার হয়েছি, ভেজাল পার হয়েছি প্রায় প্রতিদিন না হলেও প্রতি সপ্তাহে একটা দুইটা। ই-ক্যাবের পালটা কিছু করার চেষ্টা হয়েছে ১০-১১ বার। সেই তুলনায় সার্চ ইংলিশে কোন ভেজাল নেই। পালটা কিছু করার চেষ্টা

এই বছর আপনি ভাল কিছু পারেন নি

আমরা সব সময় ছুটতে ভালবাসি। পাশ করে তারপর চাকুরী হচ্ছে না কেন- সারা জীবন কি বেকার থাকতে হবে। আপনি মেয়ে হলে বিয়ে করছেন না কেন, আপনার কি বিয়ে হবে না আর। পরিবার, আত্মীয়, প্রতিবেশি, বন্ধু বান্ধব সবাই আপনার মঙ্গল কামনায়

ভাল কিছু হয় তার বড় উদাহরণ ই-ক্যাব

ই-ক্যাবের এজিএমে আজকে বেশ কয়েকজন আমাকে বলেছেন যে লেগে থাকলে যে ভাল কিছু হয় তার বড় উদাহরণ ই-ক্যাব এবং ই-ক্যাবের এই সাফল্য দেখে তারা অনুপ্রাণিত। আগামি বছর এই সময়ে ই-ক্যাব অনেক বড় হবে বলে আমি আশাবাদী। আড়াই বছর ধরে যে

চালাকি করে বা শর্ট কাটে কিছু করতে গেলে তা ফাঁপা হয়

২০১৬ সালে অনেক পরিশ্রম করেছি ই-ক্যাব আর সার্চ ইংলিশ নিয়ে। প্রতিদিন চেষ্টা করেছি, কষ্ট করেছি, যতটা সম্ভব সময় ও শ্রম দিয়েছি। চেষ্টা করেছ ফাঁকি না দিয়ে, চালাকি না করে সৎ ভাবে পরিশ্রম করতে। ই-ক্যাব আজ খুব ভাল করে প্রতিষ্ঠিত এবং

আমি জীবনের প্রায় সব কিছু স্যাক্রিফাইস করি এবং হারাই

২০১৫ সালের জানুয়ারী আর ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসের পোস্ট গুলো পড়লাম এতক্ষণ। ২০১৫ সালে আমার ফেইসবুকের প্রোফাইলে মাত্র ১০০০ ফ্রেন্ড ছিল এবং তখন বেশিরভাগ পোষ্টেই ২০-২৫ টি লাইক আসলেই মনে হয় আমি খুব খুশি হতাম। তেমন কমেন্ট আসতো না। কিন্তু

লেখার শক্তি আর প্রভাব আমি দেখেছি গত ২ বছরে

আমার এই প্রোফাইলে, সার্চ ইংলিশ এবং ই-ক্যাব গ্রুপে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ আমার লেখা গুলো পড়েন। একজন লেখকের কাছে এর থেকে বড় আনন্দের আর কি হতে পারে। আমি প্রতিদিন লিখি একদম বছরের ৩৬৫ দিন। প্রথম দিকে অনেকের কাছে পাগলামি বলে

যে দুটো জিনিশ খুব সাহায্য করে

আমাদের জীবনে নানা ধরনের সমস্যা থাকে। তার মধ্যে হতাশা অনেক বড় একটি সমস্যা এবং আসলে এর কোন চিকিৎসা নেই। আপনি নিজে না চাইলে কেউ আপনার মন ভাল করতে পারবে না। যদিও বাংলাদেশ কিছুটা গরীব দেশ বলে আমরা এর জন্য টাকা

ভেজাল ছাড়া এই বছরটা শুরু করতে পেরে

ভেজাল ছাড়া এই বছরটা শুরু করতে পেরে মনে অনেক শান্তি পাচ্ছি। একদিকে ই-ক্যাবের বিরুদ্ধে আক্রমন শেষ আর আমি নিজেও ফালতু কথাকে সামান্যতম পাত্তা না দিয়ে কাজ করা শিখে গেছি। এখন কাজ করতে চাই, লিখতে চাই, গবেষণা করতে চাই। অনেক ভাল

ভাল লাগে নতুন কিছু করার স্বপ্ন দেখতে

ভাল লাগে নতুন কিছু করার স্বপ্ন দেখতে, চিন্তা করতে, চেষ্টা করতে এবং নিয়মিত ব্যর্থ হয়েছি জীবনে। আমার ব্যর্থতার পাল্লা খুবই ভারী। এখন আর খারাপ লাগে না বরং বুঝতে পারি যে প্রতিবার একটু একটু করে এগিয়ে যাই। পার্থ (এস এম মেহদি

ভাল হওয়া অবশ্যই ভাল তবে ভাল মানুষের সঙ্গে

আমাদের অনেকের জীবনের খুব কমন বা মিলে যাওয়া একটি ব্যপার। তাই দয়া করে এই পোস্টকে কেউ ব্যক্তিগতভাবে নেবেন না। আপনি যখন ক্রমাগত কারো জন্য এক তরফা ভাবে করে যাবেন তা সেটি ভালবাসা বা বন্ধুত্ব, অফিসের কলিগ বা প্রতিবেশি বা সহপাঠী

