March 2021

“লিটল উইমেন” লুইজা মে অলকট

গল্পটা আসলে লেখিকার নিজের জীবনের ছায়ায়ই রচিত। লুইজা মে অলকটের তিন বোন এবং তার পরিবারের ছোট বড় বিভিন্ন ঘটনার আলোকে লেখা বলে, গল্পটাকে সেমি বায়োগ্রাফিও বলা হয়ে থাকে। গল্পটা খুব সাধারণ, কিন্তু আমার মনকে এটা শান্ত করেছিল। মিষ্টি একটা পারিবারিক বন্ধন, সদস্যের পারস্পারিক বোঝাপড়া, সুসম্পর্ক ভীষণ ভালো লাগা দিয়েছে আমাকে। ওরা চার বোন -মেগ, জো, […]

“লিটল উইমেন” লুইজা মে অলকট Read More »

“জেন আয়ার” শার্লট ব্রনটি

ছোট্ট জেন আয়ার মা-বাবাকে হারিয়ে মামীর কাছে আশ্র‍য় পেল ঠিক, কিন্তু শান্তি পেল না। প্রতি মুহুর্তে নীরবে অত্যাচার, নির্যাতন, কটু কথা সইতে সইতে এক সময় অসুস্থ হয়ে পরল সে। মামী অকে আর সহ্যই কর‍তে পারছিল না যেন, তাই পাঠিয়ে দিল বহুদূরের এতীমদের এক স্কুলে। জেন প্রথমে এই বাড়ি ছাড়তে পারছে বলে বেশ খুশিই হল, কিন্তু

“জেন আয়ার” শার্লট ব্রনটি Read More »

“টেস অব দ্য ডার্বারভিল” টমাস হার্ডি

টেসের জীবনের গল্পটা পড়ে আপনার হৃদয় কাঁদবেই। মেয়েটা স্বপ্ন দেখতে ভয় পায়, তারপরও ভুলক্রমে স্বপ্ন দেখে ফেলে, আর তা তাসের ঘরের মতো ভেঙে যায় এক নিমিষেই। আপনি ভাববেন হয়ত- একটা মানুষের কপাল এতো খারাপ হয় কিভাবে!! এমন গল্প হয়ত আমাদের চারপাশে আরও অনেক ঘটছে। কিন্তু আমরা সেগুলো দেখেও অনেক সময় এড়িয়ে যাই হয়ত।  যত উন্নতই

“টেস অব দ্য ডার্বারভিল” টমাস হার্ডি Read More »

“সিরগা” রেনে জুইঅ

এটা সভ্যতার বাইরের প্রকৃতিতে জন্ম নেয়া এক সিংহ কন্যা আর মানব পুত্রের গল্প। আফ্রিকার এক জঙ্গলে রাজত্ব করে তখন ‘ওয়ারা’ নামের এক সিংহী। আর ওই বনেরই আদিবাসী পোরগা গ্রামের দলপতি মোকো কাউরো। বনের অন্য প্রানীরা তো বটেই, এই আদিবাসী মানুষগুলোও ওয়ারা কে তাদের রানী মেনেই সাধারণ প্রজা হিসেবে বাস করে সেখানে। সেই সিংহী রানী ওয়ারা

“সিরগা” রেনে জুইঅ Read More »

“দ্য কল অব দ্য ওয়াইল্ড” জ্যাক লন্ডন

প্রানীকেন্দ্রীক চরিত্রের ভিত্তিতে লেখা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ কিশোর ক্লাসিক বলা হয় একে। ছোটদের কাছে এটা নেহাতই ‘বাক’ নামক একটা কুকুরের অভিজাত পরিবেশ থেকে বন্য হয়ে উঠার উপাখ্যান মনে হলেও, বড়দের কাছে একে একটা রূপক গল্প মনে হতে পারে, যেমনটা আমার মনে হয়েছে। প্রানী চরিত্রগুলোর আড়ালে যেন বিভিন্ন প্রকৃতির আর আচরণের মানুষগুলোকেই খুঁজে পেয়েছি আমি। ‘ডা জেকিল

“দ্য কল অব দ্য ওয়াইল্ড” জ্যাক লন্ডন Read More »

