ই-ক্যাবের আজ ১০০ দিন

ই-ক্যাবের আজ ১০০ দিন পূর্ণ হয়ে গেল। ১০০ দিন আগে প্রেস ক্লাবে প্রেস কনফারেন্সে একটা ঘোষণা এসেছিল ই-ক্যাব সভাপতি হিসেবে আমার থেকে। একটা স্বপ্নের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। সেদিন মনে হয় আমাদের এই ফেইসবুক গ্রুপে মাত্র ২০০-৩০০ সদস্য ছিল। পেইজে

আমি বাংলাতেই সব পোস্ট দেই

২১ ফেব্রুয়ারি এলেই ফেইসবুক ফিডে কিছু লোক শুধু চারদিকে হিন্দি গান বাজছে তা শুনতে পান। এ নিয়ে তাদের মনে দুঃখের সীমা নেই। পাশের বাসার কেউ একজন হিন্দি গান শুনছে, রাস্তায় কোন দোকানে হিন্দি গান বাজছে, কোন বিয়ের অনুষ্ঠানে বা পার্টিতে

কোয়ালিটি অনেক বড় ব্যপার

ওডেস্ক এর মত অনলাইন মার্কেট প্লেস গুলোর জনপ্রিয়তা বাড়ায় এবং হাজার হাজার তরুন দামের দিকে প্রতিযোগিতা করতে উৎসাহী হওয়াতে ফ্রিল্যান্সিং থেকে আয় কমে গেছে বা আয় করা খুব কঠিন হয়ে গেছে এমন অভিযোগ অনেকে করেন। আর বিভিন্ন গ্রুপ ও ফোরামে

জন্ম আমার ঢাকায়

জন্ম আমার ঢাকায় এবং বলা যায় চরম মাত্রায় আমি ঘর কুনো বা ঢাকা কুনো। রাজধানী শহর ছাড়া বাংলাদেশের অন্য সব জায়গা অনেক সুন্দর, পরিবেশ দূষণ নেই বললেই চলে। গত নভেম্বর মাসে চট্টগ্রাম গিয়ে আমি খুবই মুগ্ধ। শহরের মধ্যে গাছপালা, পাহাড়,

অনলাইন শপিং সাইটগুলোর কনটেন্ট এর দিকে নজর দিতে হবে

ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেবার পর প্রথম থেকেই আমি বলে এসেছি যে আমাদের দেশের অনলাইন শপিং সাইটগুলোর কনটেন্ট এর দিকে নজর দিতে হবে। পন্যের বর্ণনা, ব্লগ, ফেইসবুক পেইজ ও গ্রুপে সক্রিয় অংশগ্রুহন, মিডিয়া পাবলিসিটি এসব

কন্টেন্ট এর মূল্য উপলব্ধি

ই-ক্যাব থেকে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি এবং এর ফলে দেশের ই-কমার্স সেক্টরে ২০১৫ সালের মধ্যেই আশাতীত অগ্রগতি ও প্রবৃদ্ধি আসবে বলে আমি আশাবাদী। কন্টেন্ট এর প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি কারন আপনি নিজেই চিন্তা করুন সারাদিন ইন্টারনেটে বসে কি করেন? গুগলে সার্চ

ইফাত শারমিন আপু

আজকে ই-ক্যাবের অফিসে আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন ইফাত শারমিন আপু। তার জামদানী ভিলা (https://www.facebook.com/JamdaniVille ) আজ থেকে ই-ক্যাবের সদস্য। বাংলাদেশের তাঁত শিল্পের সঙ্গে আমার শৈশব ও কৈশোরের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। পারিবারিক ব্যকগ্রাউন্ড কিছুটা এদিকে এবং মাতুয়াইল, রায়েরবাগ এসব

ফ্রেন্ড লিস্টে এখন ১৫০০ জনের বেশি

আমার ফ্রেন্ড লিস্টে এখন ১৫০০ জনের বেশি। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেশ ই-ক্যাব এর সভাপতির দায়িত্ব নেবার আগে আমার লিস্টে ১০০ জনও ছিলনা। ই-কমার্স এর সঙ্গে প্রত্যক্ষ, পরোক্ষ ভাবে জড়িত বা ই-কমার্স নিয়ে কোন না কোন ভাবে জড়িত এমন প্রায় ১০০০

স্বপ্ন দেখি

নভেম্বর মাসে প্রতিদিনই কারও না কারো সঙ্গে কথা হয়েছে যে তারা ই-কমার্স উদ্যোক্তা হতে চায়। তাদের বেশীর ভাগ বয়সে তরুণ এবং অনেকে ই-কমার্স সম্পর্কে একদমই জানেনা। এ নিয়ে অবশ্য আমার আপত্তি নেই। নিজেও সারা জীবন আর্টস পড়ে এমএ পাশ করে

জেগে থাকা প্রায় প্রতিটি ঘণ্টাতে

ঘড়ির কাটা অনুযায়ী নভেম্বর মাস শেষ হয়ে গেছে এবং ডিসেম্বরের প্রথমদিন। এই এক মাসের জেগে থাকা প্রায় প্রতিটি ঘণ্টাতে আমি ই-কমার্স অ্যাসসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইক্যাব) নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছি। আমার সঙ্গে আরও অনেকে সময় দিয়েছেন। এবং আমরা সবাই মিলে

সবচেয়ে প্রিয় কাজ হচ্ছে লেখালেখি করা

আমার সবচেয়ে প্রিয় কাজ হচ্ছে লেখালেখি করা- যেকোনো ধরণের লেখা। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত লেখার সংখ্যা ৫০০ এর কম হবে না। আর ব্লগে ও ওয়েবসাইটে ৫,০০০ পোস্ট তো হবেই। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান-এ কাজ করতে গিয়ে লেখালেখির সাথে সম্পর্ক কিছুটা দূরে সরে গেছে।

ই-কমার্স নিয়ে পোস্ট দিয়ে গেছি বিরামহীন ভাবে

আজকে আমার ফেইসবুক টাইম লাইন ঘেঁটে দেখলাম যে টানা দু মাস ধরে নিজের টাইমলাইনে ই-কমার্স নিয়ে পোস্ট দিয়ে গেছি বিরামহীন ভাবে। হয়তো দরকার ছিল মানুষকে জানানোর। তবে এখন থেকে চেষ্টা করবো ই-কমার্স নিয়ে পোস্ট গুলো আমাদের ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান এর ফেইসবুক