রাত জাগি স্বপ্ন নিয়ে

আমরা রাত জাগি শখে না। রাত জাগি স্বপ্ন নিয়ে। কেউ হয়ত অনলাইনে কাজ করছেন, কেউ শিখছেন কিছু, কেউ ব্যবসার সুযোগ খুঁজছেন, কেউ কেউ আমার মত কিছু একটা দাড় করানোর চেষ্টা করছেন। এভাবেই শত শত মানুষ জেগে আছে প্রতিদিন। গত ২৫

তিন সাতে একুশ

এর মানে কি? অনেকে আমার জানতে চেয়েছেন। এর মানে তেমন কিছু না এবং এর সঙ্গে ই-ক্যাব বা আমার টিমের বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কোন রকম সম্পর্ক নেই। গত বছর এই সময়ে ৭ জনের মত ছিলাম আমরা এবং নিজেরদের মধ্যে খাতির হওয়া

রুশনারা আলী: লড়াইটা নিজের সঙ্গে

আজকে ব্রিটিশ হাই কমিশনার এর বাসাতে এক পার্টিতে গিয়েছিলাম। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রথম ব্রিটিশ এমপি ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বানিজ্য বিষয়ক উপদেষ্টা রুশনারা আলীর সন্মানে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ সরকারের কয়েকজন মন্ত্রি, সরকারি ও বিরোধী দলের কয়েকজন নেতা, ব্রিটিশ হাই

সার্চ ইংলিশ গ্রুপে ভাল পোস্টঃ ৯ অক্টোবর ২০১৬

সার্চ ইংলিশ গ্রুপে ভাল পোস্ট উৎসাহিত করার জন্য কমেন্ট করার উদ্যোগের এটি একটি টেস্ট। এই পরীক্ষা আমি আমার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটে করছি আজকের জন্য। তবে কাল বা পরশু থেকে তা সার্চ ইংলিশ ওয়েবসাইটে হবে। আইডিয়া খুবই সাধারণ। নিচের লিঙ্ক গুলোতে ক্লিক

সার্চ ইংলিশঃ ৫০,০০০ মেম্বার

আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সার্চ ইংলিশ গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ৫০,০০০ হয়ে যাবে। আমরা আর ছোট গ্রুপ নই। বরং বড় গ্রুপ হয়ে যাচ্ছি। যে পরিমান পোস্ট আর কমেন্ট আসে তাতে করে বাংলাদেশের অন্যতম একটিভ গ্রুপে পরিণত হয়েছি আমরা। ৯৯ দিন আগে

একজন ছাত্র যখন একদিনে ১ ঘণ্টা ইংরেজিতে কথা বলতে পারবে

আজকে শিক্ষক দিবস ছিল। ঘুম থেকে উঠতেই দেখি ফারহানা আশা আপুর পোস্ট, বিশ্বজিৎ অধিকারি ভাইয়ের পোস্ট। এরপর একের পর এক পোস্ট আসে এই গ্রুপে। ধন্যবাদ সবাইকে। আমি আসলে শিক্ষক নই। ক্যারিয়ার শুরু করেছিলাম শিক্ষকতা দিয়ে। ইংরেজির শিক্ষক ছিলাম। পড়াতে গিয়ে

ভক্ত চাই না কর্মী চাই

ফেইসবুকে এখন প্রতিদিন আমাকে ট্যাগ করে বা আমার নাম উল্লেখ করে প্রচুর পোস্ট আসে। ই-ক্যাব আর সার্চ ইংলিশ গ্রুপে অনেক পোস্ট আসে এভাবে। কেউ কেউ তাদের প্রফাইলেও আমাকে নিয়ে লেখেন। সপ্তাহে ২০-৩০ টি পোস্ট দেখতে পাই। অনেকে আমাকে মেন্টর হিসেবে

অন্যের ফালতু কথাকে পাত্তা দেবেন না

ফেইসবুকে ই-ক্যাব নিয়ে আমার বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে অন্তত ২০০ পোস্ট এসেছিল। একদিন এক সঙ্গে ৫ টি পোস্ট এসেছিল, আরেক দিন ৪ টি। অনেক সময় আমার যারা ঘনিষ্ঠ মানুষ তাদের অনেকেই রেগে যেতেন এবং বলতেন যে চলেন আমরা ২০-২৫ মিলে ঝাঁপিয়ে

এই ধরনের বিশ্বাস নিয়ে যদি আপনি প্রতিদিন লেগে থাকতে পারেন তাহলে সাফল্য আসতে বাধ্য

ই-ক্যাব এর ফেইসবুক গ্রুপে ২৩ মাস ধরে প্রতিদিন পোস্ট দিয়ে গেছি এখনও দেই। ব্লগ নিয়ে চেষ্টা করেছি। ধানমন্ডি লেকে অনেক আড্ডা দিয়েছি এবং ঢাকা বিভিন্ন প্রান্তে আড্ডা দিয়েছি অনেকের সঙ্গে। একদম একটানা এক বছর স্কাইপে প্রায় সারা রাত আড্ডা দিয়েছি

এক দুই বছর চেষ্টা করে অনেক কিছুই করা সম্ভব

২১-২৫ বয়সের অনেকের সঙ্গে ফেইসবুকে কথা হয়। আসলে ই-ক্যাব এবং সার্চ ইংলিশ দুই গ্রপের অন্তত ৮০% সদস্য মনে হয় এই বয়সের। আমার এই প্রফাইলের ফ্রেন্ড লিস্ট ও ফলোয়ারদেরও ৮০% তাই হবে। যাই হোক, বেশির ভাগের মনে লেখাপড়া এবং ক্যারিয়ার নিয়ে

দক্ষতাকে শক্তিতে পরিণত করার চেষ্টা করুন

প্রতিদিন অনেক মানুষের সঙ্গে আমার কথা বলতে হয়। ফেইসবুকে, স্কাইপে, মোবাইল ফোনে এবং বাস্তব জীবনে সামনা সামনি। কোণ কোন দিন এভাবে ৫০-৬০ জনের সঙ্গে কথা হয়। এর মধ্যেও কিন্তু আমার কাজ আমি ঠিকই করে যাই। একদিকে অভ্যাস্ত হয়ে গেছি আরেকদিকে

নিজের মত করে চলুন

বাংলাদেশের প্রচলিত সংজ্ঞায় আমি সবচেয়ে আনস্মারট মানুষদের একজন। অন্তত পোশাকে তো বটেই। হাফ শার্ট, স্যান্ডেল আর মাথায় উসকো খুশকো চুল- আমার এই বেশভূষা নিয়ে অনেকে অনেক মজা করে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করে তা আমি ভাল মতই জানি। ইংরেজিতে লেখাপড়া করলেও ই-ক্যাব

২৩ মাসের কিছু উপলব্ধি

ই-ক্যাব নিয়ে দিন রাত চেষ্টা করার দুই বছর হবে এই ১ নভেম্বর তারিখে। ২৩ মাস ধরে লেগে থাকার ফলে ই-ক্যাবের যে অগ্রগতি নিজের চোখের সামনে দেখেছি তাতে করে ভাল কিছু জিনিশ শিখেছিঃ ১। মনের ভেতর থেকে বিশ্বাস করি যে লেগে

মিডিয়ায় ই-কমার্স নিয়ে প্রচার

ই-কমার্স এর প্রসার এর জন্য মিডিয়াতে ই-কমার্সকে তুলে ধরা দরকার। টেলিকম কোম্পানি গুলোর এদিকে আগ্রহ এবং আলিবাবার বাংলাদেশে পরোক্ষভাবে বাংলাদেশে যাত্রা শুরু এসব কারনে ই-কমার্স এর ব্যপারে মিডিয়াতে আগ্রহ দিন দিন বাড়বে। দৈনিক পত্রিকা গুলোর এদিকে আগ্রহ বাড়ছে এবং এখন

আসল আলিবাবা বনাম নকল আলিবাবা

ই-ক্যাবের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয় ২০১৪ সালের ৮ নভেম্বর থেকে। আমি ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে ফেইসবুকে এমন খেয়ে না খেয়ে দিন রাত একটিভ। মানে এ মাস শেষে আমার ২ বছর হয়ে যাবে। ই-ক্যাবের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবার পর শুরু হয়ে

অজুহাত দিয়ে জেতা যায় না

প্রতিদিন অনেকেই আমাকে ফেইসবুকে মেসেজ দেন তাদের ব্যস্ততার কথা জানিয়ে। তাই তারা কম সময় লাগে এমন কোন শর্ট কাট পদ্ধতি খুজেন। নানা রকম ব্যস্ততার কথা বলেন। আমি শুধু এটুকু বলি যে আপনার যদি সময় না থাকে তাহলে ইংরেজি শেখার পেছনে

যারা লেখাপড়া করছেন তাদের জন্য এই পোস্ট

প্রতিদিন ফেইসবুকের ইনবক্সে সার্চ ইংলিশ এবং অন্য গ্রুপের (বিশেষ করে বিসিএস গ্রুপ) অনেকেই আমাকে মেসেজ দেন যে তারা ইংরেজিতে অনার্স করছেন বা অন্য সাবজেক্টে পড়ছেন (যেমন বিবিএ) এবং সেখানে ইংরেজিতে দুর্বলতার কারনে ফেল করছেন বা খুব খারাপ রেজাল্ট করছেন। ইংরেজি

ফেইসবুকে বিজ্ঞাপন দেয়া নিয়ে কিছু কথা

বাংলাদেশে ই-কমার্স এর মার্কেটিং এর প্রধান চ্যানেল হল ফেইসবুকে বিজ্ঞাপন। গত ২ বছরে অনেক পরিবর্তন দেখেছি। আর বিজ্ঞাপন দেবার ব্যপারে অনেকেই কোম্পানি বা লোক খুজেন। প্রথম দিকে ফরিদপুরের জামি ভাই এবং ঢাকার তাসদিক হাবিব ভাইয়ের কথা বলতাম। এখন আরও দুই

