চেষ্টা করলে তাদের জীবনটা অন্যরকম হতে পারতো

ফেইসবুকে আমার ফ্রেন্ডলিস্ট, ফলোয়ার, ই-ক্যাব গ্রুপ এবং সার্চ ইংলিশের গ্রুপের লোকজনের একটা বড় অংশের বয়স ২০-২৫ বছরের মধ্যে। তাদের জন্যই এই পোস্ট। ১। মন দিয়ে লেখাপড়া করার চেষ্টা করুন। পড়ার অভ্যাস করুন- বই, পত্রিকা, ওয়েবসাইট, ফেইসবুক যা ভাল লাগে। এর

আপনি সময় দিলে ভাল করবেন না দিলে করবেন না

Biswajit Adhikary ভাই আজ সার্চ ইংলিশ গ্রুপের কাভার ফটোতে। আমি সহ সবাই তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। তার ডলার আয়ের ছবি দেখে হয়তো ভাবছি আমরাও করবো। বিশ্বজিৎ ভাইকে চিনি ১০ মাস আগে থেকে। তখন ই-কমার্স ওয়ার্ল্ড গ্রুপের স্কাইপ আড্ডা হত।

এটিই জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া

যারা আমাকে পছন্দ করেন, সন্মান করেন, শ্রদ্ধা করেন তাদের আমি খুব ভাল করে ব্রেইনওয়াশ করতে পারি। এটি আমার একান্তই বিশেষ দক্ষতা বা স্কিল। ই-ক্যাবের জন্য এই স্কিল কাজে লাগিয়ে কিছু মানুষকে নিয়ে অনেক কাজ করেছি। এবার Search English এর জন্য

আপনাদের অবদান কম নয়

Search English গ্রুপের প্রান আমি এবং মূলত আমার জন্যই এত মানুষ একটিভ। এখনSirajum Munira আপুও এদিকে চেষ্টা করছেন এবং তিনি ইংরেজি থেকে লেখা পড়া করেছেন। কিন্তু যে দুজনের কাজের কথা আমরা তেমন জানি না তারা হল খায়ের ভাই এবং মহান

বাংলাদেশে মানুষ মন দিয়ে লেগে থাকতে চায় না

Partho Pratim Mazumder ভাই সাড়ে ১১ মাস ধরে আমার সঙ্গে আছেন। আমার কথা মত প্রতিদিন ১০-১২ ঘণ্টা করে সময় দিয়েছেন এবং অনেক উন্নতি করেছেন এই এক বছরে। তাকে বলেছিলাম চোখ কান বন্ধ করে এক বছর ধরে আমার কথা মত চলতে

সাফল্য এসেছে মার্কেটিং না করে

মিথ্যা কথা আমি বলিনা এত বড় মিথ্যা কথা বলতে পারবো না। তবে খুব সুন্দর করে ও গুছিয়ে মিথ্যা কথা আমি বলতে পারিনা এবং ৯০% ক্ষেত্রেই ধরা পড়ে যাই। কেউ আমাকে বিশ্বাস করে কিছু বললে বা জানালে তা আমি গোপন রাখি-

নতুন একটা অ্যাসোসিয়েশান দাড় করানো খুব কঠিন কাজ

ফেব্রুয়ারি মাসের আজ শেষ দিন। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর সভাপতির দায়িত্ব নেবার পর কত গুলো রাত যে না ঘুমিয়ে কাটিয়েছি তার হিসেব নেই। আজকে সারা দিনে দুটি মিটিং আছে বিধায় এখন আর ঘুমানো যাবে না। তাই কিছুটা সময়

ভাল মানুষের সঙ্গে পথ চলতে গিয়ে অনেক বেশি কষ্ট হবে

কাউকে উদ্দেশ্য করে এই পোস্ট নয়। জীবন থেকে নেয়া, জীবনে দেখা এবং জীবন থেকে শেখা উপলব্ধি আর পর্যবেক্ষন মাত্র। একজন ভাল মানুষের সঙ্গে পথ চলতে গিয়ে অনেক বেশি কষ্ট হবে, একজন খারাপ মানুষের সঙ্গী হবার তুলনায়। কারন যাই হোক না

আশা নিয়ে স্বপ্ন নিয়ে প্রচণ্ড রৌদের মধ্যে

আশা নিয়ে স্বপ্ন নিয়ে প্রচণ্ড রৌদের মধ্যে এক ঘণ্টা হাটলেও কষ্ট হয় না, মনে এক ধরনের আনন্দ থাকে। অন্যদিকে দুঃখ আর হতাশা নিয়ে ১০ মিনিট হাঁটলেও খারাপ লাগে, অসহায় লাগে। আমরা মানুষ এবং সুখ দুঃখ মিলিয়েই জীবন। কিন্তু খারাপ সময়ে

এই বছর আপনি ভাল কিছু পারেন নি

আমরা সব সময় ছুটতে ভালবাসি। পাশ করে তারপর চাকুরী হচ্ছে না কেন- সারা জীবন কি বেকার থাকতে হবে। আপনি মেয়ে হলে বিয়ে করছেন না কেন, আপনার কি বিয়ে হবে না আর। পরিবার, আত্মীয়, প্রতিবেশি, বন্ধু বান্ধব সবাই আপনার মঙ্গল কামনায়

যে দুটো জিনিশ খুব সাহায্য করে

আমাদের জীবনে নানা ধরনের সমস্যা থাকে। তার মধ্যে হতাশা অনেক বড় একটি সমস্যা এবং আসলে এর কোন চিকিৎসা নেই। আপনি নিজে না চাইলে কেউ আপনার মন ভাল করতে পারবে না। যদিও বাংলাদেশ কিছুটা গরীব দেশ বলে আমরা এর জন্য টাকা

ভেজাল ছাড়া এই বছরটা শুরু করতে পেরে

ভেজাল ছাড়া এই বছরটা শুরু করতে পেরে মনে অনেক শান্তি পাচ্ছি। একদিকে ই-ক্যাবের বিরুদ্ধে আক্রমন শেষ আর আমি নিজেও ফালতু কথাকে সামান্যতম পাত্তা না দিয়ে কাজ করা শিখে গেছি। এখন কাজ করতে চাই, লিখতে চাই, গবেষণা করতে চাই। অনেক ভাল

