দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ইকমার্সের ট্রেন্ড 2017

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ইকমার্সের জন্য নতুন বাজার হিসেবে পরিণত হয়েছে । সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মিয়ানমার, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া সহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর অনলাইন শপিং এর পরিধি বেড়েই চলছে ; বড় বড় আন্তর্জাতিক অনলাইন বিক্রেতাদেরকে এই বাজার আকর্ষণ করছে । সৃজনশীল

নতুন একটা অ্যাসোসিয়েশান দাড় করানো খুব কঠিন কাজ

ফেব্রুয়ারি মাসের আজ শেষ দিন। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর সভাপতির দায়িত্ব নেবার পর কত গুলো রাত যে না ঘুমিয়ে কাটিয়েছি তার হিসেব নেই। আজকে সারা দিনে দুটি মিটিং আছে বিধায় এখন আর ঘুমানো যাবে না। তাই কিছুটা সময়

ভাল কিছু হয় তার বড় উদাহরণ ই-ক্যাব

ই-ক্যাবের এজিএমে আজকে বেশ কয়েকজন আমাকে বলেছেন যে লেগে থাকলে যে ভাল কিছু হয় তার বড় উদাহরণ ই-ক্যাব এবং ই-ক্যাবের এই সাফল্য দেখে তারা অনুপ্রাণিত। আগামি বছর এই সময়ে ই-ক্যাব অনেক বড় হবে বলে আমি আশাবাদী। আড়াই বছর ধরে যে

মিডিয়ায় ই-কমার্স নিয়ে প্রচার

ই-কমার্স এর প্রসার এর জন্য মিডিয়াতে ই-কমার্সকে তুলে ধরা দরকার। টেলিকম কোম্পানি গুলোর এদিকে আগ্রহ এবং আলিবাবার বাংলাদেশে পরোক্ষভাবে বাংলাদেশে যাত্রা শুরু এসব কারনে ই-কমার্স এর ব্যপারে মিডিয়াতে আগ্রহ দিন দিন বাড়বে। দৈনিক পত্রিকা গুলোর এদিকে আগ্রহ বাড়ছে এবং এখন

আসল আলিবাবা বনাম নকল আলিবাবা

ই-ক্যাবের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয় ২০১৪ সালের ৮ নভেম্বর থেকে। আমি ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে ফেইসবুকে এমন খেয়ে না খেয়ে দিন রাত একটিভ। মানে এ মাস শেষে আমার ২ বছর হয়ে যাবে। ই-ক্যাবের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবার পর শুরু হয়ে

ফেইসবুকে বিজ্ঞাপন দেয়া নিয়ে কিছু কথা

বাংলাদেশে ই-কমার্স এর মার্কেটিং এর প্রধান চ্যানেল হল ফেইসবুকে বিজ্ঞাপন। গত ২ বছরে অনেক পরিবর্তন দেখেছি। আর বিজ্ঞাপন দেবার ব্যপারে অনেকেই কোম্পানি বা লোক খুজেন। প্রথম দিকে ফরিদপুরের জামি ভাই এবং ঢাকার তাসদিক হাবিব ভাইয়ের কথা বলতাম। এখন আরও দুই

ফেইসবুক পেইজের এডমিন করবেন না অন্য কাউকে

গত ৭ দিনে ৮ টা অভিযোগ এসেছে এই বিষয় নিয়ে আমার কাছে। ১। দুজনের কাহিনী একদম একই রকম। পার্টনারকে ফেইসবুক পেইজের এডমিন করেছেন এবং তারপর পার্টনার সেই পেইজ থেকেই আসল মালিককে ডিলিট করে দিয়েছেন। ২। বিজ্ঞাপন দেবার জন্য পরিচিত কাউকে

ওয়েবসাইট বানাতে কত টাকা লাগবে

যারা বলেন যে ওয়েবসাইট বানাতে কত টাকা লাগবে তাদের বলি অন্তত ১ মাস ই-কমার্স নিয়ে একটু আমাদের ব্লগ পড়েন আগে আর গ্রুপে সময় দিন। দয়া করে এ ধরনের বেসিক ব্যপার না জেনে না বুঝে ই-কমার্সে নামবেন না। ওয়েবসাইট বানানোর খরচ