বাংলাদেশে ইংরেজি ভাষার একটি বড় বাজার গড়ে উঠবে

আকাশভরা সূর্য-তারা, বিশ্বভরা প্রাণ, তাহারি মাঝখানে আমি পেয়েছি মোর স্থান, বিস্ময়ে তাই জাগে আমার গান॥ আগামীকাল বিকেলের মধ্যে আশা করি সার্চ ইংলিশ গ্রুপে ২০,০০০ মেম্বার হয়ে যাবে। স্কাইপে আড্ডাতে এক মাস পরে যোগ দিয়েছি এবং অনেক ভাল লাগছে। মাহফুজ মান্না

সাধনার মূল্য দিতে শিখুন

মাস্টার্স পাশ করে চাকুরিতে ঢুকে তারপর ২০০০ সালে আমি প্রথম পিসি বা ডেস্কটপ কম্পিউটার হাতে পাই। অর্থাৎ অনেকের তুলনায় অনেক দেরিতে কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করি। প্রথম দিকে টাইপ করতে খুব কষ্ট হত। কিন্তু এক সময় লেগে থাকতে থাকতে গতি চলে

দিনে ২৫ টি কমেন্ট

যেখানে একদিনে এখন পর্যন্ত ৯৩ জন ৫০ টি করে কমেন্ট লিখে দেখিয়েছেন এবং ৩২ জন একদিনে ১০০ কমেন্ট করে দেখিয়েছেন সেখানে কেন আমি দিনে ২৫ টি কমেন্ট লেখার কথা বলছি? যারা এখনো একদিনে ৫০ টি কমেন্ট লেখেন নি, তারা লিখে

ভুল করার ভয়ে না লেখা

ভুল করার ভয়ে না লেখা ফেইসবুকের ইনবক্সে সপ্তাহে না হলেও ৩০-৪০ জন বলেন যে তারা ইংরেজিতে লিখতে চান কিন্তু ভুল হবে এই ভয়ে লেখেন না। আমার উত্তর থাকে আপনি না লেখেন তাহলে লিখতে পারবেন কি করে? ভাষার মূল উদ্দেশ্য যোগাযোগ

গ্রামার, ভোকাবুলারি এবং কারেকশন

১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ মানে এই শনিবারে সার্চ ইংলিশ গ্রুপের বয়স ৩ মাস হবে। প্রথম থেকেই আমি গ্রামার চর্চার বিপক্ষে ছিলাম। আমার যুক্তি ছিল যে আগে আপনারা ইংরেজি লেখা, পড়া, বলা, শোনা এবং বোঝাতে ফ্লুয়েন্ট হন তারপর নিজেরা গ্রামার পড়বেন এবং

কোন কিছুতে দক্ষ হতে ভয় পাবেন না

আমার বয়সের খুব কম মানুষই বাংলাদেশে ফেইসবুকে আমার মত একটিভ। ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে আমি ই-ক্যাব এর জন্য ফেইসবুকে দিন রাত সময় দেয়া চেষ্টা করি। এর আগে আমি খুব একটা ছবি তুলতাম না। ছোটবেলা থেকেই এটি আমার অভ্যাস ছিল।

আপনি যদি স্বপ্ন পুরন করতে চান তবে কষ্ট করতে হবে

অনেকেই বলে আমি নাকি রোবট বা যন্ত্রের মত কাজ করি। কথাটা হয়তো একেবারে মিথ্যা নয়। আমি কাজ করতে ভালবাসি কারণ আমি জানি যে স্বপ্ন পূরণ করতে হলে কাজ করার কোন বিকল্প নেই। ১৯৯৮ সালে মাস্টার্স পাশ করি এবং সেই হিসেবে

জীবনে লেগে থাকলে ৯০% ক্ষেত্রে সাফল্য আসে

জীবনে অনেক বার অনেক কিছুতে ব্যর্থ হয়েছি, হেরে গেছি এবং বার বার পরে গেছি। কিন্তু প্রতিবার আরও জোরে চেষ্টা করেছি। এভাবে চেষ্টা করতে করতে এখন এমন একটি অবস্থায় চলে এসেছে যে নিজের জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভাল কিছু

সিরিয়াস ভাবে চেষ্টা না করলে টেকার সম্ভাবনা থাকে না

গত ৩ মাস ধরে ইংরেজি চর্চা নিয়ে নিয়মিত পোস্ট দেয়ার কারনে অনেক তরুন আমাকে নিয়মিত মেসেজ দেন। বিসিএস, ব্যাংক ও অন্যান্য চাকুরির পরীক্ষা এবং অনার্সে ভর্তি পরিক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। আমি তাদের বলি সব কিছু বাদ দিয়ে ইংরেজিতে সময় দিতে