“দ্য স্কারলেট পিম্পারনেল” ব্যারোনেস ওর্কজি

ফ্রান্সের অভিজাতদের দ্বারা বহুবছর সাধারন মানুষ নির্যাতিত হবার পর ফরাসী বিপ্লবের সূত্রপাত হল। জনগন তাই এর প্রতিশোধ নিতে শুরু করল। রাজা রানী ওদের হাতে বন্দি হল, আর অভিজাতদের ধরে ধরে এনে গিলোটিনে মাথা কেটে নিচ্ছিল। ঠিক তখনই একদল ইংরেজ তরুন গোপনে এই অভিজাতদেরকে বাঁচিয়ে ইংল্যান্ডে নিয়ে যেতে থাকে আর তাদের অস্তিত্ব জানান দিতে রেখে যায়

“দ্য স্কারলেট পিম্পারনেল” ব্যারোনেস ওর্কজি Read More »

“অ্যাক্রস দ্য পিরেনীজ” রাফায়েল সাবাতিনি

প্রচন্ড ঝড় বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ঘোড়া ছুটিয়ে চলছে এক ফরাসী বীর সৈনিক চার্লি সেন্ট সাভানা, তাকে দ্রুত পৌঁছাতে হবে স্পেনের আলমাঞ্জার দূর্গে। গুরুত্বপূর্ন সামরিক কাজের দায়িত্ব্যভার দেয়া হয়েছে তাকে, ডিউক দ্য অলিয়া ফরাসী বাহিনীর সর্বাধিনায়ক তাকে একটা চিঠি দিয়ে পাঠিয়েছে দূর্গপতি ফার্ডিনান্ডের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য। হঠাত ওর কানের দুপাশ দিয়ে ছুটে গেল বন্দুক থেকে

“অ্যাক্রস দ্য পিরেনীজ” রাফায়েল সাবাতিনি Read More »

“শ্বেতবসনা” উইকি কলিন্স

আটাশ বছর বয়সের ইংরেজ যুবক ওয়াল্টার হার্টরাইট একজন ছবি আঁকার শিক্ষক। তার এক ইতালীয়ান প্রফেসর বন্ধু পেসকার মাধ্যমে লন্ডনের এক অভিজাত জমিদার পরিবারের দুই মেয়েকে আর্ট শেখাবার চাকরি হয় হার্টরাইটের। চাকরিতে জয়েনের ঠিক আগের রাতে ঠিক ১টায় সে যখন মায়ের বাসা থেকে নিজের বাসায় ফিরছিল তখন এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটে। সে ধীরপায়ে হেঁটে ফিরছিল, এমন

“শ্বেতবসনা” উইকি কলিন্স Read More »

“রুপার্ট অব হেনতযাউ” অ্যান্টনি হোপ

(একটা চিঠির গোপনীয়তা রক্ষা করা নিয়ে পুরোটা গল্প, আর গল্পের ভিলেনের নামে এর নামকরণ করা হয়েছে!!) ছোট্ট একটা দেশ রুরিতানিয়া, রাজা ৫ম রুডলফের রাজ্য অভিষেক হবে এখানে। এক ইংরেজ যুবক র‍্যাসেনডিল এসেছেন এই অভিষেক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে, এবং তার আগেই রাজার সাথে ওর দেখা হয়ে যায়। আশ্চর্য ব্যাপার হল র‍্যাসেনডিলের চেহারার সাথে রাজার চেহারার অদ্ভুত

“রুপার্ট অব হেনতযাউ” অ্যান্টনি হোপ Read More »

“আইভানহো” স্যর ওয়াল্টার স্কট

ষোল শতকের ইংল্যান্ডে এই কাহিনীর সূত্রপাত হয়েছিল। এর নায়ক এক দুঃসাহসী বীর আইভানহোর নামানুসারেই গল্পটির নামকরণ করা হয়েছে। আইভানহো ছিল তখনকার রাজা রিচার্ডের ভীষন প্রিয়ভাজন মানুষ। রাজা রিচার্ড তার ভাই জন কে দেশ পরিচালনার ভার দিয়ে  ক্রুসেড যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে আইভানহো নিয়ে। কিন্তু জন আভিজাত্য আর সিংহাসনের লোভে পরে যায়, সাময়িক এই শাসনভার কে স্থায়ী