দুদিনের পরিচয়ে লেনদেন করবেন না

প্রথম দর্শনে প্রেম ভালবাসা হতে পারে কিন্তু প্রথম দর্শনে ব্যবসা ও লেনদেন হওয়া উচিৎ নয়। দয়া করে এই ধরনের বোকামি করবেন না। যে কারো সঙ্গে ব্যবসা বা টাকার সম্পর্কে জড়ানোর আগে দয়া করে তাকে আগে চিনুন এবং তার সম্পর্কে জানার

যারা ই-কমার্সে নামতে চাচ্ছেন তাদের জন্য কিছু কথা

গত ২৩ মাসে ই-ক্যাবের কারনে ফেইসবুকে আমি খুবই একটিভ রয়েছি। অনেক তরুনের সঙ্গে কথা হয়েছে অন্তত ২৩০০ জনের সঙ্গে তো হবেই। বেশির ভাগ তরুণদের ই-কমার্সে নামা থেকে বিরত রাখতে পেরেছি না হলে এখন হয়তো ই-ক্যাবের মেম্বার সংখ্যা ১০০০ হয়ে যেত।

ভয় নেই

আর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সার্চ ইংলিশের মেম্বার ৪০,০০০ ছাড়িয়ে যাবে। অনেক ধন্যবাদ সবাইকে। আমরা আর ছোট গ্রুপ নই। যথেষ্ট বড় এবং তার থেকেও অনেক বেশি একটিভ একটি গ্রুপ। যে দেশে পরিক্ষার খাতার বাইরে ইংরেজি চর্চার সংস্কৃতি তেমন জোরালো নয় সেখানে

কাজ করতে আমি খুবই ভালোবাসি

গত একমাসে আমাকে ৩১ দিনের মধ্যে ৩১ দিনই বলতে গেলে অবিরাম কাজ করতে হয়েছে। সকাল, দুপুর, বিকেল, সন্ধ্যা, রাত, মধ্যরাত কিংবা ভোর- বিশ্রাম বলে কোন কিছু ছিলনা। কিভাবে একটা মাস চলে গেছে আমি টেরও পাইনি। এজন্য মনে কোন দুঃখ নেই

ই-কমার্স ও শিক্ষা

ই-কমার্স নিয়ে অনেকেই অনেক আইডিয়া নিয়ে আমার সঙ্গে আলোচনা করেন। কেউ তাদের আইডিয়া গোপন রাখতে অনুরোধ করেন কেউ আবার সেই আইডিয়া নিয়ে পরামর্শ চান এবং আমি স্কাইপ আড্ডাতে চলে যেতে বলি যেখানে আফজাল ভাই, লিটন ভাই, সাকিব ভাই, নাফিস ভাই,

ই-ক্যাব গ্রুপের ২৪০০ সদস্য

আজকে আমাদের গ্রুপের পুরনো পোস্ট গুলো পড়ছিলাম। মাসে একবার বা দুইবার এই কাজ করি। এর একটা অন্যতম কারণ হল ফেইসবুকের ইনবক্সে অনেকে আমাকে অনেক ধরনের প্রশ্ন করেন যার উত্তর আমাদের গ্রুপে ইতিমধ্যেই দেয়া হয়ে গেছে। তাই পুরনো পোস্ট গুলো পড়ার

ই-ক্যাবের আজ ১০০ দিন

ই-ক্যাবের আজ ১০০ দিন পূর্ণ হয়ে গেল। ১০০ দিন আগে প্রেস ক্লাবে প্রেস কনফারেন্সে একটা ঘোষণা এসেছিল ই-ক্যাব সভাপতি হিসেবে আমার থেকে। একটা স্বপ্নের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। সেদিন মনে হয় আমাদের এই ফেইসবুক গ্রুপে মাত্র ২০০-৩০০ সদস্য ছিল। পেইজে

আমি বাংলাতেই সব পোস্ট দেই

২১ ফেব্রুয়ারি এলেই ফেইসবুক ফিডে কিছু লোক শুধু চারদিকে হিন্দি গান বাজছে তা শুনতে পান। এ নিয়ে তাদের মনে দুঃখের সীমা নেই। পাশের বাসার কেউ একজন হিন্দি গান শুনছে, রাস্তায় কোন দোকানে হিন্দি গান বাজছে, কোন বিয়ের অনুষ্ঠানে বা পার্টিতে

অনলাইন শপিং সাইটগুলোর কনটেন্ট এর দিকে নজর দিতে হবে

ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেবার পর প্রথম থেকেই আমি বলে এসেছি যে আমাদের দেশের অনলাইন শপিং সাইটগুলোর কনটেন্ট এর দিকে নজর দিতে হবে। পন্যের বর্ণনা, ব্লগ, ফেইসবুক পেইজ ও গ্রুপে সক্রিয় অংশগ্রুহন, মিডিয়া পাবলিসিটি এসব

ইফাত শারমিন আপু

আজকে ই-ক্যাবের অফিসে আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন ইফাত শারমিন আপু। তার জামদানী ভিলা (https://www.facebook.com/JamdaniVille ) আজ থেকে ই-ক্যাবের সদস্য। বাংলাদেশের তাঁত শিল্পের সঙ্গে আমার শৈশব ও কৈশোরের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। পারিবারিক ব্যকগ্রাউন্ড কিছুটা এদিকে এবং মাতুয়াইল, রায়েরবাগ এসব

স্বপ্ন দেখি

নভেম্বর মাসে প্রতিদিনই কারও না কারো সঙ্গে কথা হয়েছে যে তারা ই-কমার্স উদ্যোক্তা হতে চায়। তাদের বেশীর ভাগ বয়সে তরুণ এবং অনেকে ই-কমার্স সম্পর্কে একদমই জানেনা। এ নিয়ে অবশ্য আমার আপত্তি নেই। নিজেও সারা জীবন আর্টস পড়ে এমএ পাশ করে

জেগে থাকা প্রায় প্রতিটি ঘণ্টাতে

ঘড়ির কাটা অনুযায়ী নভেম্বর মাস শেষ হয়ে গেছে এবং ডিসেম্বরের প্রথমদিন। এই এক মাসের জেগে থাকা প্রায় প্রতিটি ঘণ্টাতে আমি ই-কমার্স অ্যাসসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইক্যাব) নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছি। আমার সঙ্গে আরও অনেকে সময় দিয়েছেন। এবং আমরা সবাই মিলে

ই-কমার্স নিয়ে পোস্ট দিয়ে গেছি বিরামহীন ভাবে

আজকে আমার ফেইসবুক টাইম লাইন ঘেঁটে দেখলাম যে টানা দু মাস ধরে নিজের টাইমলাইনে ই-কমার্স নিয়ে পোস্ট দিয়ে গেছি বিরামহীন ভাবে। হয়তো দরকার ছিল মানুষকে জানানোর। তবে এখন থেকে চেষ্টা করবো ই-কমার্স নিয়ে পোস্ট গুলো আমাদের ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান এর ফেইসবুক

ই-কমার্স নিয়ে হুজুগের আমি ঘোরতর বিপক্ষে

দুদিন আগে ঠিক করেছিলাম যে নিজের ওয়ালে আর ই-কমার্স নিয়ে পোস্ট দেব না। ই-কমার্স নিয়ে পোস্ট থাকলে তা দেব ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেস (ই-ক্যাব)-এর গ্রুপে। কিন্তু ই-ক্যাবের সঙ্গে এখন আমার জীবন এতটাই জড়িয়ে গেছে যে রাতে স্বপ্নও দেখি ই-কমার্স নিয়ে।

ই-ক্যাবঃ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সেমিনার শুরু

আরও একটা বড় স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে ই-ক্যাব থেকে আমরা আজকে আরেকটি ছোট পদক্ষেপ রাখলাম। ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) থেকেই আমরা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সেমিনার করা শুরু করে দিলাম। আয়োজনে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার কাউন্সিলিং বিভাগ এবং এইচ আর ফোরাম। ই-ক্যাবকে আমন্ত্রণ জানানো