দেড় বছর আগের ছবি

আজ থেকে দেড় বছর আগের ছবি মহান ভাই আর খায়ের ভাইয়ের। তখন তারা ঢাকায় টিকে থাকার সংগ্রামে ব্যস্ত। ই-ক্যাবেরও রেজিস্ট্রেশন তখন ছিল না এবং আমার নিজের জীবনও ঘোরতর ভেজালের মধ্যে। ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসের ২৪ তারিখের ছবি। এমনি খারাপ সময়ের

ফেইসবুক পেইজের এডমিন করবেন না অন্য কাউকে

গত ৭ দিনে ৮ টা অভিযোগ এসেছে এই বিষয় নিয়ে আমার কাছে। ১। দুজনের কাহিনী একদম একই রকম। পার্টনারকে ফেইসবুক পেইজের এডমিন করেছেন এবং তারপর পার্টনার সেই পেইজ থেকেই আসল মালিককে ডিলিট করে দিয়েছেন। ২। বিজ্ঞাপন দেবার জন্য পরিচিত কাউকে

সেপ্টেম্বর ২০১৬ এর শেষ দিন আজ

সেপ্টেম্বর ২০১৬ এর শেষ দিন আজ। গত ২৩ টা মাস এভাবে প্রতিদিন লেগে ছিলাম ই-ক্যাব নিয়ে। দিন রাত চেষ্টা করেছি, সময় দিয়েছি। ই-ক্যাব আজকে সফল অ্যাসোসিয়েশান। ই-ক্যাবে চেষ্টা করেছি নিজের কিছু দর্শন প্রতিষ্ঠিত করতে। প্রথম থেকেই চিন্তা ছিল সবাইকে তথ্য

ওয়েবসাইট বানাতে কত টাকা লাগবে

যারা বলেন যে ওয়েবসাইট বানাতে কত টাকা লাগবে তাদের বলি অন্তত ১ মাস ই-কমার্স নিয়ে একটু আমাদের ব্লগ পড়েন আগে আর গ্রুপে সময় দিন। দয়া করে এ ধরনের বেসিক ব্যপার না জেনে না বুঝে ই-কমার্সে নামবেন না। ওয়েবসাইট বানানোর খরচ

দুদিনের পরিচয়ে লেনদেন করবেন না

প্রথম দর্শনে প্রেম ভালবাসা হতে পারে কিন্তু প্রথম দর্শনে ব্যবসা ও লেনদেন হওয়া উচিৎ নয়। দয়া করে এই ধরনের বোকামি করবেন না। যে কারো সঙ্গে ব্যবসা বা টাকার সম্পর্কে জড়ানোর আগে দয়া করে তাকে আগে চিনুন এবং তার সম্পর্কে জানার

যারা ই-কমার্সে নামতে চাচ্ছেন তাদের জন্য কিছু কথা

গত ২৩ মাসে ই-ক্যাবের কারনে ফেইসবুকে আমি খুবই একটিভ রয়েছি। অনেক তরুনের সঙ্গে কথা হয়েছে অন্তত ২৩০০ জনের সঙ্গে তো হবেই। বেশির ভাগ তরুণদের ই-কমার্সে নামা থেকে বিরত রাখতে পেরেছি না হলে এখন হয়তো ই-ক্যাবের মেম্বার সংখ্যা ১০০০ হয়ে যেত।

সময় দিন, গুরুত্ব দিন, মনোযোগ দিন

সার্চ ইংলিশ গ্রুপে অনেকেই যোগ দিয়েছেন এজন্য যে ইংরেজিতে দুর্বলতার কারনে তারা লেখাপড়ায় ভাল করতে পারছেন না এবং অনেকেই আবার চাকুরি পাচ্ছেন না ইংরেজির কারনে। অনেকে আবার ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে লেখাপড়া করছেন। কেউ কেউ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি মাধ্যমে বিবিএ বা

ভয় নেই

আর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সার্চ ইংলিশের মেম্বার ৪০,০০০ ছাড়িয়ে যাবে। অনেক ধন্যবাদ সবাইকে। আমরা আর ছোট গ্রুপ নই। যথেষ্ট বড় এবং তার থেকেও অনেক বেশি একটিভ একটি গ্রুপ। যে দেশে পরিক্ষার খাতার বাইরে ইংরেজি চর্চার সংস্কৃতি তেমন জোরালো নয় সেখানে

তিন মাস

ঘড়ির কাটা অনুযায়ী এখন অক্টোবর মাসের ১ তারিখ। এ বছরের আর ঠিক তিন মাস বাকি আছে। চলুন এই তিন মাসকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করি। খুব বেশি কিছু করতে হবে না। শুধু চেষ্টা করুন প্রতিদিন অন্তত ২ ঘণ্টা সময় দেবার জন্য।

কাজ করতে আমি খুবই ভালোবাসি

গত একমাসে আমাকে ৩১ দিনের মধ্যে ৩১ দিনই বলতে গেলে অবিরাম কাজ করতে হয়েছে। সকাল, দুপুর, বিকেল, সন্ধ্যা, রাত, মধ্যরাত কিংবা ভোর- বিশ্রাম বলে কোন কিছু ছিলনা। কিভাবে একটা মাস চলে গেছে আমি টেরও পাইনি। এজন্য মনে কোন দুঃখ নেই