ই-কমার্স নিয়ে হুজুগের আমি ঘোরতর বিপক্ষে

দুদিন আগে ঠিক করেছিলাম যে নিজের ওয়ালে আর ই-কমার্স নিয়ে পোস্ট দেব না। ই-কমার্স নিয়ে পোস্ট থাকলে তা দেব ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেস (ই-ক্যাব)-এর গ্রুপে। কিন্তু ই-ক্যাবের সঙ্গে এখন আমার জীবন এতটাই জড়িয়ে গেছে যে রাতে স্বপ্নও দেখি ই-কমার্স নিয়ে।

ই-ক্যাবঃ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সেমিনার শুরু

আরও একটা বড় স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে ই-ক্যাব থেকে আমরা আজকে আরেকটি ছোট পদক্ষেপ রাখলাম। ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) থেকেই আমরা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সেমিনার করা শুরু করে দিলাম। আয়োজনে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার কাউন্সিলিং বিভাগ এবং এইচ আর ফোরাম। ই-ক্যাবকে আমন্ত্রণ জানানো

সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা। অনেকেই দেখলাম হতাশার কথা বলেছেন কারণ দেশের উন্নতি হয়নি বলে। কেউ কেউ হিন্দি গান বাজানো নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছে। বিজয় দিবস আমার কাছে আনন্দের দিন এবং স্বপ্ন দেখার দিন। জানি রাতারাতি সব বদলাবে না। দেশ তো আমার

ই-কমার্স ব্যবসায়ী এবং উপজেলার উৎপাদকদের মধ্যে যোগ সুত্র

গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ধ্রুবতারার অনুষ্ঠানে যেসব প্রশ্ন আমাকে হয়েছিল তার মধ্যে অন্যতম ছিল ঢাকার বাইরে যারা থাকে বিশেষ করা ছোট জেলা শহর এবং উপজেলা গুলোতে তাদের বেশীর ভাগের ই-কমার্স নিয়ে তেমন কোন ধারনা নেই। অথচ ই-কমার্স তাদের দরকার বেশি। সাতক্ষীরার

মন দিয়ে লেখাপড়া করা এবং সততা সবচেয়ে বড় স্মার্টনেস

কেউ কেউ আমার কাছে জানতে চেয়েছেন যে আমি সব পোস্ট বাংলাতে দেই কেন, একটাও ইংরেজিতে নেই। অনেককে ঠাট্টা করি বলে যে ইংরেজি পারিনা তাই বাংলাতে দেই। একজন বেশ সিরিয়াস ভাবে আমাকে পরামর্শ দিলেন ইংরেজি অক্ষরে বাংলাতে লিখতে, তাতেও কিছুটা স্মার্টনেস

ঈদ হল আমাদের মত সাধারণ মানুষের জন্য

৩ দিন পর কোরবানি ঈদ। আর আজ দুর্গা পূজার শেষ দিন। গত ৫ বছর ধরে ঈদে কোন আনন্দ করতে পারিনি। হয় অসুস্থ ছিলাম, না হয় টাকা ছিল না, না হয় ঈদের সময় কোন কাজের প্রজেক্ট ছিল এবং ঈদের সময় সারা

ফ্রেন্ড লিস্টে এখন ৯০০ জন

আজ নিজের প্রোফাইল চেক করতে গিয়ে দেখলাম ফ্রেন্ড লিস্টে এখন ৯০০ জন। অথচ মাত্র আড়াই মাস আগেও এই সংখ্যা ১০০ ছিল বা কিছুটা কম। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান শুরু হবার পর থেকে ই-কমার্স, ফ্রি-ল্যান্সিং এবং আইটি সেক্টরের অনেকেই আমার লিস্টে যুক্ত হয়েছেন।

যে কাজ আপনি ভালবাসেন

পত্রিকায় লেখা শুরু করি ১৯৯৪ সাল থেকে। সেই হিসেবে ২০ বছর পার হয়ে গেছে। ৫০০ এর মত লেখা হয়তো ছাপা হয়েছে ২০-২১ টি পত্রিকা আর ম্যাগাজিনে। অনেক বিষয়ের উপর নিয়েই লিখেছি পেটের দায়ে, মনের দায়ে, ছাপা অক্ষরে নিজের নাম দেখার

২০১৪ সাল শেষ এবং শুরু হল ২০১৫

২০১৪ সাল শেষ এবং শুরু হল ২০১৫। খুবই কঠিন একটা বছর শেষ হল। শেষ হয়েছে আশার মধ্য দিয়ে। গত ৬ টা বছর খুবই কঠিন ভাবে পার করতে হয়েছে। ১ জুন ২০১৪ থেকে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) নিয়ে কাজ করা

ই-ক্যাবের ২ মাসঃ কিছু কথা

আজ ৮ জানুয়ারি ২০১৫। ঠিক ২ মাস আগে ৮ নভেম্বর তারিখে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুর ঘোষণা সংগঠনটির সভাপতি হিসেবে আমি দেয়। ২ মাসে আমরা আশাতীত এগিয়েছি। সদস্য সংখ্যা বেড়েছে,

ডিজিটাল ইনভেটিভ ফেয়ার ২০১৫

ডিজিটাল ইনভেটিভ ফেয়ার ২০১৫ এর উদ্বোধনী দিনে একটি সেমিনার ছিল যেখানে ই-ক্যাবের পক্ষ থেকে আমরা বেশ কয়েকজন অংশ নেই। আসলে এটি ই-ক্যাবের পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয় এবং ই-ক্যাবের সভাপতি হিসাবে আমি ছিলাম, এবং আমার সাথে ছিলেন ই-ক্যাবের যুগ্ম সাধারণ

আমাদের সমাজে শর্ট কাটের জয় জয়কার

জীবনে যখন থেকে মনে পড়ে কখনোই আমি অলস ছিলাম না। হয়তো সেভাবে কঠোর পরিশ্রমী ছিলাম না তবে গড়পড়তা মানুষের থেকে একটু বেশি লেখা পড়া করতে, কাজ করতে ভালবাসতাম এখন আরও বেশি বাসি। জীবনে সব কিছুতেই সাফল্য-ব্যর্থতা পেয়েছি এবং এখন মনে