ই-কমার্স ব্যবসায়ী এবং উপজেলার উৎপাদকদের মধ্যে যোগ সুত্র

গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ধ্রুবতারার অনুষ্ঠানে যেসব প্রশ্ন আমাকে হয়েছিল তার মধ্যে অন্যতম ছিল ঢাকার বাইরে যারা থাকে বিশেষ করা ছোট জেলা শহর এবং উপজেলা গুলোতে তাদের বেশীর ভাগের ই-কমার্স নিয়ে তেমন কোন ধারনা নেই। অথচ ই-কমার্স তাদের দরকার বেশি। সাতক্ষীরার

ফ্রেন্ড লিস্টে এখন ৯০০ জন

আজ নিজের প্রোফাইল চেক করতে গিয়ে দেখলাম ফ্রেন্ড লিস্টে এখন ৯০০ জন। অথচ মাত্র আড়াই মাস আগেও এই সংখ্যা ১০০ ছিল বা কিছুটা কম। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান শুরু হবার পর থেকে ই-কমার্স, ফ্রি-ল্যান্সিং এবং আইটি সেক্টরের অনেকেই আমার লিস্টে যুক্ত হয়েছেন।

২০১৪ সাল শেষ এবং শুরু হল ২০১৫

২০১৪ সাল শেষ এবং শুরু হল ২০১৫। খুবই কঠিন একটা বছর শেষ হল। শেষ হয়েছে আশার মধ্য দিয়ে। গত ৬ টা বছর খুবই কঠিন ভাবে পার করতে হয়েছে। ১ জুন ২০১৪ থেকে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) নিয়ে কাজ করা

ই-ক্যাবের ২ মাসঃ কিছু কথা

আজ ৮ জানুয়ারি ২০১৫। ঠিক ২ মাস আগে ৮ নভেম্বর তারিখে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুর ঘোষণা সংগঠনটির সভাপতি হিসেবে আমি দেয়। ২ মাসে আমরা আশাতীত এগিয়েছি। সদস্য সংখ্যা বেড়েছে,

ডিজিটাল ইনভেটিভ ফেয়ার ২০১৫

ডিজিটাল ইনভেটিভ ফেয়ার ২০১৫ এর উদ্বোধনী দিনে একটি সেমিনার ছিল যেখানে ই-ক্যাবের পক্ষ থেকে আমরা বেশ কয়েকজন অংশ নেই। আসলে এটি ই-ক্যাবের পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয় এবং ই-ক্যাবের সভাপতি হিসাবে আমি ছিলাম, এবং আমার সাথে ছিলেন ই-ক্যাবের যুগ্ম সাধারণ

ট্যুরিজম বা পর্যটন সেক্টরে ই-কমার্স বৈপ্লবিক উন্নয়ন সাধন করতে পারে

বাংলাদেশে অনেকেই ই-কমার্স সেক্টর নিয়ে চিন্তিত এবং হতাশ। স্বীকার করি হতাশ হবার মত যথেষ্ট কারণ রয়েছে। এ খাতের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি যোগাযোগ মনে হয় আমার নিজের এবং তাদের মুখ থেকে তাদের সমস্যার কথা প্রতিদিনই শুনি। কিন্তু তারপরও আমি এদেশে

ই-ক্যাব বারবিকিউ নাইট (শুক্রবার ৩০ জানুয়ায়ারি ২০১৫)

অনেকেই চাচ্ছিলেন ই-ক্যাবের পক্ষ থেকে একটা পিকনিকের আয়োজন করা হোক। দেশের বর্তমান অবস্থায় পিকনিক এর আয়োজন করা সম্ভব নয় তা বুঝিয়ে বলার দরকার নেই মনে হয়। তাছাড়া পিকনিকের জন্য প্রস্তুতি নিতে গেলে ই-ক্যাবের অন্য সব গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যঘাত ঘটবে। এর

ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান এর বয়স ৭৫ দিন

আমার খুবই প্রিয় একটা কবিতা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা। সেই ১৯৮৯ সাল থেকে কত বার যে আবৃত্তি করেছি নিজে নিজে। সুখ আর দুঃখ মিলিয়েই জীবন। আমার নিজের জীবন অনেক সংগ্রামে, ব্যর্থতায় ও ভেজালে ভরা। ২০১৫ সালে এসে জীবন অনেক ভাল হচ্ছে

ভ্যালেন্টাইন ডে 2015

উপলক্ষে আমাদের ই-ক্যাবের সদস্য কোম্পানিরা এখন থেকেই বিভিন্ন স্পেশাল অফার দেয়া শুরু করেছেন। আশা করছি এ বছর ভ্যালেন্টাইন দিবস হবে ই-কমার্সময় ভ্যালেন্টাইন। আমি কথা দিয়েছিলাম যে আমাদের যে সব মেম্বার কোম্পানি স্পেশাল অফার দেবে তাদের অফারের কথা জানাবো আমাদের ফেইসবুক

ই-ক্যাব ও আইপিএবি

ই-ক্যাব থেকে গতকাল আমরা কয়েকজন গিয়েছিলাম ইনটেলেকচুয়াল প্রপার্টি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইপিএবি)-এর একজন ইসি কমিটির একজন সদস্য ব্যারিস্টার আনিক আর হক এর সঙ্গে সাক্ষাত করতে। আইপিএবি গত ৫-৬ বছর ধরে কাজ করছে পাইরেসি রোধ করার জন্য। ই-কমার্স নিয়ে হয়তো এখনও

ই-ক্যাব সেবা কেন্দ্রকে ধন্যবাদ

সবাই সব কিছু সমান পারে বা জানে না। যে ইনফরমাল আড্ডা দেয়া হয় প্রতি রাতে স্কাইপে তাতে দেখা যায় যে আফজাল ভাই অনেক কিছুই জানেন। তিনি বলেন, আমরা শুনি বা নতুন কেউ আসলে প্রশ্ন করেন। অনেকের সমস্যা ও ভুল ধরিয়ে

ই-ক্যাব ও সুন্দরবন কুরিয়ার এর মিটিং

সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস প্রাইভেট লিমিটেড-এর বেশ কয়েকজন শীর্ষ স্থানীয় কর্মকর্তার সঙ্গে আজ আমাদের ই-ক্যাবের মিটিং হয়। সুন্দরবনের পক্ষে এ মিটিং-এ নেতৃত্ব দেন তাদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব শেখ তানভীর আহমেদ রনি। রনি ভাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাতে হয় ই-কমার্সকে এতটা গুরুত্ব দেবার

ই-কমার্স নিয়ে ২০০০ সাল থেকে আমার আগ্রহ

আমি পড়তে ভালবাসি, কাজ করতে ভালবাসি। সেভাবে প্রতিভাবান মনে হয় আমি নই- মাঝারী মানের প্রতিভা আমার। বলার মত একটাই প্রতিভা আছে- স্মরণশক্তি বা মনে রাখার ক্ষমতা। মানুষের নাম মনে থাকে, তারা কি করে, তাদের সঙ্গে কখন কি কথা হয়েছিল এ

ইংলিশ এবং আইটির কোন ভাল ম্যাচ মেকিং হয়নি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের আজকে এলামনাই (প্রাক্তন ছাত্রদের) মিলনমেলার অনুষ্ঠানটি হয় টিএসসিতে। ৬ ঘণ্টার মত ছিলাম সেখানে। ১৫ বছর পর এ অনুষ্ঠানে যাই। ভাল লাগলো ১৫ বছর পর অনেককেই দেখতে পেয়ে। সেখানে গিয়েছিলাম শিক্ষক, সহপাঠী এবং জুনিয়র সিনিয়রদের সঙ্গে অনেক

আমি কোন অর্থেই সেলিব্রিটি নই

ই-ক্যাবের সভাপতি আমি, ফেইসবুকে কিছুটা জনপ্রিয় কিন্তু আমি কোন অর্থেই সেলিব্রিটি নই এবং হতেও চাই না। কথার কথা নয় বরং আমি গত ১ বছরে তা প্রমান করতে সক্ষম হয়েছি বলে বিশ্বাস করি। আমি একজন সাধারণ মানুষ ছিলাম ই-ক্যাবের সভাপতি হবার