ই-কমার্স ও শিক্ষা

ই-কমার্স নিয়ে অনেকেই অনেক আইডিয়া নিয়ে আমার সঙ্গে আলোচনা করেন। কেউ তাদের আইডিয়া গোপন রাখতে অনুরোধ করেন কেউ আবার সেই আইডিয়া নিয়ে পরামর্শ চান এবং আমি স্কাইপ আড্ডাতে চলে যেতে বলি যেখানে আফজাল ভাই, লিটন ভাই, সাকিব ভাই, নাফিস ভাই,

ই-ক্যাব গ্রুপের ২৪০০ সদস্য

আজকে আমাদের গ্রুপের পুরনো পোস্ট গুলো পড়ছিলাম। মাসে একবার বা দুইবার এই কাজ করি। এর একটা অন্যতম কারণ হল ফেইসবুকের ইনবক্সে অনেকে আমাকে অনেক ধরনের প্রশ্ন করেন যার উত্তর আমাদের গ্রুপে ইতিমধ্যেই দেয়া হয়ে গেছে। তাই পুরনো পোস্ট গুলো পড়ার

বাংলা ভাষার সঙ্গে সম্পর্ক

ফেব্রুয়ারি মাস ভাষার মাস- বাংলা ভাষার মাস। অনেকে এ মাসে আমাদের ইংরেজি প্রীতিকে নিয়ে ঠাট্টা মশকরা করতে ভালবাসেন। উপহাস না করে তারা যদি নিজেরা ভাষার প্রতি কিছু করতেন তাহলে বোধহয় অনেক বেশি ভাল হতো। ১৯৯৩ সালে ইংরেজিতে অনার্স পড়া শুরু

ই-ক্যাবের আজ ১০০ দিন

ই-ক্যাবের আজ ১০০ দিন পূর্ণ হয়ে গেল। ১০০ দিন আগে প্রেস ক্লাবে প্রেস কনফারেন্সে একটা ঘোষণা এসেছিল ই-ক্যাব সভাপতি হিসেবে আমার থেকে। একটা স্বপ্নের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। সেদিন মনে হয় আমাদের এই ফেইসবুক গ্রুপে মাত্র ২০০-৩০০ সদস্য ছিল। পেইজে

আমি বাংলাতেই সব পোস্ট দেই

২১ ফেব্রুয়ারি এলেই ফেইসবুক ফিডে কিছু লোক শুধু চারদিকে হিন্দি গান বাজছে তা শুনতে পান। এ নিয়ে তাদের মনে দুঃখের সীমা নেই। পাশের বাসার কেউ একজন হিন্দি গান শুনছে, রাস্তায় কোন দোকানে হিন্দি গান বাজছে, কোন বিয়ের অনুষ্ঠানে বা পার্টিতে

কোয়ালিটি অনেক বড় ব্যপার

ওডেস্ক এর মত অনলাইন মার্কেট প্লেস গুলোর জনপ্রিয়তা বাড়ায় এবং হাজার হাজার তরুন দামের দিকে প্রতিযোগিতা করতে উৎসাহী হওয়াতে ফ্রিল্যান্সিং থেকে আয় কমে গেছে বা আয় করা খুব কঠিন হয়ে গেছে এমন অভিযোগ অনেকে করেন। আর বিভিন্ন গ্রুপ ও ফোরামে

জন্ম আমার ঢাকায়

জন্ম আমার ঢাকায় এবং বলা যায় চরম মাত্রায় আমি ঘর কুনো বা ঢাকা কুনো। রাজধানী শহর ছাড়া বাংলাদেশের অন্য সব জায়গা অনেক সুন্দর, পরিবেশ দূষণ নেই বললেই চলে। গত নভেম্বর মাসে চট্টগ্রাম গিয়ে আমি খুবই মুগ্ধ। শহরের মধ্যে গাছপালা, পাহাড়,

অনলাইন শপিং সাইটগুলোর কনটেন্ট এর দিকে নজর দিতে হবে

ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেবার পর প্রথম থেকেই আমি বলে এসেছি যে আমাদের দেশের অনলাইন শপিং সাইটগুলোর কনটেন্ট এর দিকে নজর দিতে হবে। পন্যের বর্ণনা, ব্লগ, ফেইসবুক পেইজ ও গ্রুপে সক্রিয় অংশগ্রুহন, মিডিয়া পাবলিসিটি এসব

কন্টেন্ট এর মূল্য উপলব্ধি

ই-ক্যাব থেকে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি এবং এর ফলে দেশের ই-কমার্স সেক্টরে ২০১৫ সালের মধ্যেই আশাতীত অগ্রগতি ও প্রবৃদ্ধি আসবে বলে আমি আশাবাদী। কন্টেন্ট এর প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি কারন আপনি নিজেই চিন্তা করুন সারাদিন ইন্টারনেটে বসে কি করেন? গুগলে সার্চ

