সাধনার মূল্য দিতে শিখুন

মাস্টার্স পাশ করে চাকুরিতে ঢুকে তারপর ২০০০ সালে আমি প্রথম পিসি বা ডেস্কটপ কম্পিউটার হাতে পাই। অর্থাৎ অনেকের তুলনায় অনেক দেরিতে কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করি। প্রথম দিকে টাইপ করতে খুব কষ্ট হত। কিন্তু এক সময় লেগে থাকতে থাকতে গতি চলে আসে। এখন আমি বাংলা ও ইংরেজি দু ভাষাতেই অনেক দ্রুত টাইপ করতে পারি। এটি সম্ভব হয়েছে ইচ্ছা থাকার জন্য, আগ্রহ থাকার জন্য।
আর এভাবে চেষ্টা করতে করতে আমি অনেক দ্রুত পড়তে পারি, চিন্তা করতে পারি এবং লিখতে পারি। তাই ফেইসবুকে অনেকেই সন্দেহ করেন যে আমি আসলে তাদের পোস্ট বা মেসেজ ঠিক মত পড়ি কিনা। আমি প্রতিটি মেসেজ মন দিয়ে পড়ি এবং চেষ্টা করি ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে উত্তর দিতে। পোস্টে কমেন্টও এক মিনিটের মধ্যে দেবার চেষ্টা করি।
যারা তরুন তাদের প্রতি অনুরোধ যে কোন বিষয় নিয়ে লেগে থাকাকে সাধনা বলে। সাধনার মূল্য দিতে শিখুন।

Loading

Spread the love

1 thought on “সাধনার মূল্য দিতে শিখুন”

  1. স্যার আমি ও ২০০০ সাল থেকে কোম্পিউটারের কাজ করি আগে আমার বিজয় অনেক স্পিড ছিল আমি আমার মেয়ের নোট লিখে দিতাম তাই অনেক স্পিড ছিল । বনানী স্কুলের এক শিক্ষকের কছিনের প্রশ্ন করে দিতাম । এখন অভ্র তে টাইপ করত্রে এসে আমি বিজয় ভুলে গেছি/ কিন্তু এখন অভ্র ও অনেক ভালো পারি। আপনার কারনে। আমার অফিচে বাংলা কোন কাজ নেই কিন্তু বস রা যখন সিস্টেম ডিজাইন করে তখন আমি অভ্র দিয়ে টাইপ করে দিতাম। তারা এখন বাংলা কনর্ভাটার নামিয়ে নিয়েছে বিজয় থেকে তারা অভ্র তে কনর্ভাট করে কেরে নেয়। কিন্তু আপান্র পাল্লায় পড়ে আমি অনেক এগিয়ে গেছি বাংলা টাইপে

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *