Story Name   :  A Double-Dyed Deceiver (এ ডাবল ডাইড ডিসিভার)
Written  by    :  O. Henry

লিয়ানো কিডের জন্য লোরেডোতে এক সমস্যা শুরু হয়েছে । মেক্সিকানদের হত্যার জন্য তাঁকে আটকে রাখা উচিত , কিন্তু ছেলের বয়স মাত্র বিশ বছর । রিও গ্র্যান্ডে বর্ডারে এই ধরণের ছেলেদের , ডাকাত খুনের তালিকায় নাম থাকাটা মেক্সিকানদের কাছে লজ্জাজনক ব্যাপার । ।

জাস্টো ভালডোর জুয়ার আড্ডাতে এটি ঘটেছে । সেখানে তাসের খেলা চলছিলো । খেলার চারদিকে ঘিরে যারা বসেছিলো তারা সবাই বন্ধু ছিলো না । মনে হচ্ছে , সে দৌড়াবে , আর তাকে শুট করার জন্য দূরে সবাই দাঁড়িয়ে আছে । তাসের জোড়া বিবির ছোট খাট সারি রাখা ছিলো । সিগারেটের ধোঁয়া চারিদিকে , ধোঁয়াটে ভাব পরিষ্কার হতেই একটা অঘটন ঘটে গেলো । ছেলেটি এক অঘটন ঘটিয়ে ফেলেছে । তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীরা তাঁকেই দোষ দিয়েছে । অভাগা যোদ্ধার , খামার থেকে বেড়ে উঠা ছেলে চাষা শ্রমিক হওয়ার সত্ত্বেও , তাঁর গায়ে ছিলো উঁচু বংশীয় রক্ত , বন্ধু বান্ধব , জয়ের নেশায় মাতোয়ারা । ষোল ইঞ্ছির বাইরে ডান কানে গুলি করতে যেয়ে , বন্দুক খামখেয়ালিভাবে দাড় করাতে যেয়ে গুলি লেগে যায় ।

ছেলেটার কোন দল ছিল না , ছিল না কোন ধরণের সমর্থক । বিচারের কাঠগড়ায় শাস্তিকে উপেক্ষা করার মতন তাঁর কোন ধরণের ক্ষমতাও ছিল না ।

শাস্তি সেবার জন্য লোকজন দ্রুত ছুটে আসলো , তাঁকে খুঁজে বেড়ালো । তাদের মধ্যে তিনজন তাঁকে রড স্টেশনে পেলো । বাচ্চাটি ঘুরে দাঁত বের করে হাসি দিয়ে তাদের প্রতি ভেংচি কাটলো । তাঁর অনুসারীরা তাঁকে ফেলে পালিয়ে যায় , একবারও চিন্তা করলো না তাঁর কোন সাহায্যের প্রয়োজন হবে কিনা ।

কিন্তু এই ক্ষেত্রে ব্যাপারটা একটু ব্যাতিক্রম ছিল । বালকটি মারামারির জন্য মনে তেমন হিংস্রতা ছিল না , যেটা যুদ্ধে ঘটে থাকে । লোকজন যেভাবে ধরে নিলো , তাঁকে দেখতে চিকন , বাদামি বর্ণের বালকের মতন লাগছিলো , তাঁর খামখেয়ালির জন্য বুলেট সরে গাঁয়ে লেগে গিয়েছে । এখন সে কোন ধরণের রক্তপাত চায় না । তাঁর এখন চলে যেতে ইচ্ছে করছে , সবুজ ঘাসে রুমাল বিছিয়ে লম্বা একটা ঘুম দিতে মন চাচ্ছে ।

কিডকে উত্তর দিকে যাত্রীবাহী ট্রেনে রাখা হয়েছে । পাঁচ মিনিট পরে ট্রেনটি ছেড়ে যাবে । কিন্তু ওয়েবে , যাত্রীর জন্য ট্রেন থামতেই সে পালিয়ে গেলো । সামনে একটি টেলিগ্রাফ স্টেশন ছিল , আড়চোখে বিদ্যুৎ , বাষ্পের দিকে তাকালো । পাথরের উপর দিয়ে হাঁটার শুবিধার জন্য পায়ে ছিল স্যাডল এবং স্পার ।