উইন-উইন

উইন-উইন (win-win) বা দু পক্ষের জন্যই লাভজনক হবে এমন কিছু করা বাংলাদেশে বেশ কঠিন নানা কারণে। একটা বড় কারণ হল বোধহয় আমরা ধরেই নেই যে আমি নিজে খেটে মরছি আর আরেকজন কিছুই করছে না। অনেক ক্ষেত্রে আবার সত্যি সত্যি এমনটা

নানা ধরনের আইডিয়া মাথায়

নানা ধরনের আইডিয়া মাথায় অনেক বছর ধরেই ঘুরছে। একটা ফেইসবুক গ্রুপ ও ব্লগ খুলে ইংরেজি শিখাতে চাই, বাংলাদেশের আইটি সেক্টরে যারা কাজ করছে তাদের ইংরেজি স্কিল ডেভেলপ করতে চাই (এ নিয়ে ছোট খাট কিছু গবেষণাও করেছি), যারা ইংরেজিতে পড়ছে তাদের

ট্যুরিজম বা পর্যটন সেক্টরে ই-কমার্স বৈপ্লবিক উন্নয়ন সাধন করতে পারে

বাংলাদেশে অনেকেই ই-কমার্স সেক্টর নিয়ে চিন্তিত এবং হতাশ। স্বীকার করি হতাশ হবার মত যথেষ্ট কারণ রয়েছে। এ খাতের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি যোগাযোগ মনে হয় আমার নিজের এবং তাদের মুখ থেকে তাদের সমস্যার কথা প্রতিদিনই শুনি। কিন্তু তারপরও আমি এদেশে

ই-ক্যাব বারবিকিউ নাইট (শুক্রবার ৩০ জানুয়ায়ারি ২০১৫)

অনেকেই চাচ্ছিলেন ই-ক্যাবের পক্ষ থেকে একটা পিকনিকের আয়োজন করা হোক। দেশের বর্তমান অবস্থায় পিকনিক এর আয়োজন করা সম্ভব নয় তা বুঝিয়ে বলার দরকার নেই মনে হয়। তাছাড়া পিকনিকের জন্য প্রস্তুতি নিতে গেলে ই-ক্যাবের অন্য সব গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যঘাত ঘটবে। এর

ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশান এর বয়স ৭৫ দিন

আমার খুবই প্রিয় একটা কবিতা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা। সেই ১৯৮৯ সাল থেকে কত বার যে আবৃত্তি করেছি নিজে নিজে। সুখ আর দুঃখ মিলিয়েই জীবন। আমার নিজের জীবন অনেক সংগ্রামে, ব্যর্থতায় ও ভেজালে ভরা। ২০১৫ সালে এসে জীবন অনেক ভাল হচ্ছে

ভ্যালেন্টাইন ডে 2015

উপলক্ষে আমাদের ই-ক্যাবের সদস্য কোম্পানিরা এখন থেকেই বিভিন্ন স্পেশাল অফার দেয়া শুরু করেছেন। আশা করছি এ বছর ভ্যালেন্টাইন দিবস হবে ই-কমার্সময় ভ্যালেন্টাইন। আমি কথা দিয়েছিলাম যে আমাদের যে সব মেম্বার কোম্পানি স্পেশাল অফার দেবে তাদের অফারের কথা জানাবো আমাদের ফেইসবুক

ই-ক্যাব ও আইপিএবি

ই-ক্যাব থেকে গতকাল আমরা কয়েকজন গিয়েছিলাম ইনটেলেকচুয়াল প্রপার্টি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইপিএবি)-এর একজন ইসি কমিটির একজন সদস্য ব্যারিস্টার আনিক আর হক এর সঙ্গে সাক্ষাত করতে। আইপিএবি গত ৫-৬ বছর ধরে কাজ করছে পাইরেসি রোধ করার জন্য। ই-কমার্স নিয়ে হয়তো এখনও

The Power Of The Dream গানের অনুবাদ

১৯৯৬ সালের অলিম্পিক গেমসের এই গানটি গেয়েছেন সেলিন ডিওন (টাইটানিক সিনেমার গায়িকা)। গানটি শুনতে খুবই ভাল লেগেছে এবং এর কথা (লিরিক) হৃদয় ছুয়ে গেছে। আমি কবি নই, তাই কবিতার মত করে অনুবাদ করতে পারবো না। এজন্য গদ্য আকারে অনুবাদ করেছি।

ই-ক্যাব সেবা কেন্দ্রকে ধন্যবাদ

সবাই সব কিছু সমান পারে বা জানে না। যে ইনফরমাল আড্ডা দেয়া হয় প্রতি রাতে স্কাইপে তাতে দেখা যায় যে আফজাল ভাই অনেক কিছুই জানেন। তিনি বলেন, আমরা শুনি বা নতুন কেউ আসলে প্রশ্ন করেন। অনেকের সমস্যা ও ভুল ধরিয়ে

ই-ক্যাব ও সুন্দরবন কুরিয়ার এর মিটিং

সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস প্রাইভেট লিমিটেড-এর বেশ কয়েকজন শীর্ষ স্থানীয় কর্মকর্তার সঙ্গে আজ আমাদের ই-ক্যাবের মিটিং হয়। সুন্দরবনের পক্ষে এ মিটিং-এ নেতৃত্ব দেন তাদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব শেখ তানভীর আহমেদ রনি। রনি ভাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাতে হয় ই-কমার্সকে এতটা গুরুত্ব দেবার

ই-কমার্স নিয়ে ২০০০ সাল থেকে আমার আগ্রহ

আমি পড়তে ভালবাসি, কাজ করতে ভালবাসি। সেভাবে প্রতিভাবান মনে হয় আমি নই- মাঝারী মানের প্রতিভা আমার। বলার মত একটাই প্রতিভা আছে- স্মরণশক্তি বা মনে রাখার ক্ষমতা। মানুষের নাম মনে থাকে, তারা কি করে, তাদের সঙ্গে কখন কি কথা হয়েছিল এ

ইংলিশ এবং আইটির কোন ভাল ম্যাচ মেকিং হয়নি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের আজকে এলামনাই (প্রাক্তন ছাত্রদের) মিলনমেলার অনুষ্ঠানটি হয় টিএসসিতে। ৬ ঘণ্টার মত ছিলাম সেখানে। ১৫ বছর পর এ অনুষ্ঠানে যাই। ভাল লাগলো ১৫ বছর পর অনেককেই দেখতে পেয়ে। সেখানে গিয়েছিলাম শিক্ষক, সহপাঠী এবং জুনিয়র সিনিয়রদের সঙ্গে অনেক