ভাল লাগে নতুন কিছু করার স্বপ্ন দেখতে

ভাল লাগে নতুন কিছু করার স্বপ্ন দেখতে, চিন্তা করতে, চেষ্টা করতে এবং নিয়মিত ব্যর্থ হয়েছি জীবনে। আমার ব্যর্থতার পাল্লা খুবই ভারী। এখন আর খারাপ লাগে না বরং বুঝতে পারি যে প্রতিবার একটু একটু করে এগিয়ে যাই। পার্থ (এস এম মেহদি

ভাল হওয়া অবশ্যই ভাল তবে ভাল মানুষের সঙ্গে

আমাদের অনেকের জীবনের খুব কমন বা মিলে যাওয়া একটি ব্যপার। তাই দয়া করে এই পোস্টকে কেউ ব্যক্তিগতভাবে নেবেন না। আপনি যখন ক্রমাগত কারো জন্য এক তরফা ভাবে করে যাবেন তা সেটি ভালবাসা বা বন্ধুত্ব, অফিসের কলিগ বা প্রতিবেশি বা সহপাঠী

রাত জাগি স্বপ্ন নিয়ে

আমরা রাত জাগি শখে না। রাত জাগি স্বপ্ন নিয়ে। কেউ হয়ত অনলাইনে কাজ করছেন, কেউ শিখছেন কিছু, কেউ ব্যবসার সুযোগ খুঁজছেন, কেউ কেউ আমার মত কিছু একটা দাড় করানোর চেষ্টা করছেন। এভাবেই শত শত মানুষ জেগে আছে প্রতিদিন। গত ২৫

রুশনারা আলী: লড়াইটা নিজের সঙ্গে

আজকে ব্রিটিশ হাই কমিশনার এর বাসাতে এক পার্টিতে গিয়েছিলাম। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রথম ব্রিটিশ এমপি ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বানিজ্য বিষয়ক উপদেষ্টা রুশনারা আলীর সন্মানে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ সরকারের কয়েকজন মন্ত্রি, সরকারি ও বিরোধী দলের কয়েকজন নেতা, ব্রিটিশ হাই

ভক্ত চাই না কর্মী চাই

ফেইসবুকে এখন প্রতিদিন আমাকে ট্যাগ করে বা আমার নাম উল্লেখ করে প্রচুর পোস্ট আসে। ই-ক্যাব আর সার্চ ইংলিশ গ্রুপে অনেক পোস্ট আসে এভাবে। কেউ কেউ তাদের প্রফাইলেও আমাকে নিয়ে লেখেন। সপ্তাহে ২০-৩০ টি পোস্ট দেখতে পাই। অনেকে আমাকে মেন্টর হিসেবে

অন্যের ফালতু কথাকে পাত্তা দেবেন না

ফেইসবুকে ই-ক্যাব নিয়ে আমার বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে অন্তত ২০০ পোস্ট এসেছিল। একদিন এক সঙ্গে ৫ টি পোস্ট এসেছিল, আরেক দিন ৪ টি। অনেক সময় আমার যারা ঘনিষ্ঠ মানুষ তাদের অনেকেই রেগে যেতেন এবং বলতেন যে চলেন আমরা ২০-২৫ মিলে ঝাঁপিয়ে

এই ধরনের বিশ্বাস নিয়ে যদি আপনি প্রতিদিন লেগে থাকতে পারেন তাহলে সাফল্য আসতে বাধ্য

ই-ক্যাব এর ফেইসবুক গ্রুপে ২৩ মাস ধরে প্রতিদিন পোস্ট দিয়ে গেছি এখনও দেই। ব্লগ নিয়ে চেষ্টা করেছি। ধানমন্ডি লেকে অনেক আড্ডা দিয়েছি এবং ঢাকা বিভিন্ন প্রান্তে আড্ডা দিয়েছি অনেকের সঙ্গে। একদম একটানা এক বছর স্কাইপে প্রায় সারা রাত আড্ডা দিয়েছি

এক দুই বছর চেষ্টা করে অনেক কিছুই করা সম্ভব

২১-২৫ বয়সের অনেকের সঙ্গে ফেইসবুকে কথা হয়। আসলে ই-ক্যাব এবং সার্চ ইংলিশ দুই গ্রপের অন্তত ৮০% সদস্য মনে হয় এই বয়সের। আমার এই প্রফাইলের ফ্রেন্ড লিস্ট ও ফলোয়ারদেরও ৮০% তাই হবে। যাই হোক, বেশির ভাগের মনে লেখাপড়া এবং ক্যারিয়ার নিয়ে

দক্ষতাকে শক্তিতে পরিণত করার চেষ্টা করুন

প্রতিদিন অনেক মানুষের সঙ্গে আমার কথা বলতে হয়। ফেইসবুকে, স্কাইপে, মোবাইল ফোনে এবং বাস্তব জীবনে সামনা সামনি। কোণ কোন দিন এভাবে ৫০-৬০ জনের সঙ্গে কথা হয়। এর মধ্যেও কিন্তু আমার কাজ আমি ঠিকই করে যাই। একদিকে অভ্যাস্ত হয়ে গেছি আরেকদিকে

নিজের মত করে চলুন

বাংলাদেশের প্রচলিত সংজ্ঞায় আমি সবচেয়ে আনস্মারট মানুষদের একজন। অন্তত পোশাকে তো বটেই। হাফ শার্ট, স্যান্ডেল আর মাথায় উসকো খুশকো চুল- আমার এই বেশভূষা নিয়ে অনেকে অনেক মজা করে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করে তা আমি ভাল মতই জানি। ইংরেজিতে লেখাপড়া করলেও ই-ক্যাব

২৩ মাসের কিছু উপলব্ধি

ই-ক্যাব নিয়ে দিন রাত চেষ্টা করার দুই বছর হবে এই ১ নভেম্বর তারিখে। ২৩ মাস ধরে লেগে থাকার ফলে ই-ক্যাবের যে অগ্রগতি নিজের চোখের সামনে দেখেছি তাতে করে ভাল কিছু জিনিশ শিখেছিঃ ১। মনের ভেতর থেকে বিশ্বাস করি যে লেগে