যে স্বপ্ন দেখা এক জিনিস এবং তা বাস্তবায়ন করা আরেক

  যারা স্বপ্ন দেখতে ভালবাসেন তারা জানেন যে স্বপ্ন দেখা এক জিনিস এবং তা বাস্তবায়ন করা আরেক। কারণ স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে অনেক কষ্ট হয় এবং অনেক মূল্য দিতে হয়। আমি ই-ক্যাব নিয়ে তা ভালমতো উপলব্ধি করেছি। আবার অন্যদিক থেকে

স্বপ্ন দেখি তরুণদের জন্য ভাল কিছু করার

  ই-ক্যাবের জন্য অনেক কষ্ট করেছি দিনের পর দিন মাসের পর মাস। গত বছর এ সময়ে আমাদের রেজিস্ট্রেশান ছিল না এবং এজন্য অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। এছাড়া আরও বিভিন্ন কারণে অনেক কষ্টের সময় পার হয়েছি। এখন ই-ক্যাব প্রতিষ্ঠিত এবং ই-কমার্স

সিদ্ধান্ত আপনার, একমাত্র আপনার

  ই-ক্যাবের জন্য চেষ্টা করছি বা ই-ক্যাবের সঙ্গে আছি ২২ মাস ২০ দিনের মত। অনেক মানুষের সঙ্গে কথা হয়েছে, পরিচয় হয়েছে। বিশেষ করে ই-ক্যাবের ফেইসবুক গ্রুপে একটিভ হবার পর গত ১৭ মাসে অনেক মানুষের সঙ্গে কথা হয়েছে। অনেক তরুনের কথা

ই-ক্যাব ব্লগ নিয়ে কিছু কথা

ই-ক্যাবের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয় ৮ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে। প্রথম থেকেই চিন্তা ছিল ইচ্ছা ছিল বা স্বপ্ন ছিল এদিকে তথ্য ভাণ্ডার গড়ে তোলার। এজন্য ই-ক্যাব ব্লগের দিকে গুরুত্ব দিয়েছি অনেক ভেজাল আসার পরও। ই-ক্যাব ব্লগ না থাকলে আমার নিজের কোন

স্মার্টনেস আসুক কাজ কর্মে, স্টাইলে নয়

২১ মাস আগে আনুষ্ঠানিক ভাবে ই-ক্যাব এর ঘোষণা যখন দেয়া হয় তার আগে ফেইসবুকে তেমন একটিভ ছিলাম না। সেই অর্থে সমাজে খুব বেশি লোক আমাকে চিনত না। ই-ক্যাব প্রেসিডেন্ট হিসেবে এবং ফেইসবুকে একটিভ থাকার কল্যানে এখন হয়ত লাখ খানেক লোক

ই-ক্যাবের চট্টগ্রাম সফর নভেম্বর ২০১৪

  গত পরশু মানে এই শনিবারে (২২ নভেম্বর ২০১৪) চট্টগ্রামের ই-কমার্স কোম্পানি গুলোর ও যারা ই-কমার্স নিয়ে আগ্রহী তাদের সঙ্গে আমরা ই-ক্যাব থেকে বসেছিলাম। সব মিলিয়ে মনে হয় আমরা ৩০-৩৫ জনের মত ছিলাম। অনুষ্ঠানের সব আয়োজনই করেছিল Branoo এবং তাদের

ই-কমার্স উদ্যোক্তা নিয়ে কিছু কথা

নভেম্বর মাসে প্রতিদিনই কারও না কারো সঙ্গে কথা হয়েছে যে তারা ই-কমার্স উদ্যোক্তা হতে চায়। তাদের বেশীর ভাগ বয়সে তরুণ এবং অনেকে ই-কমার্স সম্পর্কে একদমই জানেনা। এ নিয়ে অবশ্য আমার আপত্তি নেই। নিজেও সারা জীবন আর্টস পড়ে এমএ পাশ করে

ই-ক্যাব নিয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর

Sajjat Hossain ই-ক্যাব নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রশ্ন রেখেছেন তার ফেইসবুকের একাউন্টের একটি স্ট্যাটাসে। আমি বেশ লম্বা একটা উত্তর লিখেছি কিন্তু পোস্ট করতে পারছি না- মানে ফেইসবুক করতে দিচ্ছে না। যাই হোক এখানে চেষ্টা করছি। প্রথমে Sajjat Hossain এর স্ট্যাটাসের লিঙ্কঃ