“আইভানহো” স্যর ওয়াল্টার স্কট Read More »

“কাউন্ট অব মন্টিক্রিস্টো” আলেকজান্ডার দ্যুমা

এই গল্পের শুরুর কয়েকটা পর্ব পড়ার পর হঠাৎ খুব বিষন্নতায় পেয়ে বসেছিল আমাকে, কোনোভাবেই চোখের জল আটকে রাখতে পারছিলাম না আমি। বাধ্য হয়ে পড়া থামিয়ে কিছু সময় জানালার ধারে বসে আকাশ পানে তাকিয়ে অঝোরে চোখের জল ফেলছি আজ। কি যে শূন্য লাগছিল ভেতরটা বোঝাতে পারব না। দুঃখের গল্প তো আরও পড়েছি, এতোটা ইমোশনাল হয়ে যাই

“কাউন্ট অব মন্টিক্রিস্টো” আলেকজান্ডার দ্যুমা Read More »

“নিঝুম দ্বীপে একা” স্কট ও ডেল

এই রিভিউটায় আমি অনেক বিশাল করে সেই গৎবাঁধা গল্প লিখতে চাইছি না। কারণ গল্পটা আমাকে ভিন্ন অনুভূতি দিয়েছে। কিশোর ক্লাসিকগুলো প্রায় সবই পেয়েছি পুরুষ কেন্দ্রিক, যেগুলোতে নারী চরিত্রগুলোকে অনেকটা দুর্বলভাবেই ফুটিয়ে তুলা হয়েছে।  এই প্রথম একটা শক্তিশালী নারী চরিত্রের দেখা পেলাম। তাই সেই নারীর জায়গায় নিজেকে বসিয়ে ভাবার সুযোগও মিলে গেল। ভাগ্যের পরিহাসে অ্যালিউটদের নির্মমতার

“নিঝুম দ্বীপে একা” স্কট ও ডেল Read More »

“অভিশপ্ত হীরা” উইকি কলিন্স

নাম শুনে কিছুটা অনুমান করতে পাড়ছেন কি হীরার মতো একটা মূল্যবান ধাতু অভিশপ্ত হলো কি করে!! তাহলে শুনুন এর রহস্য। ভারতের এক মন্দিরের চন্দ্রদেবতার কপালের ঠিক মাঝে বসানো একটা হলদে হীরা, যার নাম দেয়া হয় ‘মুনস্টোন’ বা ‘চন্দ্রকান্তমণি’। তিন সাধু ছিল এটার রক্ষক, সরাসরি ভগবান বিষ্ণু তাদের স্বপ্নে দেখা দিয়ে আদেশ করেছিল অনন্তকাল ধরে একে

“অভিশপ্ত হীরা” উইকি কলিন্স Read More »

দ্য লাস্ট অব দ্য মোহিকান্স – জেমস ফেনিমোর কুপার

১৭৫০। এর দশকের শেষের দিকের কথা। ফরাসী এবং ব্রিটিশদের মাঝে “নিউ ওয়ার্ল্ড” কে কেন্দ্র করে যুদ্ধ বেঁধেছে। ইংরেজ সেনাবাহিনী কর্নেল মুনরোর নেতৃত্বে ব্রিটিশ ফাঁড়ি ফোর্ট উইলিয়াম হেনরি আক্রমণ করছে। মুনরোর কন্যা অ্যালিস এবং কোরা তাদের বাবার সাথে দেখা করতে ফোর্ট এডওয়ার্ড থেকে রওয়ানা হয়েছিল মেজর হাওয়ার্ডের সাথে। বিপজ্জনক বনাঞ্চল পাড়ি দিচ্ছিল তারা লে রেনার্ড নামক

দ্য লাস্ট অব দ্য মোহিকান্স – জেমস ফেনিমোর কুপার Read More »