সাধনার মূল্য দিতে শিখুন

মাস্টার্স পাশ করে চাকুরিতে ঢুকে তারপর ২০০০ সালে আমি প্রথম পিসি বা ডেস্কটপ কম্পিউটার হাতে পাই। অর্থাৎ অনেকের তুলনায় অনেক দেরিতে কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করি। প্রথম দিকে টাইপ করতে খুব কষ্ট হত। কিন্তু এক সময় লেগে থাকতে থাকতে গতি চলে

কোন কিছুতে দক্ষ হতে ভয় পাবেন না

আমার বয়সের খুব কম মানুষই বাংলাদেশে ফেইসবুকে আমার মত একটিভ। ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে আমি ই-ক্যাব এর জন্য ফেইসবুকে দিন রাত সময় দেয়া চেষ্টা করি। এর আগে আমি খুব একটা ছবি তুলতাম না। ছোটবেলা থেকেই এটি আমার অভ্যাস ছিল।

আপনি যদি স্বপ্ন পুরন করতে চান তবে কষ্ট করতে হবে

অনেকেই বলে আমি নাকি রোবট বা যন্ত্রের মত কাজ করি। কথাটা হয়তো একেবারে মিথ্যা নয়। আমি কাজ করতে ভালবাসি কারণ আমি জানি যে স্বপ্ন পূরণ করতে হলে কাজ করার কোন বিকল্প নেই। ১৯৯৮ সালে মাস্টার্স পাশ করি এবং সেই হিসেবে

জীবনে লেগে থাকলে ৯০% ক্ষেত্রে সাফল্য আসে

জীবনে অনেক বার অনেক কিছুতে ব্যর্থ হয়েছি, হেরে গেছি এবং বার বার পরে গেছি। কিন্তু প্রতিবার আরও জোরে চেষ্টা করেছি। এভাবে চেষ্টা করতে করতে এখন এমন একটি অবস্থায় চলে এসেছে যে নিজের জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভাল কিছু

সিরিয়াস ভাবে চেষ্টা না করলে টেকার সম্ভাবনা থাকে না

গত ৩ মাস ধরে ইংরেজি চর্চা নিয়ে নিয়মিত পোস্ট দেয়ার কারনে অনেক তরুন আমাকে নিয়মিত মেসেজ দেন। বিসিএস, ব্যাংক ও অন্যান্য চাকুরির পরীক্ষা এবং অনার্সে ভর্তি পরিক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। আমি তাদের বলি সব কিছু বাদ দিয়ে ইংরেজিতে সময় দিতে

দেড় বছর আগের ছবি

আজ থেকে দেড় বছর আগের ছবি মহান ভাই আর খায়ের ভাইয়ের। তখন তারা ঢাকায় টিকে থাকার সংগ্রামে ব্যস্ত। ই-ক্যাবেরও রেজিস্ট্রেশন তখন ছিল না এবং আমার নিজের জীবনও ঘোরতর ভেজালের মধ্যে। ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসের ২৪ তারিখের ছবি। এমনি খারাপ সময়ের

সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা। অনেকেই দেখলাম হতাশার কথা বলেছেন কারণ দেশের উন্নতি হয়নি বলে। কেউ কেউ হিন্দি গান বাজানো নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছে। বিজয় দিবস আমার কাছে আনন্দের দিন এবং স্বপ্ন দেখার দিন। জানি রাতারাতি সব বদলাবে না। দেশ তো আমার

মন দিয়ে লেখাপড়া করা এবং সততা সবচেয়ে বড় স্মার্টনেস

কেউ কেউ আমার কাছে জানতে চেয়েছেন যে আমি সব পোস্ট বাংলাতে দেই কেন, একটাও ইংরেজিতে নেই। অনেককে ঠাট্টা করি বলে যে ইংরেজি পারিনা তাই বাংলাতে দেই। একজন বেশ সিরিয়াস ভাবে আমাকে পরামর্শ দিলেন ইংরেজি অক্ষরে বাংলাতে লিখতে, তাতেও কিছুটা স্মার্টনেস

ঈদ হল আমাদের মত সাধারণ মানুষের জন্য

৩ দিন পর কোরবানি ঈদ। আর আজ দুর্গা পূজার শেষ দিন। গত ৫ বছর ধরে ঈদে কোন আনন্দ করতে পারিনি। হয় অসুস্থ ছিলাম, না হয় টাকা ছিল না, না হয় ঈদের সময় কোন কাজের প্রজেক্ট ছিল এবং ঈদের সময় সারা

যে কাজ আপনি ভালবাসেন

পত্রিকায় লেখা শুরু করি ১৯৯৪ সাল থেকে। সেই হিসেবে ২০ বছর পার হয়ে গেছে। ৫০০ এর মত লেখা হয়তো ছাপা হয়েছে ২০-২১ টি পত্রিকা আর ম্যাগাজিনে। অনেক বিষয়ের উপর নিয়েই লিখেছি পেটের দায়ে, মনের দায়ে, ছাপা অক্ষরে নিজের নাম দেখার

আমাদের সমাজে শর্ট কাটের জয় জয়কার

জীবনে যখন থেকে মনে পড়ে কখনোই আমি অলস ছিলাম না। হয়তো সেভাবে কঠোর পরিশ্রমী ছিলাম না তবে গড়পড়তা মানুষের থেকে একটু বেশি লেখা পড়া করতে, কাজ করতে ভালবাসতাম এখন আরও বেশি বাসি। জীবনে সব কিছুতেই সাফল্য-ব্যর্থতা পেয়েছি এবং এখন মনে

উইন-উইন

উইন-উইন (win-win) বা দু পক্ষের জন্যই লাভজনক হবে এমন কিছু করা বাংলাদেশে বেশ কঠিন নানা কারণে। একটা বড় কারণ হল বোধহয় আমরা ধরেই নেই যে আমি নিজে খেটে মরছি আর আরেকজন কিছুই করছে না। অনেক ক্ষেত্রে আবার সত্যি সত্যি এমনটা