যাকে সে গুলি মেরেছিলো , তাঁকে সে চিনতো না । কিন্তু বালকটি জানতো , সে স্পেইনের হিডালগো থেকে এসেছিলো , গায়ে কার্লিটোস পোশাক ছিল । যারা নিষ্ঠুরভাবে ঘুসি মারছিলো তারা কেন্‌টাকি জাতির চেয়ে আরও হিংস্র ছিলো । তাই , সে চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিলো , ভালো কৃষকদেরকে চিহ্নিত করে যতগুলো সম্ভব দল গঠন করবে । তারপর শয়তানগুলোর প্রতিশোধ নিবে ।

স্টেশনের কাছেই একটি দোকান ছিল , দোকানের সামনে মস্কোইটস , বেদারুগাছ ছড়িয়ে ছিল , আর ক্রেতাদের জিন পরানো ঘোড়া ছিল । তাদের বেশির ভাগ অনেকক্ষন ধরে অপেক্ষা করছে , ঘুমে তাদের মাথা ঝুঁকে পড়ছে । কিন্তু একটি ঘোড়া বাঁকা গলায় চিঁহিহি ডাক করছিলো , আর মাটিতে খাবলাচ্ছিলো । বালকটি সেই ঘোড়ার উপর উঠে পড়ে , চাবুক দিয়ে আস্তে করে বাড়ি দিয়ে চলতে শুরু করলো ।

কার্ড প্লেয়ারের হঠকারিতার খুনের জন্য ছেলের নাগরিকত্ব এখন প্রশ্নের মুখে , তাঁর আত্মসম্মান এখন কালো মেঘে ঢাকা পড়ে আছে । রিও গ্র্যান্ডে বর্ডারে যদি আপনি মানুষের জীবন নেন ,তাহলে আপনাকে নির্বাসনে যেতে হতে পারে । কিন্তু আপনি যদি কারোর ঘোড়া নেন , তাহলে আপনি কাউকে গরীব করে দিলেন , আর যদি , ধরা পড়েন ,তাহলে আপনি ধনী হতে পারলেন না । ব্যাপারটা এইটাই । কিন্তু বালকটির আর কোন উপায় নেয় ।

ঘোড়ার লাফানোর ঝাঁকুনিতে সে কিছুটা অস্বস্তি বোধ করছিলো । পাঁচ মাইল ছোঁটার পর , ঘোড়া নিয়ে কদমে কদমে চলে উত্তর-পূর্ব দিকে নুইসেস নদীর দিকে গেলো । সে এই দেশটিকে ভালো করেই চিনে । অনেক এলোমেলো পাকানো রাস্তা , নাশপাতি এবং ঝাউগাছ, লতা পাতায় রাস্তা ঢেকে আছে । শিবির স্থাপন বা একাকী থাকার জন্য এটির চেয়ে নিরাপদ জায়গা আর হতে পারে না । পূর্বদিকে সে সব সময় গর্ত খুড়ে রাখে । বালকটি কোনদিন সাগর দেখে নি । সাগরে হাত ছড়িয়ে জলক্রীড়ার আনন্দ তাঁকে মাত করে রাখতো ।

তিনদিন পর , সে কর্পাস ক্রিস্টির তীরে দাঁড়িয়ে শান্ত সমুদ্রের ঢেউ উপভোগ করছে ।

স্কুনের /ফ্ল্যাওয়ায়ের ক্যাপ্টেন বুনি , তাঁর নৌকার কাছে দাঁড়িয়ে আছে । তাঁর দলের একজন তীরে নৌকা গার্ড দিচ্ছে । যখনই সে পাল তুলতে লাগলো , তাঁর জীবনের এক প্রয়োজনীয় জিনিষ আবিষ্কার করলো , সামান্তরিকারে তামাকের প্লাগ , প্রায় ভুলে যেতে বসেছে । কার্গো হাতছাড়া হওয়ায় এক নাবিককে পাঠানো হয়েছে । একই সময়ে , বালুতে পায়চারি করছে , আর পকেটে যা রাখা আছে তা চিবোচ্ছে ।

এক পাতলা শক্ত সামর্থ্য যুবক , পায়ে হাই হিল বুট পড়ে তীরে নেমে এসেছে । বালকসুলভ তাঁর চেহেরা , কিন্তু অকালের কষ্ট তাঁকে দক্ষ করে তুলেছে , গায়ের রঙ কালো , রৌদ্রের তাপ তাঁকে কফির মতন বাদামি রঙের করে দিয়েছে । ইন্ডিয়ানদের মতন তাঁর চুল কালো এবং সোজা ধরণের । মুখ এখনো দাঁড়ি কামানোর মতন হয় নি । চোখ ঠাণ্ডা , নির্লিপ্ত নীল রঙের । মুক্তো বোঝাই বা যে কোন কিছু বোঝার জন্য বাম কাঁধ ব্যবহার করে সে । তাঁর কাঁধে ভারি বোঝা দেখে শহরের সেনাপতি ৪৫ সেকেন্ড ধরে তাঁর দিকে ভ্রূ কুঁচকে তাকিয়ে ছিলো । চীনা সম্রাটের মতন ভাবলেশহীন অবস্থার মতন সাগরের ক্যাপ্টেন বুনির দিকে উদাস ভাবে তাকালো ।

“সাগরটি কিনে ফেলবো , কি বলো বন্ধু ? ” ক্যাপ্টেন রসিকতা করে জিজ্ঞেস করলো ।

“কেনো না “, বালকটি ভদ্রভাবে বললো । “আমার ঠিক আন্দাজ নেই এই ব্যাপারে । এই প্রথম দেখেছি এটি । আমি শুধু তাকিয়ে দেখছিলাম , বিক্রি করার চিন্তা করি নি । আপনি ?”

“এই যাত্রায় না । বুয়েনস টিএরর্স থেকে c.o.D ফেরত পেয়ে , আমি তোর কাছে পাঠাবো । গাধার বাচ্চা আসছে আমাকে শিক্ষা দিতে । আমার আরও এক ঘণ্টা আগে নোঙ্গর তোলা উচিত ছিল । ”

” বাইরের জাহাজটা কি আপনার ?” ছেলেটা জিজ্ঞেস করলো ।

” হ্যাঁ , কেন ?” ক্যাপ্টেন জিজ্ঞেস করলো । ” তুই যদি ভুল করে জাহাজকে পাল-তোলা বলিস , আমি মনে কিছু নিবো না । কিন্তু জমিদার বললে খারাপ হয় না , পুরাই , ক্যাপ্টেন স্যামুয়েল কে: বুনি ”

“আপনারা কোথায় যাচ্ছেন ?” শরণার্থী জিজ্ঞেস করলো ।

“বুয়েনস টিএরর্স , দক্ষিন আমেরিকার উপকূল – আমি ভুলে গেছি তারা শহরকে কি বলে , গতবার আমি ছিলাম । কার্গো – কাঠ, লোহা ও রামদা ।

“কি ধরণের দেশ এটি ? গরম বা ঠাণ্ডা ?” ছেলেটা জিজ্ঞেস করলো ।

“নাতিশীতোষ্ণ ,ছোকরা ” কিন্তু আগের সেই সৌন্দর্য হারিয়ে গেছে , সেখানে রাঙ্গা পাখির রূপকথার গান শুনতে শুনতে ঘুম থেকে ওঠা , সুবাসিত বাতসের গন্ধে চারিদিক আচ্ছন্ন করে থাকে । সেখানকার অভিবাসীরা কাজে যায় না কখনো । তাদের ঘর থেকে হাত বের করলেই ঝুলি ভর্তি ফল পেয়ে থাকে। তাদের কষ্ট নেই , নেই বরফ , কষ্ট -দুঃখ কিছুই নেই । শান্তিতে ঘুমানোর জন্য এটি অনেক ভালো জায়গা । বনায়ন ট্রি , কমলা , হারিকেন , পাইনআপেল যা খাস্‌ তা ওইখান থেকেই আসে । ”

“দারুন ব্যাপার তো !! ” বাচ্চা বললো , পরে উৎসাহ দমন করে বললো , “আপনার সাথে আমাকে যেতে হলে কতো টাকা লাগবে ? ”

“চব্বিশ ডলার ” ক্যাপ্টেন বুনি বললো । ” থাকা খাওয়া আর যাওয়ার ভাড়া । দ্বিতীয় কেবিন । আমি প্রথম কেবিন এখনো পাই নি । ”

“আমি আপনার সাথে আছি ” ছেলেটি চামড়ার ব্যাগ টানতে টানতে বললো ।

তিনশ ডলার দিয়ে সে তাঁর নিয়মিত যাত্রা লরেডোতে গিয়েছে । তাঁর ভালদোসের দ্বন্দ খুশির কারনে মনে কিছুটা কমে এসেছে । কিন্তু চিকিৎসা ঔষুধের খরচাবাদির জন্য তাঁর কাছে ২০০ ডলার আছে । তাই আরও তাড়া বোধ করছিলো ।

“ঠিক আছে , ছোকরা ” ক্যাপ্টেন বললো । ” তোমার এইরকম করে পালানোর কথা শুনলে মনে হয় না তোমার মা তোমাকে বকবে ” সে নৌকার এক ক্রুকে ডাকলো . “সানচেজ তোমাকে ডাঙ্গা নৌকায় তুলে দিবে যাতে তোমার পা না ভিজে । ‘

——-

থ্যাকার , বুয়েনস টিএরর্সের আমেরিকার দুত , এখনো মাতাল হয় নি । ১১ টা বাজে মাত্র , তাঁর পরম স্বর্গীয় স্থানে কখনো আগে আসে নি , এক জায়গা যেখানে বিভিন্ন ধরণের মাতাল ধরণের গান , হৈ চৈ , ধাপাধাপি — যতক্ষণ না বিকাল হয় ততক্ষণ চলতেই থাকে । কাশতে কাশতে সে বিছানা থেকে উঠে তাকায় , দেখে ছেলেটি দূতাবাসের দরজার কাছে দাঁড়িয়ে আছে । মাতাল হলেও দেশের প্রতিনিধি স্বরুপ , ভদ্রতা , সৌজন্যতা দেখানোর মতোন অবস্থা তাঁর ছিলো । ” আর গোলমাল করবেন না । ” ছেলেটি সাবলীলভাবে বললো । আমি হঠাৎ করে এসেছি । তারা আমাকে বললো , শহরে রাউন্ড আপ শুরু করার আগে নিয়ম অনুযায়ী ক্যাম্পে লাইট জ্বালাতে হবে , আমি এখন মাত্র জাহাজে করে টেক্সাস থেকে এসেছি ।

“আপনাকে দেখে খুশী হলাম , জনাব , — ” দুত বললেন ।

ছেলেটা হাসলো , পরে বললো ” স্প্রেগ ডলটন্‌ । এটা শুনে মজা” পেলাম , আমাকে রিও গ্র্যান্ড দেশে লিওয়ানো কিড বলে ডাকে । ”

“আমি থ্যাকার । ” দুত বললেন । ” ঐ বেতের মোড়াটা নিয়ে বসো । তুমি এখানে ইনভেসট করতে এসেছো , তুমি চাচ্ছো কেউ যাতে তোমাকে উপদেশ দিক । নৌকার মাঝিদের মতিগতি না বুঝলে , তারা আপনাকে ঠকাবে । ”

“অনেক কৃতজ্ঞ , ” বালকটি বললো । ” এটি যদি আমার জন্য পর্যাপ্ত না হয় তাহলে আমি এক মুহূর্তের জন্য বাঁচতে পারবো না । ” তাঁর ব্যাগ বের করে সিগারেটে একটি টান দিলো ।

” তারা স্প্যাইন ভাষায় কথা বলে । ” দুত বললন । ” তোমার একজন দোভাষী লোক দরকার । যদি এই ব্যাপারে আমার কিছু করতে হয় , তাহলে আমি খুশী হবো । যদি তুমি ফলের দোকান কিনতে চাও অথবা কোন ব্যাপারে কিছু দান করতে করতে চাও , তাহলে তোমার এক জন লোক দরকার যে কিনা পথঘাট ভালো চিনে । ”

“আমি স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলতে পারি । এমনকি ইংরেজির চেয়ে ভালো বলতে পারি । আমি যেখান থেকে এসেছি , সেখানে সবাই এই ভাষায় কথা বলে। আর ,আমি কোন ধরণের ব্যবসার মধ্যে নেই । ” কিড বললো ।

“তুমি স্প্যানিশ বলতে পারো ? ” থ্যাকার চিন্তিতভাবে বললেন । তারপর , তিনি বালকটির দিকে ভালোকরে তাকালেন ।

“তোমাকে দেখতে তো স্প্যানদের মতন লাগে । ” তিনি বলতে থাকলেন । ” আপনি টেক্সাস থেকে , আর তোমার মনে হয় বিশ – একুশ বছরের বেশি হবে না । তুমি কি বিরক্ত হচ্ছো ? ”

“আপনার কি কোন ব্যাপারে ডিল করতে কোন ধরণের অসুবিধা হয়েছে ? ” ছেলেটি বললো ।

“তুমি কি কোন প্রস্তাব দিতে চাচ্ছো ? ” থ্যাকার বললো ।

“কি করতে এটি অস্বীকার করবো ?” বালকটি বললো । ” আমি ল্যারিডোতে বন্দুকযুদ্ধে জড়িয়ে গিয়েছিলাম , ফর্সা রঙের একজনকে খতম করে ফেলেছি । সেখানে আমার কোন ম্যক্সিকান সাহায্য ছিল না , আমি এইখানে তোমার পশুপাখির জায়গায় আসার কারণ শুধুমাত্র সকালটা উপভোগ করতে , আর ফুলের সুভাস নিতে । এখন , আপনার সব জানা হয়েছে ? ”

থ্যাকার উঠে দরজা লাগিয়ে দিলো ।

“তোমার হাতটি একটু দেখি ” তিনি বললেন ।

তিনি হাত তাঁর কাছে টেনে পিঠের দিক পরীক্ষা করলেন ।

“আমি এটি করতে পারবো ” তিনি খুশীতে বললেন । ” আপনার মাংস কাঠের মতন শক্ত , শিশুর মতন স্বাস্থ্যবান । এক সপ্তাহে এটি ভালো হয়ে যাবে । ”

” আপনি যেটা চাচ্ছেন ,সেটা মুষ্টি যুদ্ধের জন্য । ” কিড বললো । ” টাকা এখন দেয়া লাগবে না । বন্দুকের কাজ করেন , আমি আপানার সাথে থাকবো । কিন্তু লেডিস্‌ টি-পার্টির মতন খালি হাতে মারামারি আমার জন্য না । ”

” তার চেয়ে এটি অনেক সোজা । ” থ্যাকার বললেন । “তোমাকে শুধু সেখানে থাকতে হবে , পারবে ?”

জানালা দিয়ে পুরো বাড়িটি সে দেখলো । পাহাড়ের উপর দুই তলা সিমেন্টের সাদা রঙের বাড়ি , চারিদিকে সবুজ গাছ-পালা ।

“ঐ বাড়িতে । ” থ্যাকার বললেন । “এক বৃদ্ধ ভদ্র ক্যাস্টালিয়ান তোমাকে জড়িয়ে ধরার জন্য , তোমার পকেট টাকা দিয়ে ভর্তি করার জন্য আকুল হয়ে আছে । বৃদ্ধ স্যানটোস ইউরিক সেখানে থাকে । দেশের অর্ধেক সোনার খনি তাঁর দখলে । ”

“আপনি মনে হয় অনেকদিন লোকো উইড খান নাই ?” কিড জিজ্ঞেস করলো ।

” আবার একটু বসো । ” থ্যাকার বললেন , ” আমি তোমাকে বলছি । বারো বছর আগে তারা ছেলেকে হারায় । না , সে মরে যায় নি — যদিও এখানে সবাই মাটির পানি পান করে । সে ছোটখাট শয়তান প্রকৃতির ছেলে ছিল । কম করে হলেও আট বছরের মতন হবে । সবাই তাঁর কথা জানে । কিছু অ্যামেরিকান সিনর ইউরিকের জন্য সোনা পরীক্ষা করতে এসেছিলো । সে ছেলেটি তাদের পছন্দের ছিলো । তারা তাদের দেশ সম্বন্ধে অনেক রঙিন গল্প তাঁকে শুনিয়েছে , এক মাস পর তারা চলে গেলো । ছেলেটাও উধাও হয়ে গেলো । সে মনে হয় কলা বহনকারী স্টিমারে করে নিউ অরল্যান্ডের দিকে চলে গিয়েছে । তাঁকে পরে টেক্সাসে দেখা গিয়েছে নাকি শুনেছি । ওল্ড ইউরিক তাঁকে খোঁজার জন্য হাজার হাজার ডলার খরচ করেছে । ম্যাডাম একদম ভেঙ্গে পড়েছে । ছেলেটাই তাঁর সব ছিলো । এখনো তাঁর জন্য কাঁদে । কিন্তু তারা মনে করে , ছেলে একদিন তাদের কাছে ফিরে আসবে । বাম হাতের পিছনে থাবা দিয়ে বর্শা ধারণ করা এক ঈগলের উল্কি আঁকা ছিল । এটি পুরান ইউরিকের চিহ্ন , যা থেকে বুঝা যায় যে সে স্প্যানের অধিবাসী । ”

বালকটি তাঁর বা হাত উঠিয়ে ভালো করে তাঁর হাত দেখতে থাকলো ।

” এই তো ” থ্যাকার ডেস্কে মদ আনতে আনতে বললো । ” তুমি এখন খুব ধীর না । আমি এটি করতে পারবো । সান্দাকানে কি জন্য দুত ছিলাম তা আমার জানা নাই । এক সপ্তাহের মধ্যে আমার কাছে ব্যাঙের সাথে ঈগল স্টিকার থাকবে । তুমি কি মনে করো , তুমি সেটা নিয়ে জন্ম নিয়েছো । আমি এক সেট সুচ এবং কালি কিনে এনেছি কারন আমি জানতাম একদিন তুমি আসবে , জনাব ডাল্টন । ”

“অহ্‌ , কি সব আজে বাজে কথাবার্তা । ” কিড বললো । ” আমি কি আপনাকে আমার নাম বলেছিলাম !!”
“ঠিক আছে , কিড । এটি করতে খুব একটি দেরি হবে না । যদি সেনেরিটো ইউরিক হও , তাহলে কেমন হবে ? ”

“আমার মনে পড়ে না , আমার কোনদিন পুত্রের অভিনয় করেছি কিনা । ” ছেলেটি বললো । ” যদি আমার মা-বাবার কথা বলতে হয় তাহলে প্রথম ভ্যা ভ্যা করতেই তারা আলাদা হয়ে গিয়েছে । এক সাথে করার জন্য আপনার প্ল্যান কি ?”

থ্যাকার কিছুটা দেয়ালে হেলান দিয়ে তাঁর গ্লাসটা একটু উপরে তুললো ।

“এখন আসল ব্যাপারে আমরা এসেছি । প্রশ্ন হচ্ছে , এই ব্যপারে তুমি কতদুর যেতে পারবে । ” তিনি বললেন ।

“আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করেছি , আমি কি জন্য এখানে এসেছি । ” বালকটি সহজভাবে উত্তর দিলো ।

” উত্তম , অতি উত্তম । ” দুত বললেন । ” কিন্তু তোমাকে অত দূর যেতে হবে না । এইটাই ফন্দি । যখন আমি তোমার হাতে ট্যাটু দেখবো , আমি বৃদ্ধ ইউরিককে তা দেখাবো । একই সময় , আমি তোমাকে তাদের সমস্ত ফ্যামিলর ইতিহাস বলবো । তাহলে তুমি কথা বলতে সুবিধা হবে । তোমার সে ধরণের চেহারা আছে , স্পানিশ ভাষায় কথা বলতে পারো । তুমি জানো ব্যপারটা , তুমি টেক্সাস সম্মন্ধেও বলতে পারবে । যখন আমি বলবো , তাদের উত্তরসূরি ফিরে এসেছে তাদের কাছে বা ক্ষমা চাইতে , তাহলে কি ঘটবে ? তখন তারা তোমার কাছে ছুটে এসে , তোমাকে জড়িয়ে ধরবে । তারপর যাত্রাপালার বিরতির মতন পর্দা পড়বে , লবিতে সবার বিচরন শুরু হবে । ”

“আমি অপেক্ষা করছি । ” কিড বললো । “পার্টনার , আমি আপনার কাছে আগে কখনো আসে নি , আগে তোমার সাথে দেখাও করি নি , কিন্তু আপনি যদি মাতাপিতার আশীর্বাদ দিতে চান , তাহলে আমি সুযোগ হাত ছাড়া করবো না । এখানেই শেষ । ”

“ধন্যবাদ ” দুত বললেন । ” আমি অনেক দিন পর কথার সাথে কাজের মিল রাখার মতন কাউকে পেলাম । বাকিটুকু অনেক সোজা । যদি তারা তোমাকে নিয়ে নেই , তাহলে পরে আর কোন চিন্তা নেই । তাদেরকে তোমার বাঁ কাঁধে স্ট্রবেরি মার্ক খুঁজে পাবার সময় জন্য দিবে না । বৃদ্ধ ইউরিক ঘরের যে কোন কোনায় ৫০ হাজার থেকে এক লাখ ডলার নিরাপদে রাখে , মনে হয় তুমি জুতার বাক্সে পেতে পারো । আমার ভালো ট্যাটু বানানোর মতো ক্ষমতা আছে । আমরা অর্ধেক যেয়ে রিও জ্যানিরোর জন্য স্টিমার ধরবো । যদি আমার ধান্দা ভালো না লাগে , অ্যামিরিকাকে চুলোয় যেতে দাও । কি বলো বন্ধু ? ”

” ব্যাপারটা আমার কাছে ভালো লেগেছে । ” মাথা নাড়িয়ে কিড বললো । “আমি অনেক জার্নি করে এসেছি । ”

” ঠিক আছে , তাহলে , ” থ্যাকার বললো । ” তোমাকে তাদের অনেক ঘনিষ্ঠ হতে হবে , যতক্ষন না আমরা পাখিটা না পাই । তুমি আমার পিছনের রুমে থাকতে পারো । আমি আমার নিজের রান্না নিজেই করি , কিপটে সরকার যা দেয় তা দিয়ে তোমার জন্য ভালো ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবো । ”

থ্যাকার এক সপ্তাহ সময় নিয়েছিলো , কিন্তু কিডের হাতে ট্যাটু লাগাতে দুই সপ্তাহ পার হয়ে গিয়েছে । পরে , তিনি শিকার করার জন্য এক ছেলেকে দিয়ে এক নোট পাঠালেন ।

এল সেনর ডন সান্তোস ইউরিক লা কাসা ব্লান্সা ,

আমার প্রিয় স্যার ,

সবিনয় নিবেদন এই যে , আমার বাড়িতে এক অতিথি এসেছে , সে কিছু দিন অ্যামিরিকার বুয়েনস টিএরর্স থেকে এসেছে । মঙ্গলকামনা করা ছাড়া , কোন আশাই কখনো বাস্তবায়ন হয় না । হতে পারে , সেই আপনার হারানো ছেলে । ভালো হয় , আপনি যদি দেখা করে তাঁর সাথে কথা বলেন । যদি সেই হয় , আমার মনে হয় তাঁর বাড়িতে ফিরে যাবার ইচ্ছে আছে । কিন্তু ফিরে আসার পর , কিভাবে সে আপনাদের কাছে যাবে ,সেই সাহস বোধ হয় হারিয়ে ফেলেছে । আপনার বিশ্বস্ত দাস ,

থম্পসন থ্যকার ।

দেড় ঘণ্টার পর , সিনর ইউরিকের পুরাতন ঘোড়ার গাড়ি দুতের দরজার সামনে থামলো ।

এক লম্বা ফর্সা লোক গাড়ি থেকে নামলো । মুখ ঢাকা , সজ্জিত এক নারীকে তাঁর সাহায্যে নেমে আসলো ।

তড়িঘড়ি করে তারা ভিতরে প্রবেশ করে , থ্যাকার তাদের দেখা মাত্র মাথা নামিয়ে স্বাগতম জানালেন , ডেস্কের পাশে, পরিপাটি , গোড়া বর্ণের এক চিকন যুবক দাঁড়ানো আছে ।

সেনোরা ইউরিক , দ্রুত তাঁর মুখ থেকে পর্দা সরিয়ে নিলো । মধ্যবয়স্ক নারীর , তাঁর চুল এখন রুপালি হতে শুরু করেছে কিন্তু তাঁর গর্ব করার বিষয় হচ্ছে , তাঁর জলপাই রঙের ছিমছিমে শরীর , যেটি এই বাস্ক রাজ্যে একরকম বিরল দৃশ্য । কিন্তু আপনি যদি তাঁর চোখের দিকে তাকান , তাহলে দেখবেন শুধু দুঃখ প্রগাঢ় ছায়া এবং আশাহীন অনুভুতি । শুধু মাত্র কিছু স্মৃতি তাঁর বেঁচে থাকার সম্বল।