দ্য লস্ট কিং রাফায়েল সাবাতিনি

ফরাসি বিপ্লবীদের হাতে বন্দি হলো রাজা লুই, রানী, রাজপুত্র আর রাজকন্যা। দীর্ঘ চার বছর কারাবাসের পর রাজার মৃত্যুদন্ড নিশ্চিত করল  তারা, এবার রানীকেও মেরে ফেলার সুযোগ খুঁজতে লাগল। রাজাকে বিচারের আওতায় এনে মেরে ফেলা সহজ ছিল, কারন রাজা প্রজা স্বার্থবিরুধী কাজ অনেক করেছে। তবে রানীর যেহেতু শাসন কাজে কোনো হাত ছিল না, তাই তাকে শাস্তি

দ্য লস্ট কিং রাফায়েল সাবাতিনি Read More »

“প্রবাল দ্বীপ” রবার্ট ব্যালান্টাইন

রালফ রোভারের পূর্বপুরুষরা সবাই ছিলেন সাগরপ্রেমী। তাই তার রক্তে ছিল সাগর জয়ের নেশা। সাগরের প্রতি গভীর টান তাকে মাত্র ১৫ বছর বয়সেই বাড়ি ছাড়া করেছিল জাহাজে চড়ে দূর সাগর পাড়ি দিয়ে অপার সৌন্দর্যঘেরা প্রবাল দ্বীপ স্বচক্ষে দেখার আকাঙ্ক্ষায়। রালফদের ‘অ্যারো’ নামক সৌদাগরি জাহাজ ভালোই চলছিল। জাহাজে সে নতুন দুজন বন্ধুকেও পেয়ে গেলো, নাম জ্যাক আর

“প্রবাল দ্বীপ” রবার্ট ব্যালান্টাইন Read More »

“ম্যান ইন দ্যা আয়রন মাস্ক” আলেকজান্ডার দ্যুমা

(৩০৮৩ শব্দ) এই গল্পে আমরা এক ভাগ্য বিড়ম্বিত রাজপুত্রের দেখা পাব, যার জন্য আপনার কঠিন হৃদয়ও কেঁদে উঠবে, ভেতরটা অদ্ভুত এক শূন্যতায় ছেয়ে যাবে। তবে শুরু করা যাক। আমার আগের পোস্টে “থ্রী মাস্কেটিয়ার্স” এর রিভিউ যারা পড়েছেন তারা অবশ্যই দারতানিয়াকে চিনে থাকবেন। মার্শাল দ্যা ত্রেভিয়ের মৃত্যুর পর উনার জায়গায় রাজার সবচেয়ে বিশ্বাসভাজন ক্যাপ্টেন হিসেবে স্থান

“ম্যান ইন দ্যা আয়রন মাস্ক” আলেকজান্ডার দ্যুমা Read More »

“থ্রী মাস্কেটিয়ার্স” আলাকজান্ডার দ্যুমা

(আজকে লিখতে পেরেছি ২১৪৫ শব্দ। ১২৮ পেইজের একটা ঐতিহাসিক ঘটনাবহুল গল্পকে মাত্র ২১৪৫ শব্দে কমিয়ে আনতে অনেক চিন্তা ভাবনা করতে হয়েছে। অনেক বড় একটা সময় ইনভেস্ট করতে হয়েছে। তবে প্রতিনিয়ত নিজেকে ছাড়িয়ে যেতে পেরে ভীষন ভালো লাগছে।) দারতানিয়া বাবার দেয়া একটা টাট্টুঘোড়া আর একটা চিঠি নিয়ে বেড়িয়ে পড়ল ফ্রান্সের রাজা ত্রয়োদশ লুই এর একজন মাস্কেটিয়ার্স

“থ্রী মাস্কেটিয়ার্স” আলাকজান্ডার দ্যুমা Read More »

“নভোচারী টম সয়্যার” মার্ক টোয়েন

টম সয়্যার ছেলেটা সব সময় শুধু সুযোগ খোঁজে কি করে গায়ের লোকদের চমকে দিতে পারবে, আর ওদের মুখে মুখে ওর প্রশংসনীয় নাম শুনতে পাবে। তাই পায়তারা করে বিখ্যাত হওয়ার মতো কিছু করার, আর ওর সাথে সব সময় আঠার মতো তো লেগে আছেই বন্ধু হাকলবেরি ফিন। তো এইবার তাদের আকাঙ্ক্ষিত সুযোগ আবারও এসে গেলো। এক পাগলাটে