The Power Of The Dream গানের অনুবাদ

১৯৯৬ সালের অলিম্পিক গেমসের এই গানটি গেয়েছেন সেলিন ডিওন (টাইটানিক সিনেমার গায়িকা)। গানটি শুনতে খুবই ভাল লেগেছে এবং এর কথা (লিরিক) হৃদয় ছুয়ে গেছে। আমি কবি নই, তাই কবিতার মত করে অনুবাদ করতে পারবো না। এজন্য গদ্য আকারে অনুবাদ করেছি।

মন দিয়ে কাজ করুন কয়েক মাস পর ফল পাবেন

অনেক সময় অনেক ভুল করি- ইচ্ছা করে বা অনিচ্ছাকৃত। অনেক সময় আফসোস হয়- ইশ, আবার যদি দ্বিতীয়বার সুযোগ পেতাম। জীবন আমাদের অনেক কিছুতেই অনেকবার সুযোগ এনে দেয় কিন্তু আমরা আসলে ভুলে যাই বা দেখতে পাই না। আপনি পরিক্ষায় ফেল করেছেন-

স্বপ্ন দেখা আর তা বাস্তবে পরিণত করার মধ্যে পার্থক্য

আমি উদ্যোক্তা হতে চাই, আমি ধনী হতে চাই, আমি সফল হতে চাই, আমি বিখ্যাত হতে চাই, আমি বড় কিছু করতে চাই- এমন স্বপ্ন আমাদের সবার মধ্যেই কম বেশি আছে। এটি স্বাভাবিক। কিন্তু স্বপ্ন দেখা আর তা বাস্তবে পরিণত করার মধ্যে

ভাল থাকতে পারলে একটাই লাভ

আমাদের সমাজে ভাল মানুষ হিসেবে থাকা খুব সুখকর কিছু নয়। পুরষ্কার এর বদলে নিত্যদিন আপনার সঙ্গী হবে ভেজাল। আসলে এতটাই সমস্যা পোহাতে হয় যে অনেকেই আমার সঙ্গে কথায় জানতে চান যে ভাল থেকে লাভ কি? ফেইসবুকে অনেক ভাল মানুষের সঙ্গে

জীবনে যাই করতে চান তার জন্য কষ্ট করতে হবে

গত ২২ মাস ধরে আমি ফেইসবুকে এমন একটিভ, একই রকম ভাবে বলা চলে। একটা লম্বা সময় গেছে শুধু ই-ক্যাবের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য চেষ্টা করতে। এখন আর সেদিকে কোন টেনশন নেই। ই-ক্যাবকে কেন্দ্র করে অনেক ভেজাল পার হয়েছি। এখন আবার

যা ভাল লাগে তাই পড়ুন

আমার জন্ম গোপীবাগে ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের পাশে, ইত্তেফাকের কাছে এবং রামকৃষ্ণ মিশনের পরের গলিতে। ৬ বছর বয়স থেকে ব্রাদার্স ক্লাবের মাঠে গিয়ে খেলতাম, ইত্তেফাক অফিসের বাইরের দেয়ালে ইত্তেফাক পত্রিকা পড়তাম এবং নিয়মিত রামকৃষ্ণ মিশন লাইব্রেরীতে পড়তে চলে যেতাম। ক্লাসের পড়ার

আসলে প্রতিযোগিতা আপনার নিজের সঙ্গেই

বিসিএস বা চাকুরির পরিক্ষা গুলোতে আমরা প্রতিযোগিতাকে ভয় পাই। আসলে প্রতিযোগিতা আপনার নিজের সঙ্গেই। আপনি আজকে ১০ মিনিটে কত শব্দ লিখতে পারেন, যে কোন প্রশ্নের উত্তর কি নিজের ভাষায় গুছিয়ে লিখতে পারেন, কোন প্রশ্ন কমন না পারলে কিভাবে সেই সমস্যা

শত ভেজালের মধ্যেও এখন আমি শান্ত

ই-ক্যাব নিয়ে ফেইসবুকে অনেক নোংরা আক্রমণের শিকার হয়েছি আমি গত ২২ মাসে। এটি অনেকের জানা কারণ সব কিছু প্রকাশ্যেই হয়েছে। প্রথম দিকে অনেক রাগ হলেও যত দিন গেছে আমি উপলব্ধি করেছি যে এগুলো মেনে নিয়ে এর মধ্যেই এগুতে হবে। চেষ্টা

সাফল্যের অন্যতম পূর্ব শর্ত

সাফল্যের অন্যতম পূর্ব শর্ত হল শর্ট কাট মানসিকতাকে মন থেকে ঝেড়ে ফেলতে পারা। শর্ট কাট এর ভক্ত হলে খুব অল্প চেষ্টা করার পর সাফল্য না আসলে আমরা হতাশ হয়ে যাই এবং এর পর চেষ্টা করার বা লেগে থাকার ইচ্ছা কাজ

খারাপ সময়ের সবচেয়ে ভাল দিক

খারাপ সময়ের সবচেয়ে ভাল দিক হল আপনি খুব ভাল করে বুঝতে পারবেন কারা আপনার সঙ্গে আছে। এই জ্ঞান আর উপলব্ধি অনেক বড় ব্যপার। কারণ খারাপ সময় স্থায়ী হয় না কিন্তু ভুল মানুষের সঙ্গে মিলে ভুল কোন কাজ করলে তার খারাপ

মুখস্ত বিদ্যাতে অভ্যস্ত হলে সবচেয়ে খারাপ যা হয়

সাড়ে ২২ মাসে অনেক তরুনের সঙ্গে ফেইসবুকে কথা হয়েছে। হাজার পাঁচেক হবে বলে মনে হয়। অনেকের সঙ্গে আবার স্কাইপে ও ফোনে বা এমনকি সরাসরি কথা হয়েছে। ই-কমার্স, কনটেন্ট রাইটিং, ব্লগিং নিয়ে আর ইংরেজি নিয়ে, শিক্ষা নিয়ে, ক্যারিয়ার নিয়ে, উদ্যোক্তা হওয়া