১৫ সেপ্টেম্বর- ১৪ অক্টোবর ২০১৬: কমেন্ট মাস

এই এক মাস আমরা দিন রাত কমেন্ট লিখবো। প্রতিটি পোস্টে লেখার কমেন্ট চেষ্টা করবো। না পারলেও যতটা সম্ভব চেষ্টা করবো। অন্তত ১০ টি কমেন্ট তো লেখা যায়ই যেখানে একদিনে অনেকে ৫০ টি বা এমনকি ১০০ কমেন্ট করে দেখিয়েছেন। ভুল বা

গ্রামার নিয়ে কিছু কথা

প্রতিদিন ফেইসবুকের ইনবক্সে ৪-৫ জনের সঙ্গে কথা হয় এই গ্রামার নিয়ে। তারা মেসেজ দিয়ে বলেন যে গ্রামার শিখতে চান এবং সার্চ ইংলিশ গ্রুপে কেন গ্রামার নিয়ে কিছু বলি না। আমি বলি যে এটি আরও অন্তত ৬ মাস পরের ব্যপার। কেউ

শুরু থেকে শুরু হোক

আমি ঠিক কিছুটা না বরং পুরাই পাগলাটে ধরনের মানুষ। আমি আমার নিজের বিশ্বাসের জন্য জান প্রান দিয়ে চেষ্টা করি, পরিশ্রম করি, সময় দেই। যারা আমার ফ্রেন্ড লিস্টে আছেন বা যারা ই-ক্যাব নিয়ে আমাকে চেষ্টা করতে দেখেছেন তারা জানেন যে গত

এক মাস এবং অভ্যাস গড়া

এখন প্রতিদিন ১০-১২ জন ফেইসবুকে জিজ্ঞেস করেন যে কমেন্ট করার পর কি করবো? আমি একটাই উত্তর দেই এক মাস ধরে কমেন্ট করে যান। এর পরের প্রশ্ন আসেনঃ আমি তো কমেন্ট করতে পারি এবং করছি। এর পরে কি করবো? আমার উত্তর-

এক দিনে ১০০ কমেন্ট এর বেশি কেউ লিখবেন না

কমেন্ট লেখার জন্য আমি গত ৮০ দিন ধরে প্রতিদিন ধরে বলে গেছি এবং এখন আপনারা সমানে কমেন্ট লিখছেন বলে আমি মহা খুশী। ২৩ জন ১০০ কমেন্ট লিখে ফেলেছেন এবং আরও অনেক বাড়বে। তবে সবার প্রতি একটাই অনুরোধ একদিনে কেউ ১০০

সময় ও শ্রম দিতে হবে

গ্রুপের নিয়ম ভেঙ্গে বাংলাতে এই পোস্ট দিচ্ছি যাতে করে সবাই আরও ভাল করতে বুঝতে পারে। তবে এই পোষ্টের সব কমেন্ট ইংরেজিতে দিতে হবে। ১০,০০০ মেম্বার হওয়া উপলক্ষে কিছু কথা আসলেঃ ১। কমেন্ট করার চেষ্টা করুন সব পোষ্টে। এটি আমি করতে

আপনার প্রথম কমেন্ট

গ্রুপে এখন থেকে মাঝে মধ্যে বা দিনে একটা করে বাংলা পোস্ট আমি দেব। তবে অন্য কেউ এটি করতে পারবেন না। আমি দিচ্ছি আপনাদের অনুপ্রাণিত করার জন্য এবং সেই সঙ্গে কিছু জিনিশ শেখানোর জন্য। তবে পোস্ট বাংলাতে হলেও কমেন্ট কিন্তু ইংরেজিতে

ভুল নিয়ে টেনশন করবেন না

(প্রতিদিন আমি একটি করে বাংলাতে পোস্ট দিচ্ছি। তবে কমেন্ট ইংরেজিতে করতে হবে)। প্রতিদিন বেশ কয়েকজন আমার পোস্ট গুলোতে বলেন যে তারা যাই লেখেন গ্রামারে ভুল করেন এবং তা নিয়ে টেনশনে আছেন বা তা যেন ঠিক করে দেয়া হয়। আপনি পারেন

কমেন্ট লিখে কি লাভ?

আমাকে অনেকেই জিজ্ঞেস করেন যে কমেন্ট লেখার ব্যপারে কেন আমি এত গুরুত্ব দেই। কেন প্রতিদিন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে একই কথা বলি? আসলেই কি কোন লাভ আছে? হ্যাঁ, অনেক লাভ আছে। ১। কমেন্ট লেখার মাধ্যমে ইংরেজি চর্চা হচ্ছে। আপনার ভয়, লজ্জা আর

আপনি পারছেন, আপনি পারবেন

গ্রুপে মাত্র ৪ দিন আগে বাংলাতে প্রথম পোস্ট দেই। উদ্দেশ্য ছিল একটাই- আপনাদের কমেন্ট করতে অনুপ্রানিত করা। ৪ দিনে কমেন্টের বন্যা বয়ে গেছে বলা যায়। অন্তত আমার পোস্ট গুলোতে অনেক কমেন্ট আসছে আর অন্য সবার পোস্টেও কমেন্ট এর সংখ্যা বাড়ছে।

চারটা মাস মাত্র চারটা মাস

অগাস্ট মাস শেষের পথে। এরপর বছরের ৪ মাস বাকি আছে। আজকে ঘুম থেকে উঠে যখন সার্চ ইংলিশের পোস্ট গুলো পড়ছিলাম তখন নিজের কাছেই বিশ্বাস হচ্ছিল না। না, অনেক ভুল আছে পোস্ট গুলোতে- অনেক, অনেক এবং অনেক। কিন্তু প্রতিটি পোস্ট ভাল

কমেন্ট লেখার পঞ্চম লাভ

কয়েক ঘণ্টা আগে আমি একটি পোস্ট দিয়েছিলাম যেখানে কমেন্ট লেখার ৪ টি ভাল দিক উল্লেখ করেছিলামঃ ১। যে পোষ্টে কমেন্ট করছেন তা পড়তে হচ্ছে। তাই আপনার পড়ার গতি বাড়বে। ২। পড়ে বুঝতে পারছেন তাই ইংরেজি বোঝার ক্ষমতা বাড়বে। ৩। উত্তরে