“নভোচারী টম সয়্যার” মার্ক টোয়েন Read More »

“এরাউন্ড দ্যা ওয়ার্ল্ড ইন এইট্টি ডেইজ” জুল্ ভার্ন

(খুব প্রিয় একটা গল্প আমার এটা। ১৭৫৪ শব্দের পোস্ট লিখেছি, মোটামুটি পুরো গল্পের সব গুরুত্বপূর্ন পার্ট লেখা হয়ে গেছে) গল্পটার নায়ক ফিলিয়াস ফগ লন্ডন রিফর্ম ক্লাবের সদস্য, অসম্ভব রকমের সময়নিষ্ঠ এক অদ্ভুত রহস্যময় ব্যক্তিত্ব উনি। আর এই রিফোর্ম ক্লাবে সব গন্যমান্য ব্যক্তিদের আনাগোনা, সবার অবসর সময়টা এখানেই কাটে। আর ফিলিয়াস ফগের সারাদিনই এখানে কাটে বলতে

“এরাউন্ড দ্যা ওয়ার্ল্ড ইন এইট্টি ডেইজ” জুল্ ভার্ন Read More »

“দ্যা লস্ট ওয়ার্ল্ড” আর্থার কোনান ডয়েল

বিজ্ঞানী চ্যালেঞ্জার দক্ষিন আমেরিকায় অভিযান চালিয়ে এসে এক অদ্ভুত কথা শুনালেন! উনার ভাষ্যমতে প্রাগৈতিহাসিক জীব বিলুপ্ত হয় নি, আমাজনের গহীনের এক বিস্তৃত এলাকা জুড়ে এখনো সেসব প্রানী বিচরণ করছে! উনার এই কথা কে অন্য সব বিজ্ঞানীরা পাগলের প্রলাপ বলে মনে করলেন, এবং এটাই চ্যালেঞ্জার কে খেপিয়ে দিল। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ালো যে, অন্য বিজ্ঞানী এবং সাংবাদিকদের

“দ্যা লস্ট ওয়ার্ল্ড” আর্থার কোনান ডয়েল Read More »

“আঙ্কেল টমস কেবিন” হ্যারিয়েট বীচার স্টো

বইটা প্রথমে পড়েছিলাম আমি স্কুলে থাকতে, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের অনুবাদ ছিল সেটা। আজ আবার পড়লাম আমার সংগ্রহে থাকা অন্য একটা প্রকাশনীর বই থেকে। ১৮৫২ সালে বই টি প্রকাশিত হয়েছিল এবং আমেরিকায় দাসপ্রথার পক্ষে বিপক্ষের লোকদের মাঝে শুরু হয়েছিল তুমুল বিদ্রোহ আর গৃহযুদ্ধ। আর  এর যের ধরেই ১৮৬৫ সালে আমেরিকার সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে দাসপ্রথাকে নিষিদ্ধ ঘোষনা

“আঙ্কেল টমস কেবিন” হ্যারিয়েট বীচার স্টো Read More »

“গোয়েন্দা টম সয়্যার” মার্ক টোয়েন

টম আর হাকলবেরি ফিন জাহাজে করে যাচ্ছিল আরকানসে ওর আঙ্কেলের বাড়ি। সেই জাহাজে হঠাৎ পেয়ে গেলো রহস্যের গন্ধ! জানতে পারল এই জাহাজে করেই যাচ্ছে এক হীরা চুর! ছদ্মবেশে হীরাচুরের সাথে কথা বলে ওকে সাহায্য করার আশ্বাস দিয়ে সে জানার চেষ্টা করতে লাগল আসল ঘটনা টা কি। ওরা ৩জন মিলে ১২ হাজার সমমূল্যের ২টা হীরা চুরি

“গোয়েন্দা টম সয়্যার” মার্ক টোয়েন Read More »