ইফাত শারমিন আপু

আজকে ই-ক্যাবের অফিসে আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন ইফাত শারমিন আপু। তার জামদানী ভিলা (https://www.facebook.com/JamdaniVille ) আজ থেকে ই-ক্যাবের সদস্য। বাংলাদেশের তাঁত শিল্পের সঙ্গে আমার শৈশব ও কৈশোরের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। পারিবারিক ব্যকগ্রাউন্ড কিছুটা এদিকে এবং মাতুয়াইল, রায়েরবাগ এসব

ফ্রেন্ড লিস্টে এখন ১৫০০ জনের বেশি

আমার ফ্রেন্ড লিস্টে এখন ১৫০০ জনের বেশি। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেশ ই-ক্যাব এর সভাপতির দায়িত্ব নেবার আগে আমার লিস্টে ১০০ জনও ছিলনা। ই-কমার্স এর সঙ্গে প্রত্যক্ষ, পরোক্ষ ভাবে জড়িত বা ই-কমার্স নিয়ে কোন না কোন ভাবে জড়িত এমন প্রায় ১০০০

স্বপ্ন দেখি

নভেম্বর মাসে প্রতিদিনই কারও না কারো সঙ্গে কথা হয়েছে যে তারা ই-কমার্স উদ্যোক্তা হতে চায়। তাদের বেশীর ভাগ বয়সে তরুণ এবং অনেকে ই-কমার্স সম্পর্কে একদমই জানেনা। এ নিয়ে অবশ্য আমার আপত্তি নেই। নিজেও সারা জীবন আর্টস পড়ে এমএ পাশ করে

জেগে থাকা প্রায় প্রতিটি ঘণ্টাতে

ঘড়ির কাটা অনুযায়ী নভেম্বর মাস শেষ হয়ে গেছে এবং ডিসেম্বরের প্রথমদিন। এই এক মাসের জেগে থাকা প্রায় প্রতিটি ঘণ্টাতে আমি ই-কমার্স অ্যাসসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইক্যাব) নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছি। আমার সঙ্গে আরও অনেকে সময় দিয়েছেন। এবং আমরা সবাই মিলে

সবচেয়ে প্রিয় কাজ হচ্ছে লেখালেখি করা

আমার সবচেয়ে প্রিয় কাজ হচ্ছে লেখালেখি করা- যেকোনো ধরণের লেখা। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত লেখার সংখ্যা ৫০০ এর কম হবে না। আর ব্লগে ও ওয়েবসাইটে ৫,০০০ পোস্ট তো হবেই। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান-এ কাজ করতে গিয়ে লেখালেখির সাথে সম্পর্ক কিছুটা দূরে সরে গেছে।

ই-কমার্স নিয়ে পোস্ট দিয়ে গেছি বিরামহীন ভাবে

আজকে আমার ফেইসবুক টাইম লাইন ঘেঁটে দেখলাম যে টানা দু মাস ধরে নিজের টাইমলাইনে ই-কমার্স নিয়ে পোস্ট দিয়ে গেছি বিরামহীন ভাবে। হয়তো দরকার ছিল মানুষকে জানানোর। তবে এখন থেকে চেষ্টা করবো ই-কমার্স নিয়ে পোস্ট গুলো আমাদের ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান এর ফেইসবুক

ই-কমার্স নিয়ে হুজুগের আমি ঘোরতর বিপক্ষে

দুদিন আগে ঠিক করেছিলাম যে নিজের ওয়ালে আর ই-কমার্স নিয়ে পোস্ট দেব না। ই-কমার্স নিয়ে পোস্ট থাকলে তা দেব ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেস (ই-ক্যাব)-এর গ্রুপে। কিন্তু ই-ক্যাবের সঙ্গে এখন আমার জীবন এতটাই জড়িয়ে গেছে যে রাতে স্বপ্নও দেখি ই-কমার্স নিয়ে।

ই-ক্যাবঃ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সেমিনার শুরু

আরও একটা বড় স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে ই-ক্যাব থেকে আমরা আজকে আরেকটি ছোট পদক্ষেপ রাখলাম। ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) থেকেই আমরা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সেমিনার করা শুরু করে দিলাম। আয়োজনে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার কাউন্সিলিং বিভাগ এবং এইচ আর ফোরাম। ই-ক্যাবকে আমন্ত্রণ জানানো

সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা। অনেকেই দেখলাম হতাশার কথা বলেছেন কারণ দেশের উন্নতি হয়নি বলে। কেউ কেউ হিন্দি গান বাজানো নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছে। বিজয় দিবস আমার কাছে আনন্দের দিন এবং স্বপ্ন দেখার দিন। জানি রাতারাতি সব বদলাবে না। দেশ তো আমার