আপনা-মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়

মুক্ত করো ভয়, আপনা-মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয় সার্চ ইংলিশ গ্রুপে মেম্বার সংখ্যা ১৫,০০০ হতে খুব বেশি সময় লাগবে না। হয়তো পরশু দিন হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। যাই হোক আমাদের সমাজে ইংরেজি নিয়ে প্রচণ্ড ভয় কাজ করে সবার মধ্যে। অনেকেই

আমরা করবো জয় একদিন

পরশু দিন মানে ১ সেপ্টেম্বর সার্চ ইংলিশ গ্রুপের বয়স ২ মাস হবে। ১৫,০০০ এর কাছাকাছি মেম্বার হবে আশা করি এবং এখন থেকে যদি প্রতি মাসে এভাবে ১০,০০০ করেও যোগ হয় তাহলে এ বছরের মধ্যে ৫০,০০০ মানুষ এই গ্রুপে যুক্ত হবে।

এক সপ্তাহ, এক মাস, এক বছর

স্কাইপ আড্ডাতে নিয়ম হল নতুন যে কাউকে প্রথম ৭ দিন শুনতে হয় এবং তারপর কথা বলার সুযোগ দেয়া হয়। এর কারণ হল ইংরেজিতে কথা বলা নিয়ে অনেক জড়তা কাজ করে আমাদের অনেকের মধ্যে এবং আপনি যদি প্রথমেই ধাক্কা খান সবার

গতি কেন দরকার?

গ্রুপে কেউ যোগ দিলে তাকে বলি যে আগে ৫ দিনে ১০০ পোষ্টে কমেন্ট লিখুন। অনেকেই আমাকে ইনবক্সে বলেন যে তাদের একটি পোস্ট পড়ে কমেন্ট লিখতে ১ ঘণ্টা চলে যায়। তাই এত কমেন্ট লেখা সম্ভব নয়। একটি পোস্ট ৩০০ শব্দের মত

আমি না, আপনি

প্রতিদিন সার্চ ইংলিশে গ্রুপে এখন অন্তত ১০ টি পোষ্টে হয় আমাকে ট্যাগ করা হয় না হয় আমার নাম উল্লেখ করা হয়। আরও ২০-৩০ বা ৫০ টি কমেন্টে প্রতিদিন আমার কথা বলা হয়। প্রশংসা শুনতে কার না ভাল লাগে? তবে মনে

সমন্বিত প্রজ্ঞা (Collective Wisdom)

দুই দিন আগে এ নিয়ে একটি পোস্ট ইংরেজিতে লিখেছিলাম। অনেকের বেশ পছন্দ হয় এবং অনেক কমেন্ট এসেছিল এখানে। অনেকে আমাকে ফেইসবুকে ইনবক্স করে ভাল লাগার কথা জানিয়েছেন। যাই হোক সেখানে আমি যা বলার চেষ্টা করেছি তাহল এই যে আমাদের গ্রুপে

সার্চ ইংলিশের চারটি সমস্যা

ইংরেজি শেখার জন্য বাংলাদেশে সবচেয়ে একটিভ গ্রুপ এখন সার্চ ইংলিশ। এখন প্রতিদিন মনে হয় ৪০-৫০ টা পোস্ট আসে আর কমেন্ট অন্তত ১০০০ বা তারও বেশি। কখনো কখনো নোটিফিকেশনের ঝড় বয়ে যায় রাতের দিকে এবং আমার ব্রাউজার হ্যাং করে। তাই প্রতিদিন

সার্চ ইংলিশঃ ৪ দিকে উন্নতি

সার্চ ইংলিশের বয়স ২ মাস হয়ে গেছে। যারাই এখানে অন্তত ১৫ দিন নিয়মিত সময় দেবার চেষ্টা করেছেন তাদের ৪ দিকে উন্নতি আমি লক্ষ্য করেছি। ১। আগের থেকে লেখার পরিমান অনেক বেড়েছে। অনেকেই এখন ১০০ শব্দের কমেন্ট অনেক সহজে করতে পারেন।

আমি পারি না, আমার এত সময় নেই

প্রতিদিন কমেন্ট করা নিয়ে পোস্ট দেই এবং অনেকেই আমাকে বলেন যে তাদের এত সময় নেই, তাহলে কি করা যায়? কারন প্রথম দিকে একটি কমেন্ট লিখতে অনেক সময় ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা লাগে। তাই ১০ টি কমেন্ট লিখতে কম পক্ষে

ভোকাবুলারি নিয়ে

ভোকাবুলারি নিয়ে প্রতিদিন অনেকে ফেইসবুকে মেসেজ দিয়ে টিপস চায়। অনেকে আবার আমাকে জানায় যে প্রতিদিন ২০ টি করে শব্দ মুখস্ত করছেন তারা এবং এভাবে ১ বছরে ৭০০০ শব্দ মুখস্ত করার স্বপ্ন তাদের। তাই তারা আমার কাছে বইয়ের নাম চান, পিডিএফ

পোস্ট পড়ে কমেন্টে লেখার কিছু পাই না

প্রতিদিন অনেকে একথা বলেন, এই গ্রুপের কমেন্টে এবং ফেইসবুকের ইনবক্সে মেসেজে। আপনি যদি তাদের একজন হন তাহলে এই পোস্ট আপনার জন্য অবশ্য পাঠ্য। ১। যদি তাই হয় তাহলে আপনি ইংরেজিতে বেশ দুর্বল। কারণ সার্চ ইংলিশ গ্রুপে তেমন কঠিন বিষয়ে পোস্ট

ভয় আর লজ্জা দূর হয়ে ইংরেজি হবে আপনাদের শক্তি

প্রতিদিন কেউ না কেউ গ্রামার নিয়ে আমাকে মেসেজ দেন। বইয়ের নাম জানতে চান, গ্রামার শেখার টিপস চান আর গ্রামার না জানার কারনে কষ্টের কথা বলেন। আমার উত্তর একটাই- এক মাস সব পোষ্টে কমেন্ট করার চেষ্টা করেন। এ নিয়ে অনেকেই বিরক্ত

সার্চ ইংলিশঃ সাধারণ মানুষের গ্রুপ

যারা আমার টাইমলাইনের পোস্ট গুলো পড়েন তারা ভাল করেই জানেন যে আমি একটি কথা নিয়মিত বলি- আমার স্বপ্ন ছিল আমার মত সাধারণ মানুষের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা। ই-ক্যাবে তা করতে গিয়ে অনেক ভেজালের মধ্যে পরেছিলাম কিন্তু আমি হাল ছেড়ে

এক বাক্যের কমেন্ট

এখন অনেকেই কমেন্টে ১০০ শব্দ লিখতে পারেন এবং লিখে থাকেন। অনেক ভাল লাগে দেখতে। এটি দেখে আবার অনেকেই মন খারাপ করেন যে তারা লিখতে পারেন না। যাদের কমেন্ট লেখা একদম আসে না তাদের জন্য এই পোস্ট। ১ বাক্য দিয়ে শুরু

পারি না পারবো না করি না করবো না

মেসিকে আমরা সবাই চিনি। আমাদের সময়ে সেরা ফুটবলার। কিন্তু একদম সাধারণ ব্যাকগ্রাউন্ড ছিল। হরমোনের ঘাটতি জনিত রোগ থাকার কারনে তার বাবা মা পরিবার নিয়ে বার্সেলোনাতে চলে আসতে বাধ্য হয় কারণ বার্সেলোনা ক্লাব তার চিকিৎসার খরচ বহন করতে রাজি হয়েছিল। সাধারণ

একদিনে ৫০ টি কমেন্ট

অন্তত দুজন আজকে একদিনে ৫০ টি কমেন্ট লেখার চেষ্টা করছেন এবং তাদের হয়ে যাবে আগামি ১ ঘণ্টার মধ্যে। তারা দুজন চেষ্টা করলে হয়তো আজকে ১০০ টি পোস্টে কমেন্ট করতে পারতেন বা আগামি মাসে হয়তো করবেন। তারা কিন্তু এক বাক্যের কমেন্ট

৮ ঘণ্টা কাজ কিংবা খেলা

কাজ করতে কারো ভাল লাগে না কিন্তু খেলা, আমার এবং বিনোদন সবার ভাল লাগে। তাই আমরা ক্লাস ফাকি দিয়ে সিনেমা বা খেলা দেখতে চলে যেতে পছন্দ করি। খেলা বা সিনেমা বাদ দিয়ে পড়তে বসতে পছন্দ করি না। আসলে এজন্য আমরা

লাভ অথবা লোকসান

এই গ্রুপে যারা একটু একটিভ তাদের অনেককেই ফেইসবুকের ইনবক্সে মেসেজ দিয়ে বলা হয় যে সার্চ ইংলিশ গ্রুপে এত সময় দিয়ে কি লাভ? আবার গ্রুপের কেউ কেউ ইনবক্সে আমাকে প্রশ্ন করেন- এত সময় দিয়ে এত কমেন্ট করে কি লাভ? সেই অর্থে

আমরা পারি

দুই মাস ১১ দিন বয়স সার্চ ইংলিশ গ্রুপের। আমরা এখন অনেকেই ১০০ শব্দের বেশি কমেন্ট লিখতে পারি। অন্তত ৫০ জন তা পারি। আর আজ ৪ জন ৫০ টির বেশি কমেন্ট লিখেছেন। তার মধ্যে মুক্তা আপুর কান্ড দেখে আমি সত্যিই অভিভূত

এক দিনে ৫০ কমেন্ট সম্ভব

গতকাল ৪ জন তা করেছেন। আজকে ইতিমধ্যেই শিশির অমিত ভাই করেছেন। সোহেল পারভেজ ভাইও করে ফেলবেন। আজকেও মনে হয় ৪ জন না ৬ জন করে ফেলবেন। এই ১০ জনের মধ্যে অন্তত ৮ জন ইংরেজিতে কাঁচা ছিলেন, দুর্বল ছিলেন এবং ভয়

প্রতিযোগিতা, অংশগ্রহন এবং সহযোগিতা

আজকে ১৭ জন মনে হয়ে ৫০ টি করে কমেন্ট লিখতে পেরেছেন এবং এর মধ্যে ২ জন আবার ১০০ কমেন্ট লিখতে পেরেছেন। আমাদের দেশে সমস্যা হল ছোটবেলা থেকে আমাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার চিন্তা টিচার আর গার্জিয়ানরা ঢুকিয়ে দেন।। ক্লাস টু তে আপনি

১০ টি কমেন্ট দিয়ে শুরু করেন

গতকাল এই গ্রুপে ২২ জন ৫০ টি করে কমেন্ট লিখেছেন। তার আগের দিন আরও ৪ জন। এ দেখে আবার ৪৪ জনের মন খারাপ যে তারা কেন পারেন নি। ব্যস্ততা, অসুস্থতা, অলসতা যে কারণেই হোক না অনেকে লিখতে না পেরে ঈদের

প্রতিদিন সময় দিন

যারা এখন একদিনে ২০ টি কমেন্ট লিখছেন তারা কিছু উন্নতি মনে হয় সহজেই দেখতে পাচ্ছেন। পোস্ট পড়ে বুঝতে পারেন সহজেই, লিখতে কষ্ট হয় না, অনেক দ্রুত লেখা যায় এবং সবচেয়ে বড় কথা হল কমেন্ট লেখা এখন আর কোন ব্যপার না।

কমেন্ট লেখার কিছু উপকারিতা

অনেকেই এখন কমেন্ট লিখছেন এবং এর মাধ্যমে কিছু ভাল দিক আছে। তা লিখছি আমি এখানে। এর বাইরে কোন কিছু বাদ থাকলে একটু কমেন্ট করে যোগ করে দিন। ১। কমেন্ট লিখলে এক ধরনের আত্মবিশ্বাস আসে যে আপনি লিখতে পারেন। ২। পড়ার

সংখ্যা বনাম সফল উদাহরণ

গ্রুপে ২২,৩০০ এর বেশি মেম্বার আছে। এই সংখ্যা এখন প্রতিদিন গড়ে ৫০০ এর মত করে বাড়ছে। ফেইসবুকের একটি সাধারণ নিয়ম হল একটি গ্রুপ যত বেশি একটিভ হবে তার সংখ্যা তত সহজে বাড়বে। তাই এ মাসের মধ্যে ৩০,০০০ মেম্বার হলে অবাক

চিত্ত যেথা ভয় শূন্য , উচ্চ যেথা শির,

জ্ঞান যেথা মুক্ত এ পর্যন্ত ৩৮ জন একদিনে ৫০ টি কমেন্ট ইংরেজিতে লিখতে পেরেছেন। এখন থেকে প্রতিদিন ২-৩ জন এমনটা করবেন এতে সন্দেহ নেই। ১০০ জন হলে দারুন হবে। হয়তো এক সময় ১০০০ জন হয়ে যাবে। যত দিন যাবে তত