“গালিভার্স ট্র‍্যাভেল” জোনাথান সুইফট

এই বইটা লেখক সেই ১৭২৬ সালে লিখেছিলেন। বইটা কে আপাত দৃষ্টিতে যাস্ট একটা মজার বই মনে হলেও, এর প্রতিটি অংশবিশেষ বেশ মিনিংফুল অর্থবহন করে। লেখক জোনাথান সুইফট তখনকার মানুষ আর সমাজব্যবস্থার অসামঞ্জস্যতা নিয়ে খুব নাখোশ ছিলেন। এই বই এর মাধ্যমে তিনি সমাজ এবং মানুষের বিভিন্ন অসংগতিগুলোকে ব্যাঙ্গাত্মক রূপ দিয়েছেন। এই উপন্যাস কয়েক শতাব্দী আগেকার লেখা

“গালিভার্স ট্র‍্যাভেল” জোনাথান সুইফট Read More »

“এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী” – এরিখ কাস্তনার

এমিল গাঁয়ের ছেলে , স্কুল ছুটি তাই যাবে জার্মানের বার্লিনে ওর খালার বাড়িতে বেড়াতে। ওর বাবা নেই, মা-ই সব। যেহেতু বাবা নেই, সংসার আর এমিলের পড়াশোনার খরচ ওর মা কে অনেক কষ্ট করে যোগাতে হয়। বাসারই একটা রুমে ছোট্ট পার্লার যেখানে শুধু মেয়েদের চুলের পরিচর্চা করে ওর মা মিসেস টিশবাইন, এই করেই সামান্য যা টাকা

“এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী” – এরিখ কাস্তনার Read More »

ভিক্টর হুগোর “লা মিজার‍্যাবল” – ৩

ভীষণ ব্যস্ত একটা দিন কেটেছে। সকালেই ফরাসী লেখক ভিক্টর হুগোর “লা মিজার‍্যাবল” পড়ে শেষ করেছিলাম, কিন্তু আর লেখার সময় করে উঠতে পারিনি। এটা নিয়ে আমার আগের দুইটা পোস্ট যারা পড়েছেন তারা গল্পের অনেকখানিই জেনে ফেলেছেন, তাদের জন্যই এর একটা প্রপার ফিনিশিং দেয়া দরকার। জাঁ ভ্যালজাঁ আর মঁসিয়ে মাদেলিন দুইটা চরিত্রের কথা আমার গত দুই পোস্টে

ভিক্টর হুগোর “লা মিজার‍্যাবল” – ৩ Read More »

ভিক্টর হুগো’র “লা মিজার‍্যাবল” – ২

ভিক্টর হুগো’র “লা মিজার‍্যাবল” থেকে নেয়া একটা অংশ এবং শিক্ষা- (এটা অনেকটা বিজনেস কেইস স্টাডির মতো ব্যাপার, এই ঘটনাটার সাথে দারুণ একটা সাদৃশ্য খুঁজে পাবেন।) ছোট শহর ‘এম’। মাত্র দুই হাজার লোকের বাস এখানে,যার অধিকাংশই বিশেষ কুটিরশিল্প অবলম্বন করে জীবিকা নির্বাহ করে। তেমন আহামরি কোনো শিল্প নয় সেটা, শুধুমাত্র নানান রং এর পুঁতি তৈরী করা।

ভিক্টর হুগো’র “লা মিজার‍্যাবল” – ২ Read More »

ভিক্টর হুগোর “লা মিজার‍্যাবল” – ১

এতে শেখার মতো অনেক কিছু আছে। গল্পটার শুরু হয়েছে এক গরিব কাঠুরে জাঁ ভ্যালজাঁ কে নিয়ে যে ছিল প্রচন্ড শক্তিশালী আর পরিশ্রমী, নিষ্ঠাবান মানুষ যে কোনো ঝামেলায় মুষড়ে পরে না, কাঠ যত শক্তই হোক জাঁ সেটাকে চিরতে ভয় করেনা, যতক্ষনই কাজ করতে হোক না কেনো কখনোই সে কাজে একবিন্দু ফাঁকি দেয় না। শহরের লোক তাই

ভিক্টর হুগোর “লা মিজার‍্যাবল” – ১ Read More »