ই-কমার্স ব্যবসায়ী এবং উপজেলার উৎপাদকদের মধ্যে যোগ সুত্র

গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ধ্রুবতারার অনুষ্ঠানে যেসব প্রশ্ন আমাকে হয়েছিল তার মধ্যে অন্যতম ছিল ঢাকার বাইরে যারা থাকে বিশেষ করা ছোট জেলা শহর এবং উপজেলা গুলোতে তাদের বেশীর ভাগের ই-কমার্স নিয়ে তেমন কোন ধারনা নেই। অথচ ই-কমার্স তাদের দরকার বেশি। সাতক্ষীরার

মন দিয়ে লেখাপড়া করা এবং সততা সবচেয়ে বড় স্মার্টনেস

কেউ কেউ আমার কাছে জানতে চেয়েছেন যে আমি সব পোস্ট বাংলাতে দেই কেন, একটাও ইংরেজিতে নেই। অনেককে ঠাট্টা করি বলে যে ইংরেজি পারিনা তাই বাংলাতে দেই। একজন বেশ সিরিয়াস ভাবে আমাকে পরামর্শ দিলেন ইংরেজি অক্ষরে বাংলাতে লিখতে, তাতেও কিছুটা স্মার্টনেস

ঈদ হল আমাদের মত সাধারণ মানুষের জন্য

৩ দিন পর কোরবানি ঈদ। আর আজ দুর্গা পূজার শেষ দিন। গত ৫ বছর ধরে ঈদে কোন আনন্দ করতে পারিনি। হয় অসুস্থ ছিলাম, না হয় টাকা ছিল না, না হয় ঈদের সময় কোন কাজের প্রজেক্ট ছিল এবং ঈদের সময় সারা

ফ্রেন্ড লিস্টে এখন ৯০০ জন

আজ নিজের প্রোফাইল চেক করতে গিয়ে দেখলাম ফ্রেন্ড লিস্টে এখন ৯০০ জন। অথচ মাত্র আড়াই মাস আগেও এই সংখ্যা ১০০ ছিল বা কিছুটা কম। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান শুরু হবার পর থেকে ই-কমার্স, ফ্রি-ল্যান্সিং এবং আইটি সেক্টরের অনেকেই আমার লিস্টে যুক্ত হয়েছেন।

যে কাজ আপনি ভালবাসেন

পত্রিকায় লেখা শুরু করি ১৯৯৪ সাল থেকে। সেই হিসেবে ২০ বছর পার হয়ে গেছে। ৫০০ এর মত লেখা হয়তো ছাপা হয়েছে ২০-২১ টি পত্রিকা আর ম্যাগাজিনে। অনেক বিষয়ের উপর নিয়েই লিখেছি পেটের দায়ে, মনের দায়ে, ছাপা অক্ষরে নিজের নাম দেখার

২০১৪ সাল শেষ এবং শুরু হল ২০১৫

২০১৪ সাল শেষ এবং শুরু হল ২০১৫। খুবই কঠিন একটা বছর শেষ হল। শেষ হয়েছে আশার মধ্য দিয়ে। গত ৬ টা বছর খুবই কঠিন ভাবে পার করতে হয়েছে। ১ জুন ২০১৪ থেকে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) নিয়ে কাজ করা

ই-ক্যাবের ২ মাসঃ কিছু কথা

আজ ৮ জানুয়ারি ২০১৫। ঠিক ২ মাস আগে ৮ নভেম্বর তারিখে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুর ঘোষণা সংগঠনটির সভাপতি হিসেবে আমি দেয়। ২ মাসে আমরা আশাতীত এগিয়েছি। সদস্য সংখ্যা বেড়েছে,

ডিজিটাল ইনভেটিভ ফেয়ার ২০১৫

ডিজিটাল ইনভেটিভ ফেয়ার ২০১৫ এর উদ্বোধনী দিনে একটি সেমিনার ছিল যেখানে ই-ক্যাবের পক্ষ থেকে আমরা বেশ কয়েকজন অংশ নেই। আসলে এটি ই-ক্যাবের পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয় এবং ই-ক্যাবের সভাপতি হিসাবে আমি ছিলাম, এবং আমার সাথে ছিলেন ই-ক্যাবের যুগ্ম সাধারণ

আমাদের সমাজে শর্ট কাটের জয় জয়কার

জীবনে যখন থেকে মনে পড়ে কখনোই আমি অলস ছিলাম না। হয়তো সেভাবে কঠোর পরিশ্রমী ছিলাম না তবে গড়পড়তা মানুষের থেকে একটু বেশি লেখা পড়া করতে, কাজ করতে ভালবাসতাম এখন আরও বেশি বাসি। জীবনে সব কিছুতেই সাফল্য-ব্যর্থতা পেয়েছি এবং এখন মনে

উইন-উইন

উইন-উইন (win-win) বা দু পক্ষের জন্যই লাভজনক হবে এমন কিছু করা বাংলাদেশে বেশ কঠিন নানা কারণে। একটা বড় কারণ হল বোধহয় আমরা ধরেই নেই যে আমি নিজে খেটে মরছি আর আরেকজন কিছুই করছে না। অনেক ক্ষেত্রে আবার সত্যি সত্যি এমনটা