আমরা সবাই রাজা

সার্চ ইংলিশ গ্রুপে প্রথম থেকেই লক্ষ্য ছিল ভয়, লজ্জা আর সংকোচ ঝেড়ে ফেলে আমরা ইংরেজি চর্চা করবো। এখানে আমরা সবাই সমান, সবাই রাজা। ভেজাল হীন প্ল্যাটফর্ম এটি। তাই সবার প্রতি অনুরোধ রইলো মনের আনন্দে কমেন্ট করার। ভুল শুদ্ধ নিয়ে মাথা

ধন্যবাদ সবাইকে

গত ৫ দিনে ৫৯ জন ৫০ টি বা তার বেশি কমেন্ট একদিনে লিখতে পেরেছেন। এর মধ্যে আবার ১২ জন একদিনে ১০০ টি কমেন্ট লিখতে পেরেছেন। ৭ দিন আগেও এমন কিছু করা সবার কাছে অসম্ভব ব্যপার বলে মনে হত। আর এখন

কমেন্ট নিয়ে কিছু কথা

১। ৫০ টি কমেন্ট অনেকেই করছেন এবং ধন্যবাদ সবাইকে। একজনের কথা আমরা একবারই বলবো এবং তাদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি ওয়েবসাইটে ছবি সহ দিয়ে রাখবো। ২। ১০০ টি কমেন্ট যারা করবেন তাদের নিয়েও একবারই পোস্ট দেয়া হবে এবং তাদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি ওয়েবসাইটে

নিয়মিত যারা

সার্চ ইংলিশ গ্রুপে আর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হয়তো ২৫,০০০ মেম্বার হয়ে যাবে। এই গ্রুপ অনেক দ্রুত বড় হচ্ছে এবং এ মাসের মধ্যে হয়তো ৩০,০০০ এবং এ বছর শেষ হইতে ৭৫,০০০ মেম্বার হয়ে যাবে। এর মধ্যে ৫০০ জন মোটামুটি নিয়মিত এবং

আমার সবচেয়ে বড় লাভ

আড়াই মাস আগে একটি স্বপ্ন নিয়ে সার্চ ইংলিশ গ্রুপের যাত্রা শুরু হয়েছিল- ভয়, লজ্জা আর সংকোচ বাদ দিয়ে আমরা ইংরেজি চর্চা করবো। ভুল শুদ্ধ নিয়ে মাথা ঘামাবো না। আমরা লিখে যাবো। আমি ঘোষণা দিলেই এমনটা হয়ে যাবে না। বরং অনেক

৫০ কমেন্ট এর ম্যাজিক

এই যে গ্রুপে এখন পর্যন্ত ৭০ জন একদিনে ৫০ টি করে কমেন্ট লিখতে পেরেছে- এতে কার কি লাভ? যারা লিখতে পেরেছেন তাদের লাভ হল তাদের মধ্যে এক ধরনের আত্মবিশ্বাস চলে এসেছে যে তারা ইংরেজিতে লিখতে পারেন এবং পারবেন। আর যারা

ছোট ছোট স্বপ্নের নীল মেঘ

সার্চ ইংলিশ গ্রুপের সেরা সময় শুরু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৫০ জন যোগ দিয়েছেন। এ পর্যন্ত ৮০ জন অন্তত ৫০ টি কমেন্ট করেছেন। দুই তিন দিনের মধ্যে এই সংখ্যা ১০০ হয়ে যাবে। তাদের মধ্যে অন্তত ৭০ জন মনে করতেন যে

মন দিয়ে কাজ করুন কয়েক মাস পর ফল পাবেন

অনেক সময় অনেক ভুল করি- ইচ্ছা করে বা অনিচ্ছাকৃত। অনেক সময় আফসোস হয়- ইশ, আবার যদি দ্বিতীয়বার সুযোগ পেতাম। জীবন আমাদের অনেক কিছুতেই অনেকবার সুযোগ এনে দেয় কিন্তু আমরা আসলে ভুলে যাই বা দেখতে পাই না। আপনি পরিক্ষায় ফেল করেছেন-

স্বপ্ন দেখা আর তা বাস্তবে পরিণত করার মধ্যে পার্থক্য

আমি উদ্যোক্তা হতে চাই, আমি ধনী হতে চাই, আমি সফল হতে চাই, আমি বিখ্যাত হতে চাই, আমি বড় কিছু করতে চাই- এমন স্বপ্ন আমাদের সবার মধ্যেই কম বেশি আছে। এটি স্বাভাবিক। কিন্তু স্বপ্ন দেখা আর তা বাস্তবে পরিণত করার মধ্যে

ভাল থাকতে পারলে একটাই লাভ

আমাদের সমাজে ভাল মানুষ হিসেবে থাকা খুব সুখকর কিছু নয়। পুরষ্কার এর বদলে নিত্যদিন আপনার সঙ্গী হবে ভেজাল। আসলে এতটাই সমস্যা পোহাতে হয় যে অনেকেই আমার সঙ্গে কথায় জানতে চান যে ভাল থেকে লাভ কি? ফেইসবুকে অনেক ভাল মানুষের সঙ্গে

জীবনে যাই করতে চান তার জন্য কষ্ট করতে হবে

গত ২২ মাস ধরে আমি ফেইসবুকে এমন একটিভ, একই রকম ভাবে বলা চলে। একটা লম্বা সময় গেছে শুধু ই-ক্যাবের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য চেষ্টা করতে। এখন আর সেদিকে কোন টেনশন নেই। ই-ক্যাবকে কেন্দ্র করে অনেক ভেজাল পার হয়েছি। এখন আবার

যা ভাল লাগে তাই পড়ুন

আমার জন্ম গোপীবাগে ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের পাশে, ইত্তেফাকের কাছে এবং রামকৃষ্ণ মিশনের পরের গলিতে। ৬ বছর বয়স থেকে ব্রাদার্স ক্লাবের মাঠে গিয়ে খেলতাম, ইত্তেফাক অফিসের বাইরের দেয়ালে ইত্তেফাক পত্রিকা পড়তাম এবং নিয়মিত রামকৃষ্ণ মিশন লাইব্রেরীতে পড়তে চলে যেতাম। ক্লাসের পড়ার

আসলে প্রতিযোগিতা আপনার নিজের সঙ্গেই

বিসিএস বা চাকুরির পরিক্ষা গুলোতে আমরা প্রতিযোগিতাকে ভয় পাই। আসলে প্রতিযোগিতা আপনার নিজের সঙ্গেই। আপনি আজকে ১০ মিনিটে কত শব্দ লিখতে পারেন, যে কোন প্রশ্নের উত্তর কি নিজের ভাষায় গুছিয়ে লিখতে পারেন, কোন প্রশ্ন কমন না পারলে কিভাবে সেই সমস্যা

শত ভেজালের মধ্যেও এখন আমি শান্ত

ই-ক্যাব নিয়ে ফেইসবুকে অনেক নোংরা আক্রমণের শিকার হয়েছি আমি গত ২২ মাসে। এটি অনেকের জানা কারণ সব কিছু প্রকাশ্যেই হয়েছে। প্রথম দিকে অনেক রাগ হলেও যত দিন গেছে আমি উপলব্ধি করেছি যে এগুলো মেনে নিয়ে এর মধ্যেই এগুতে হবে। চেষ্টা

সাফল্যের অন্যতম পূর্ব শর্ত

সাফল্যের অন্যতম পূর্ব শর্ত হল শর্ট কাট মানসিকতাকে মন থেকে ঝেড়ে ফেলতে পারা। শর্ট কাট এর ভক্ত হলে খুব অল্প চেষ্টা করার পর সাফল্য না আসলে আমরা হতাশ হয়ে যাই এবং এর পর চেষ্টা করার বা লেগে থাকার ইচ্ছা কাজ

খারাপ সময়ের সবচেয়ে ভাল দিক

খারাপ সময়ের সবচেয়ে ভাল দিক হল আপনি খুব ভাল করে বুঝতে পারবেন কারা আপনার সঙ্গে আছে। এই জ্ঞান আর উপলব্ধি অনেক বড় ব্যপার। কারণ খারাপ সময় স্থায়ী হয় না কিন্তু ভুল মানুষের সঙ্গে মিলে ভুল কোন কাজ করলে তার খারাপ

মুখস্ত বিদ্যাতে অভ্যস্ত হলে সবচেয়ে খারাপ যা হয়

সাড়ে ২২ মাসে অনেক তরুনের সঙ্গে ফেইসবুকে কথা হয়েছে। হাজার পাঁচেক হবে বলে মনে হয়। অনেকের সঙ্গে আবার স্কাইপে ও ফোনে বা এমনকি সরাসরি কথা হয়েছে। ই-কমার্স, কনটেন্ট রাইটিং, ব্লগিং নিয়ে আর ইংরেজি নিয়ে, শিক্ষা নিয়ে, ক্যারিয়ার নিয়ে, উদ্যোক্তা হওয়া

৫০ কমেন্ট এর ম্যাজিক

এই যে গ্রুপে এখন পর্যন্ত ৭০ জন একদিনে ৫০ টি করে কমেন্ট লিখতে পেরেছে- এতে কার কি লাভ? যারা লিখতে পেরেছেন তাদের লাভ হল তাদের মধ্যে এক ধরনের আত্মবিশ্বাস চলে এসেছে যে তারা ইংরেজিতে লিখতে পারেন এবং পারবেন। আর যারা

সার্চ ইংলিশ নিয়ে আমার আসল উদ্দেশ্য

প্রতিদিন এক দুই জন আমাকে জিজ্ঞেস করে যে সার্চ ইংলিশ নিয়ে আমার আসল উদ্দেশ্য বা পরিকল্পনা কি? আমি উত্তর দেই, আমার পরিকল্পনা হল এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেখানে মানুষ ভয়, লজ্জা আর সংকোচ বাদ দিয়ে ইংরেজি মন দিয়ে চর্চা

প্রথম স্কুলে যাবার দিনঃ ছোট গল্প

(প্রথমেই বলে রাখি আত্বজীবনীর ভঙ্গীতে লেখা হলেও আমার নিজের জীবনের কাহিনীর সঙ্গে বড় জোর ১০% মিল আছে। হয়তো এটা গল্প কিংবা অনেকের ইতিহাস।) ৬ বছর হতে আর মাস তিনেক বাকি অপুর। এখনো স্কুলে যায়নি দেখে আত্মীয় স্বজন অনেকেই অবাক হয়।

আমি পড়তে খুব ভালবাসি

আমি পড়তে খুব ভালবাসি- যতক্ষণ পিসির সামনে থাকি ততক্ষণ কিছু না কিছু পড়ার চেষ্টা করি। এমনকি অন্যদের সঙ্গে যখন স্কাইপে আড্ডার মধ্যে থাকি ঘণ্টার পর ঘণ্টা তখনও অন্যদের কথা শোনার মাঝেই ফেইসবুকে পড়ি, কিংবা কোন ব্লগ বা নিউজ পড়ি। জীবনে

আমরা খুব কম লোকই কিছু করার চেষ্টা করি

এনকারেজবিডি গ্রুপে এখন ১০,৪০০ মানুষ যুক্ত আছেন। কিন্তু এক দিনে হয়তো ১০ জনের বেশি পোস্ট দেন না এবং ৩০ জনের বেশি কমেন্ট করেন না। জীবনের বাস্তবতা এমনই। আমরা খুব কম লোকই কিছু করার চেষ্টা করি। মেসি বা রোনালদোর খেলার আমরা

আমি কোন অর্থেই সেলিব্রিটি নই

ই-ক্যাবের সভাপতি আমি, ফেইসবুকে কিছুটা জনপ্রিয় কিন্তু আমি কোন অর্থেই সেলিব্রিটি নই এবং হতেও চাই না। কথার কথা নয় বরং আমি গত ১ বছরে তা প্রমান করতে সক্ষম হয়েছি বলে বিশ্বাস করি। আমি একজন সাধারণ মানুষ ছিলাম ই-ক্যাবের সভাপতি হবার

ইংরেজি শেখার বা চর্চা করার ভাল কোন সুযোগ নেই

  ২০১৫ সালের পুরোটা জুড়ে ই-কমার্স নিয়ে প্রতিদিন স্কাইপে আড্ডা দিয়েছি। এখন গত ১৩ দিন ধরে স্কাইপে ইংরেজি শেখা নিয়ে আড্ডা দিচ্ছি। বেশ মজার একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম। ই-কমার্স এখনো ঢাকা কেন্দ্রিক এবং যারা স্কাইপে আড্ডা দিত তাদের ৮০% হয়