চার্লস ডিকেন্সের “অলিভার টুইস্ট”

গল্পটা আগেও পড়েছি, তাই দ্রুত শেষ করে ফেলতে পেরেছি। রাইটার চার্লস ডিকেন্স খুব দরিদ্র পরিবারের সন্তান ছিলেন, আমি পড়তে পড়তে অলিভার টুইস্টের মাঝে যেন উনার জীবনেরই প্রতিচ্ছবি দেখতে পেলাম। তখনকার ইংল্যান্ডের সেই ভিক্টোরিয়া আমলের সমাজব্যবস্থার বিভিন্ন স্তরের মানুষগুলোর জীবনের বাস্তব চিত্র অনেকটা উঠে এসেছে এই গল্পটায়। দুর্ভাগ্যবশত অলিভার টুইস্টের জন্ম হয় এক অনাথ আশ্রমে, জন্ম

চার্লস ডিকেন্সের “অলিভার টুইস্ট” Read More »

“মেন এগেইনস্ট দ্যা সী”

“মেন এগেইনস্ট দ্যা সী” খুব সকালেই শেষ করে ফেলেছি এটা। এটাকে “বাউন্টিতে বিদ্রোহ” গল্পটার সিক্যুয়েল বলা যায়। বাউন্টি নামক জাহাজের ক্যাপ্টেন ব্লাই এর অতিরিক্ত কড়া নিয়মের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে কিছু অফিসার আর নাবিকরা বিদ্রোহ করে জাহাজটাকে দখল করে নেয় এবং ছোট একটা লঞ্চে করে ক্যাপ্টেন এবং তার সমর্থকদেরকে নামিয়ে দেয়া হয় বিশাল প্রশান্ত মহাসাগরে। বিদ্রোহীদের

“মেন এগেইনস্ট দ্যা সী” Read More »

“বাউন্টিতে বিদ্রোহ”

“বাউন্টিতে বিদ্রোহ” ১৭৮৭ সাল। রজার বিয়্যামের বাবা রয়্যাল সোসাইটির ফেলো মারা গেলেন হঠাৎ প্লুরিসি রোগে আক্রান্ত হয়ে। একমাত্র মা-ই ছিল তার আপনজন। হঠাৎ বাবার বন্ধু জোসেফের কাছ থেকে ওর মায়ের কাছে একটা চিঠি এলো যে, ক্যাপ্টেন কুকের এক সহযোগী ল্যাফটেনেন্ট ব্লাই উনাদের বাড়িতে বেড়াতে আসতে চান। তখন রজার বিয়্যাম মাত্র ১৭ বছর বয়সের এক টগবগে

“বাউন্টিতে বিদ্রোহ” Read More »

“দুঃসাহসী টম সয়্যার”

“দুঃসাহসী টম সয়্যার” প্রথম দুই পার্ট পড়ে থামলাম দুষ্ট বালক টমও যে মানব চরিত্রের দুটো বড় সত্যকে আবিষ্কার করে ফেলেছে সেটা আপনাদেরকে জানাতে। টম এক কথায় দুষ্টের শিরোমনি। মা-বাবা নেই, খালার কাছে বড় হচ্ছে, কিন্তু খালা কোনো ভাবেই এই বেয়াড়া ছেলেকে বাগে আনতে পারে না। একদিন এক বুদ্ধি আটল খালা যে, টমকে কঠিন একটা কাজ

“দুঃসাহসী টম সয়্যার” Read More »

“সুইস ফ্যামিলি রবিনসন”

আচ্ছা আমি তো “সুইস ফ্যামিলি রবিনসন” এর ফিনিশিং দেই নি! পড়ে শেষ করেছি কয়েকদিন আগেই, লিখব লিখব করে দেরী হয়ে গেলো। গল্পটা আমাকে ভীষণ পরিতৃপ্ত করেছে। একাকী একটা পরিবারের নির্জন এক দ্বীপে সফলভাবে  কাটিয়ে দেয়ার ১০ বছর পূর্তিতে গল্পটার সমাপ্তি ঘটেছে। একটানা ১০টা বছর সভ্যতার বাইরের একটা দ্বীপে পুরো পরিবার নিয়ে এভাবে কাটিয়ে দেয়া চাট্টিখানি

“সুইস ফ্যামিলি রবিনসন” Read More »

“সুইস ফ্যামিলি রবিনসন”

“সুইস ফ্যামিলি রবিনসন” আজ আবার গল্পটার ৮৪ তম পেইজে এসে আমি থামলাম কিছু লিখার জন্য। আসলে থামতে বাধ্য হলাম বলতে হয়, কারণ এটুকু অংশ শেয়ার না করে থাকা যাচ্ছিল না। আপনারা জানেন রবিনসন, তার স্ত্রী এলিজাবেথ, আর তাদের ৪ ছেলে আটকা পড়েছে একটা দ্বীপের মাঝে। একাকী একটা পরিবারকে সম্পূর্ন নতুন একটা পরিবেশে টিকে থাকার জন্য

“সুইস ফ্যামিলি রবিনসন” Read More »

সুইস ফ্যামিলি রবিনসন

কাজের ফাঁকে ফাঁকে “সুইস ফ্যামিলি রবিনসন” পড়ছি গতকাল থেকে। আজ শেষ হয়ে যাবে ভেবেছিলাম, কিন্তু হলো না। ৬০ পেইজ পর্যন্ত পড়ে থামলাম, একটা ঘটনা নিয়ে লিখতে ইচ্ছে হলো। রবিনসনের বড় ছেলে একটা কচ্ছপ শিকার করেছে, বিশাল কচ্ছপ থেকে প্রচুর মাংস পেয়েছে তারা, আর পেয়েছে বিশাল খোলস। রবিনসন তার ৪ ছেলের মতামত জানতে চাইল এই খোলসটা

সুইস ফ্যামিলি রবিনসন Read More »

“আমিও পারি”

“আমিও পারি” বইটা লেখক অ্যালান মার্শালের ছোটবেলার গল্প নিয়ে লেখা, আত্মজীবনীই বলা যায়। গতকাল মোমবাতির আলোয় গল্পটা পড়ে শেষ করেছি, হাজারো প্রতিকূলতার ভেতরেও কিভাবে উঠে দাঁড়াতে হয় এই গল্পটা আমায় তাই শিখিয়েছে। আমিও কাল একটা প্রতিকূল অবস্থায় থেকেই গল্পটা পড়েছি, তাই এর স্বাদ আরও ভালোভাবে ফিল করতে পেরেছি৷ এই গল্পটা পড়ে নিজেকে নিয়ে আপনার লজ্জা

“আমিও পারি” Read More »

জেন অস্টিনের “এমা”

নাহ!!! “এমা” মেয়েটা যথেষ্ট ভোগাল আমায়!!!! মেয়েটা যে এতো বোকা, বাবা!! কি জগাখিঁচুড়ি অবস্থাটাই না পাকাল, মাথাটা আমার পুরা জট পাকিয়ে দিয়েছে। এমনি কোনো অনুবাদ বই পড়লে চরিত্রগুলোর নাম আমি মনে রাখতে পারিনা, আর এখানে এমা আর তার বান্ধবী হ্যারিয়েট কে ঘিরে থাকা চরিত্রগুলো তো মোটামুটি আমার ব্রেনের উপর ভালো অত্যাচার চালিয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

জেন অস্টিনের “এমা” Read More »

জেন অস্টেনের “এমা”

বইটির নামকরণ করা হয়েছে এর প্রধান চরিত্র “এমা’র নামে। এমা খুব স্ট্রং উইমেন পার্সোনালিটি। সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে হিসেবে অহংবোধটাও তার মাঝে বেশ পরিলক্ষিত হয়েছে, যা তাকে তার ক্লাস থেকে নীচু ক্লাসের লোকদের থেকে দূরে রেখেছে, অনেকটা আমাদের দেশের সমাজব্যবস্থার মতোই কিন্তু। আমাদের দেশেও যেমন বৈবাহিক ক্ষেত্রে সেইম ক্লাস, সেইম স্টেটাসের সম্বন্ধ খোঁজা হয়, উচ্চশ্রেণির ছেলেমেয়েরা

জেন অস্টেনের “এমা” Read More »