আমি পড়তে খুব ভালবাসি

আমি পড়তে খুব ভালবাসি- যতক্ষণ পিসির সামনে থাকি ততক্ষণ কিছু না কিছু পড়ার চেষ্টা করি। এমনকি অন্যদের সঙ্গে যখন স্কাইপে আড্ডার মধ্যে থাকি ঘণ্টার পর ঘণ্টা তখনও অন্যদের কথা শোনার মাঝেই ফেইসবুকে পড়ি, কিংবা কোন ব্লগ বা নিউজ পড়ি। জীবনে

আমরা খুব কম লোকই কিছু করার চেষ্টা করি

এনকারেজবিডি গ্রুপে এখন ১০,৪০০ মানুষ যুক্ত আছেন। কিন্তু এক দিনে হয়তো ১০ জনের বেশি পোস্ট দেন না এবং ৩০ জনের বেশি কমেন্ট করেন না। জীবনের বাস্তবতা এমনই। আমরা খুব কম লোকই কিছু করার চেষ্টা করি। মেসি বা রোনালদোর খেলার আমরা

লেগে থাকলে সামনে অনেক বড় সাফল্য আসবে

জীবনে সব কিছুতেই হেরেছি অনেকবার এবং এত বেশি হেরেছি যে এখন আর এ নিয়ে ভয় পাই না। বরং জানি লেগে থাকলে সামনে অনেক বড় সাফল্য আসবে। ৫ বছর আগে যে সব বিষয়কে অনেক বড় মনে হত ভয়ংকর বলে মনে হত

সবচেয়ে বড় যা শিখেছি তাহল টিম তৈরির দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা

গত বছর এই সময়ে মহান ভাইয়ের সঙ্গে তেমন খাতির ছিল না। তাঁকে ঠিক মত মনে হয় চিনতাম না। আবুল খায়ের ভাইয়ের সঙ্গে মাত্র ভাল করে পরিচিত হয়েছি। খায়ের ভাইকে বলতাম যে আমরা কয়েকজন মিলে একদিন ভাল কিছু করবো এবং দেখা

১৯৯৬ সালের অলিম্পিক গেমসের গানের অনুবাদ

১৯৯৬ সালের অলিম্পিক গেমসের এই গানটি গেয়েছেন সেলিন ডিওন (টাইটানিক সিনেমার গায়িকা)। গানটি শুনতে খুবই ভাল লেগেছে এবং এর কথা (লিরিক) হৃদয় ছুয়ে গেছে। আমি কবি নই, তাই কবিতার মত করে অনুবাদ করতে পারবো না। এজন্য গদ্য আকারে অনুবাদ করেছি।

খারাপ সময়ে কারা পাশে থাকে এমন মানুষদের চিনতে শেখা

গতবছর এই সময়ে ফেইসবুকে প্রায় প্রতিদিন ই-ক্যাব আর আমাকে নিয়ে আক্রমন করে পোস্ট দেয়া হত। তখন ই-ক্যাবের সরকারি রেজিস্ট্রেশন ছিল না বলে আক্রমণ করা খুব সহজ ছিল। ই-ক্যাবের মধ্যেই কিছু লোক আবার ঐসব পোস্টের উদাহরণ দিয়ে বলার চেষ্টা করতো যে

টিম বিল্ডিং নিয়ে কিছু কথা

টিম বিল্ডিং বা গ্রুপ গঠনের ব্যপারে গত কয়েক মাস ধরে অনেক চেষ্টা ও গবেষণা করছি। মূল উদ্দেশ্য হল ১০-১১ জনের একটি টিম গঠন করে কিছু একটা করা। বেশ কঠিন একটি কাজ তা বুঝতে পারছি তবে এও বুঝেছি যে কোন কাজের

ফেইসবুককে কাজে লাগান

পরিচিতি অনেকেই ফেইসবুককে খুব নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে। তাদের ধারণা হল ফেইসবুক মানে সময় নষ্ট এবং ফালতু কাজে সময় নষ্ট। এর আগে অবশ্য ইন্টারনেটে নিয়ে অনেকের মনে এই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি দেখেছি অনেক বছর ধরে। ২০০২ সালের ১ জানুয়ারি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকুরি

সিদ্ধান্ত আপনার

এই রাত আড়াইটার দিকে এই পোষ্ট টা লিখছি। চাইলে এখন আমি সিনেমা দেখতে পারতাম, ফেইসবুকে চ্যাট করতে পারতাম, বা এখন যে লেটেস্ট হট টপিক হিরো আলম তাকে নিয়ে ফেইসবুকে মজা করতে পারতাম, তর্ক করতে পারতাম। তা না করে আমি এই

৬ মাস বা এক বছর সময় দিন ইংরেজি নিয়ে

অনেকে প্রতিদিন আমার সঙ্গে ইংরেজি শেখা নিয়ে যোগাযোগ করেন এবং প্রতিদিন অনেকের সঙ্গে কথা হয়। আমার দুটি সমস্যাকে খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছেঃ ১। বেশীরভাগ মানুষ আসলে গ্রামার হোক, ভোকাবুলারি হোক, ট্রান্সলেসন হোক মুখস্ত করতে চান। মুখস্ত করার দরকার নেই আমি

আমি চিন্তা করতে ভালবাসি, স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি

আমি চিন্তা করতে ভালবাসি, স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি, নিজের মত করে কিছু করতে ভালবাসি। বেশীরভাগ সময় ব্যর্থ হয়েছি এবং অনেকবার মন ভেঙ্গে গেছে এজন্য। আবার নিজের মতে নিজের পথে চলতে গিয়ে অনেক ভেজালেও পরেছি জীবনে। তবে এখন বুঝতে পারি যে অন্য

অস্থির সময়ে স্থির থাকার চেষ্টা করুন

জীবনে অনেকবার অনেক কিছুতে ব্যর্থ হয়েছি হেরে গেছি এবং পড়ে গেছি। অনেকবার মনে হয়েছে হয়তো উঠে দাড়াতে পারবো না। অনেকবার মনে হয়েছে সমস্যার কোন সমাধান নেই এবং এর পর কি হবে জানি না। এমনটি শুধু আমার একার নয় বরং আমাদের

লেগে থাকার মানসিকতা থাকতে হবে

গত ২১ মাস ধরে আমার প্রতিদিনের সঙ্গী নেসক্যাফের কফি। সেই ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে ফেইসবুকে নেমে পরেছিলাম ই-ক্যাব নিয়ে এবং এই ৩১ জুলাই ২১ মাস হবে। যারা সেই সময় থেকে আমার সঙ্গে ফেইসবুকে আছেন তারা জানেন যে প্রায় প্রতিদিন

৪০ বছরের এই ক্যারিয়ার

গত ২১ মাসে ফেইসবুকে একটিভ থাকার কারনে অনেক তরুনের সঙ্গে কথা হয়েছে। অনেকে লেখাপড়া থেকে ছিটকে পরেছেন নানা কারনে, অনেকে আবার যে কোন কারনেই হোক এসএসসি বা ম্যাট্রিকের পর এইচএসসি না পড়ে ডিপ্লোমা লাইনে পড়ে এক ধরনের অশান্তিতে ভুগেন। কারো

জীবনের সেরা অর্জন

এখন প্রতিদিন কেউ না কেউ আমাকে বলে যে ধৈর্য ধরে লেগে থাকলে একদম শুন্য থেকে কিছু একটা দাড় করানো যায় তা ই-ক্যাব আর আমাকে দেখে তারা বিশ্বাস করা শুরু করেছেন। নিজের জীবনের দুই বছর ই-ক্যাবের জন্য দিয়ে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি

নিজের কাজে মন দিন

কথাটা অনেকটা নিজের চরকায় তেল দিন-এর মত। কিন্তু আসলেই কথাটার মুল্য কোটি টাকার থেকেও বেশি যদি আপনি মেনে চলতে পারেন। গত ২১ মাসে অনেক ভেজাল পার হয়েছি, অনেক ধরনের বাজে কথা বলা হয়েছে ই-ক্যাব আর আমাকে নিয়ে। কিন্তু শত ভেজালের

আমরা কেন ভাল কিছু করতে পারি না?

তরুন বয়সে কেউ বাস কন্ডাক্টার, কেউ বাদাম বিক্রেতা, কেউ হকার, কেউ বা চা বিক্রেতা থেকে এক সময় দেশের রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী, সেরা অভিনেতা, অলিম্পিকে গোল্ড মেডেলিস্ট এসব হয়। তারা পারে এবং আমরা কেন ভাল কিছু করতে পারি না? এর কারন

লেখাপড়া শিখে লাভ কি? 

কি ফেইসবুকে কি বাস্তব জীবনে অনেকেই বলে যে ঢাকা শহরে একজন রিকশাওয়ালা আজকাল মাসে ২০,০০০ টাকা আয় করে, চা বিক্রেতা ৩০,০০০ টাকা কিংবা অনেক চটপটি বিক্রেতা মাসে ৫০,০০০ বা এমনকি ১ লাখ টাকা আয় করে। তাই অনার্স মাস্টার্স পাশ করে

হতাশা আসা স্বাভাবিক কিন্তু লেগে থাকার অভ্যাস করুন

আমরা ব্যর্থতার কথা বলতে কষ্ট পাই, লজ্জা পাই, দুঃখ পাই। এটি স্বাভাবিক কারন কোন কিছুতে ব্যর্থ হলে একদিকে নিজের কাছে খারাপ লাগে আর অন্য দিকে পরিবার, সমাজ, বন্ধুরা সবাই মিলে মজা করে, উপহাস করে বাজে কথা বলে। জীবনে আমি অনেক

কেন অন্যদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে মাথা ঘামাবেন না

স্কুলে যাদের সঙ্গে ফাস্ট সেকেন্ড থার্ড নিয়ে কম্পিটিশন করতাম তাদের অনেকেই জীবন থেকে হারিয়ে গেছে। এমনকি ফেইসবুকেও তাদের অনেককে খুঁজে পাই না। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাদের সঙ্গে কম্পিট করতাম তাদের কারো সঙ্গেই তেমন দেখা হয় না হাড্ডাহাড্ডি লড়াই তো দুরের কথা।

আমি খুব সাধারণ মানুষ

যে কারনেই হোক না কেন প্রতিদিন অনেক মানুষ বিভিন্ন বিষয়ে আমার থেকে পরামর্শ চায়। আমি চেষ্টা করি নিজের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা থেকে যা জানি, যা বুঝি সেই থেকে পরামর্শ দিতে। বুঝতেই পারছেন ৫০% মানুষ আসলে ই-কমার্স নিয়ে আমার সঙ্গে কথা

দুর্বলতা বনাম শক্তি

২১ মাস আগে ই-ক্যাবের প্রথম দিন গুলোতে আমার সাধারণ বেশ ভুষাকে আমার দুর্বলতা হিসেবে অনেকেই গন্য করতেন। সব পোস্ট বাংলাতে, কমেন্ট বাংলাতে, কথা বার্তা একদম সাধারণ। চলাফেরা ধানমন্ডি লেকের ধারে সব চাল চুলো হীন রাস্তার পোলাপানদের সঙ্গে (প্রথম দিকে এ

মন দিয়ে পড়ার জন্য উচিৎ গর্ববোধ করা

আমার মনে হয় গড়পড়তা মানুষের থেকে আমার স্মরণশক্তি কিছুটা বেশীই ছিল সবসময়। তাই ক্লাসের পড়া মুখস্থ করতে কখনোই খুব একটা বেগ পেতে হতো না। আসলে মুখস্থ করাতে দোষের কিছু দেখিনা। অনেক কিছুই মনে রাখতে হয় এবং তা কর্মজীবনে কাজে লাগাতে

তবুও স্বপ্ন দেখি

পোস্ট টা লিখেছিলাম ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। তখন ই-ক্যাব নিয়ে প্রকাশ্যে আমরা নামিনি। অবশ্য একটু একটু করে অনেক কিছু গুছাচ্ছিলাম। এখন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) অনেক এগিয়েছে। পোস্ট টা আমি আবার দিচ্ছি আমার সেই সব তরুন বন্ধুদের জন্য যারা

লেগে থাকেন, চেষ্টা করেন, পরে গেলেও উঠে দাঁড়ান

জীবনে যখন একটি দরজা বন্ধ হয়ে যায়, তখন আরেকটি দরজা খুলে যায়, কিন্তু বন্ধ হয়ে যাওয়া দরজাটির দিকে আমরা এত বেশি সময় ধরে তাকিয়ে থাকি যে খুলে যাওয়া দরজাটি আর দেখতে পাই না। সুন্দর একটি উক্তি করেছেন আলেক্সান্ডার গ্রাহাম বেল।

ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার নতুন করে চেষ্টা করা

জীবনে যখন থেকে মনে পড়ে কখনোই আমি অলস ছিলাম না। হয়তো সেভাবে কঠোর পরিশ্রমী ছিলাম না তবে গড়পড়তা মানুষের থেকে একটু বেশি লেখা পড়া করতে, কাজ করতে ভালবাসতাম এখন আরও বেশি বাসি। জীবনে সব কিছুতেই সাফল্য-ব্যর্থতা পেয়েছি এবং এখন মনে

খারাপ সময় এক সময় শেষ হয়

বেশ খারাপ একটা সময় সব দিকেই ছিল ই-ক্যাব নিয়ে পথে নামার পর। এখন তা প্রায় শেষ এবং ভাল সময়ের দোরগোড়ায় চলে এসেছি বলা চলে। তবে গত দেড় বছরের কঠিন সময়ে কিছু ভাল জিনিস শিখেছি এবং অভ্যাস করতে পেরেছি। প্রথমেই বলতে

ব্যর্থতা হতে পারে অনেক বড় সম্পদ

অনেক কিছুতে আমি ব্যর্থ হয়েছি এবং অনেক ব্যর্থতা আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। কিছু ব্যর্থতা খুব বেদনাদায়ক ছিল এবং স্বাভাবিক জীবনে আসতে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। মাত্র ৩ বছর চাকুরি করে ২০০২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সাইবার ক্যাফেতে বসে পরি

পরে গেলেও উঠে দাঁড়াবেন

জীবনে আমি ১০-১১ বার পরে গিয়েছি, হেরে গেছি, ব্যর্থ হয়েছি। তাই ব্যর্থতা কি জিনিষ আমি হারে হারে টের টের পেয়েছি, অনেক ভেজাল মোকাবেলা করেছি, অনেক বাঁধা অতিক্রম করেছি। তাই জীবন কখনো আমার জন্য আরামের ছিল না। এসব কথা বলছি এজন্য

অন্যদের কথায় মন খারাপ করবেন না

কাজে ফাকি দিতে সবার মজা লাগে। অনেকে আবার এটিকে খুব ক্রেডিটের ব্যপার বলে মনে করেন। ছোট বেলা থেকে আমার পড়তে ভাল লাগতো, এখনো লাগে। আমাদের দেশে সবাই কত কমে পড়ে তা জাহির করার জন্য ব্যস্ত থাকে। কম পড়া মানে ব্রেন

মিলিয়ন ডলার মুল্যের শিক্ষা যা আপনার জন্য সাফল্য বয়ে আনতে পারে

একবার একজন ট্যাক্সি ড্রাইভার কাস্টমার এর প্রত্যাশা ও সন্তুষ্টি (customer satisfaction and expectation) সম্পর্কে মিলিয়ন ডলার সমমানের এক শিক্ষা প্রদান করে। অনুপ্রেরণা দানকারী বক্তারা কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ ও স্টাফদের এ ধরনের শিক্ষা দেবার জন্য হাজার হাজার ডলার চার্জ করে। আর এ

আলেক্স হেলি’র স্বপ্নের ছায়ারাজ্য

১২ বছর ধরে আমি এ লেখাটি নিয়মিত পড়ছি। যখনই হতাশা আসে, সাফল্যকে অনেক দুরের কিছু মনে হয় তখনই পড়ি। একেবারে সত্য ঘটনা যা ‘রুটস’ খ্যাত লেখক আলেক্স হেলি নিজের জীবন সম্পর্কে লিখেছেন।অনুবাদ করে বেশ ভাল লেগেছে নিজের কাছে। আশা করি

রজার ক্রফোর্ড: অনেক কিছুই পারি না আমি

টেনিস খেলার জন্য যা দরকার রজার ক্রফোর্ড এর সবকিছুই ছিল, শুধু ছিল না তার দুইটি হাত ও একটি পা। রজারের বাবা মা যখন তাদের এই সন্তানটিকে প্রথমবারের মত দেখেন তখন তারা দেখতে পান তার ডান হাতের কনুই থেকে কব্জির পর

ব্যর্থ দা লুজার : একটি সত্য কাহিনী

ছেলেটিকে ডাকা হত স্পার্কি নামে। এটি তার আসল নাম নয়। অবশ্য তার আসল নাম হওয়া উচিত ছিল ব্যর্থ বা দা লুজার। তার আসল নাম আমি একটু পরে জানাব। তবে ছেলেটি অনন্ত জলীল নয়। স্কুলে স্পার্কির সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব ছিল লেখাপড়া

উৎসাহ: একটি সত্য ঘটনা

  উনবিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত কবি এবং শিল্পী দান্তে গ্যাব্রিয়েল রসেটির কাছে একদিন একজন বৃদ্ধ লোক আসলেন। বৃদ্ধ লোকটি কিছু পেইন্টিং বা চিত্রকর্ম সাথে নিয়ে এসেছিলেন রসেটিকে দেখানোর ও এগুলো সম্পর্কে তাঁর মতামত নিতে। রসেটি বেশ মনোযোগ দিয়ে দেখতে থাকলেন। তবে

অলসতা কাটিয়ে সফল হবার উপায়

সারা জীবন আমার মনে উচ্চাকাঙ্ক্ষা, লক্ষ্য ও তা কিভাবে অর্জন করা যায় সে ব্যপারে মনের ভেতর সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা ছিল। তবে যা ছিল না তা হল কি কি করলে সেখানে পোঁছানো যায়। আমি লম্বা সময় ধরে ভিডিও গেম খেলতাম, ঘণ্টার

রিকশাওয়ালাদের জীবন বদলানোর গল্প

আমাদের সময়ে চয়নিকা বলে একটা বই ছিল ক্লাস থ্রি ফোরে। সেখানে রিকশা চালকদের সম্পর্কে একটা গল্প ছিল। ৩০ বছর আগের পড়া সেই গল্পটির হয়তো অনেক কিছুই ভুলে গেছি। যতটুকু মনে আছে তাই লিখছি। বেশ কয়েকজন রিকশাওয়ালা সারাদিন রিকশা চালিয়ে সন্ধ্যা

আপনার শক্তিই সবচেয়ে বড় পুঁজি

বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের একটি গরীব দেশ। যদিও এখন নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃত আমাদের দেশ এখন কিন্তু তারপরও লক্ষ লক্ষ তরুণ বেকার অথবা সামান্য আয়ের কোন কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে। বিশেষ করে যারা ব্যবসা করতে চায় তাদের জন্য পুজির

পরে যাবেন, হেরে যাবেন  তবুও উঠে দাঁড়ান

ই-ক্যাবের কল্যানে এবং ফেইসবুকের কল্যানে কিছু মানুষের সংগ্রামের কাহিনী নিয়মিত দেখতে পাচ্ছি। তাদের প্রায় সবাই ভাল মানুষ কিন্তু জীবন নানা দিকে ভেজালে ভরা। চারপাশের চাপ, পরিবারের অসহযোগিতা আর বন্ধুদের বিদ্রূপ তাদের মানসিক শক্তি কমিয়ে দিচ্ছে, লড়াই করার ক্ষমতা নিঃশেষ করে

স্বপ্ন ঠিক করা দরকার

অনুপ্রেরণা মূলক সিনেমা অনেক দেখেছি- মনে হয় ১০০ এর কম হবে না। অনেক সিনেমার কাহিনী ছিল এমন যে কয়েকজন মিলে কিছু একটা করার চেষ্টা করে এবং প্রথমে ব্যর্থ হয় এবং তারা হতাশ হয়ে পরে। কিন্তু তারা আবার চেষ্টা করে এবং

প্রতিদিনকে কাজে লাগাতে হবে

প্রতিদিন আমাদের কাজের সময় ৬ থেকে ১০ ঘণ্টার মত। কাজ বলতে আমি লেখাপড়া, ব্যবসা, চাকুরি, ফ্রিল্যান্সিং এবং এমনকি বেকারত্বকেও বুঝাচ্ছি- চাকুরি খোঁজাও খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ। আর কাজের উল্টো হল বিশ্রাম ও বিনোদন। প্রতিদিন প্রায় ৭-৮ ঘণ্টার মত ঘুমাই বা শুয়ে

কেন বেকার হলেও হতাশ হবেন না?

ফেইসবুকের কল্যানে অনেকের সঙ্গে পরিচিত হয়েছি গত দেড় বছরে। অনেকেই আমাকে বলেন যে তারা ভাল কিছু করতে চান, বড় কিছু করতে চান। সফল হতে চান, নেতা চান, বড়লোক হতে চান ইত্যাদি। আবার অনেকে চাকুরি কোথায় পাওয়া যাবে এমন জানতে চান।

আপন মনে আপন পথে চলুন

২০১৫ সালে একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিশ শিখেছি- নিজের মত করে পথ চলা। ই-ক্যাব নিয়ে প্রায় সারা বছর ধরে ফেইসবুকে আক্রমনের শিকার হয়েছি নানা জনের থেকে। প্রথম প্রথম বেশ রাগ হত কারণ জীবনের সব সুখ শান্তি আরাম এক পাশে সরিয়ে ই-ক্যাবের জন্য

জীবনে হেরে গেলেও থেমে যাবেন না

আপনি হেরে গেছেন, ব্যর্থ হয়েছেন, অথবা ভেজালে পড়েছেন। এরপর কি করবেন? আপনার সামনে দুটো রাস্তা খোলা আছে। আপনি হতাশ হয়ে থেমে যেতে পারেন, এবং মন খারাপ করে বসে থাকতে পারেন। আমরা বেশির ভাগ মানুষ বেশির ভাগ সময় তাই করি। এই

তবুও লেগে থাকতে হয় স্বপ্ন দেখতে হয়

আমাদের জীবনে জয় পরাজয় আনন্দ বেদনা থাকে। হয়তো পরিক্ষায় রেজাল্ট খারাপ বা কেউ ভাল চাকুরি পাচ্ছেন না, কিন্তু অন্যদিকে হয়তো কিছু একটা ভাল পারেন এবং সেদিকে একটু চেষ্টা করলে অনেক ভাল করতে পারেন। আমরা অনেক সামান্য বিষয়ে অসামান্য রকম হতাশ

বেকার থাকলেও মনের জোর হারাবেন না

আপনি যখন বেকার আছেন তখন চারপাশের লোকজন ভেজাল করবে, খোঁচাখুঁচি করবে, অপমান করবে, ফালতু কথা বলবে- অনেক যন্ত্রণা আপনাকে সইতে হবে। আমাদের সমাজে এটিই বাস্তব সত্য, পরম সত্য। ব্যতিক্রম আছে তবে তা নিয়ম নয়। আমি সেই অর্থে একদিনের জন্যও বেকার

২০-২৫ বছর বয়সী তরুণদের জন্য কিছু পরামর্শ

২০-২৫ বছর বয়সী তরুণদের জন্য কিছু পরামর্শ। ১। পড়ার অভ্যাস গড়ার চেষ্টা করবেন। পত্রিকা, বই, ওয়েবসাইট যাই পড়েন না কেন তাতেই লাভ। এই লাভ সব দিকেই। ২। কাজ করাকে বিরক্তির চোখে দেখবেন না। যে কোন দিকে লেগে থাকুন দেখবেন আজ

শুন্য থেকে সেরা হবো কিভাবে?

আমরা সেরা হতে চাই, অন্তত স্বপ্ন দেখি যে অনেক ভাল কিছু করবো এবং বড় হবো। কেউ ডাক্তার, কেউ বা ইঞ্জিনিয়ার, খেলোয়াড়, সিনেমার নায়ক হতে চায় এবং সেরা হতে চায়, ভাল কিছু করতে চায় জীবনে। কিন্তু বাস্তবতা হল খুব কম লোক