যুবকটির দিকে তিনি অনেকক্ষন দেখলেন , চোখে ছিল অনেক প্রশ্ন । তারপর , চোখ ঘুরিয়ে , বাম হাতের দিকে দৃষ্টিপাত করলেন । তারপর তিনি ফুঁপিয়ে কাঁদতে থাকলেন , কাঁদতে কাঁদতে বললেন , “আমার ছেলে !! ” লিয়ানো বালককে বুকে টেনে নিলেন /

এক মাস পর , থ্যাকারের চিঠির জবাবে কিড তাঁর সাথে দেখা করতে এসেছে ।

তাঁকে দেখতে এখন স্প্যানিশ যুবকের মতন । গাঁয়ে বিদেশি কাপড় , গলায় জুয়েলস্‌ , হাতে ডায়মন্ডের রিং সব মিলিয়ে এক দম অন্যরকম ।

“কি ব্যাপার , কি করছো ” থ্যাকার জিজ্ঞেস করলো ।

” বেশি কিছু না । ” কিড সহজভাবে উত্তর দিলো । “আজকে ইগুনা সটীক খেয়েছি । তারা অনেক বড়ো , লিযার্ডস্‌ , কি বলো ? তোমার কি ভালো লাগে এটি , থ্যাকার ? ”

“না , অন্য ধরণের প্রাণী ।” থ্যাকার বললো ।

বিকাল তিনটে বাজে , আর এক ঘণ্টা হয়তো আছে , যে সে স্বর্গসুখ অনুভব করতে পারবে ।

“তোমার ভালোই দিন কাল কাটছে , পুত্র ” রাগ করে তিনি চলে চলে যেতে বললেন । ” আমার সাথে খেলা করো না । চার সপ্তাহ হয়ে গিয়েছে যে তাদের উড়নচণ্ডী ছেলে হয়েছো । তোমার যদি ইচ্ছে হয় ,তাহলে মাংসের সাথে গোল্ডফিশ খেতে পারবে । এখন , মিস্টার কিড , আপনার কি মনে হয় এখন শুষ্ক খাবার খাওয়ার সময় এসেছে ? কি সমস্যা ? তোমার চোখ কি এখন তাদের টাকা পয়সার উপর পড়ে নি ? বলো না , যে পড়ে নি । সবাই জানে তাঁর সম্পদ কোথায় সে রাখে । অ্যামেরিকার মুদ্রা যে সেটাও । কি করছো ? বলো যে এখন ,” কিছুই না ” ।

“কেনো না । ” হীরার আংটির দিকে তাকাতে তাকাতে তিনি বললেন । “সেখানে প্রচুর টাকা পয়সা ।সেটা আমার হিসাব করার কাজ আমার না । কিন্তু যদি আমাকে সে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে , সে বিষয়ে বলতে গেলে , আমি ৫০ হাজার ডলার এক টিনের বাক্স থেকে উঠাতে দেখেছি । আমাকে তা দেখাশুনার জন্য চাবি দিয়েছে , তিনি বলেন , আমি বাস্তবিক উত্তরাধিকারী যে অনেক দিন আগে হারিয়ে গিয়েছিলো। ”

“ভালো কথা , তাহলে কি জন্য অপেক্ষা করছো ? ” থ্যাকার রাগী হয়ে জিজ্ঞেস করলো । ” ভুলে যেয়ো না , যে কোন সময় আপনি তোমার গোপন তথ্য ফাঁস করে দিতে পারি । যদি বৃদ্ধ জানতে পারে , তুমি একজন প্রতারক , তাহলে তোমার কি অবস্থা হবে ? অহ , তুমি কি চিনো না না এই দেশকে , মিস্টার টেক্সাস কিড । এখানকার আইনকানুন , বলতে গেলে মাংসের মধ্যে সরিষা । তোমাকে ব্যাঙের মতন ছিলে , প্লাজাতে সটীকস্‌ প্রতি পঞ্চাশ করে বেচবে । তারা খাওয়ার পর বাকি যা থাকবে তা কুমিরকে খাওয়াবে । ”

“আমি তোমাকে বলতাম , পার্টনার । ” কিড চেয়ারে বসতে বসতে বললো । “সব কিছু এখন ঠিক আছে । ”

“মানে ?” থ্যাকার টেবিলে গ্লাস নাড়াতে নাড়াতে বললেন ।

“প্ল্যান এখন বন্ধ । ” কিড বললো । ” তোমার যখন আমার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করবে , আমাকে ডন ফ্রান্সিসকো ইউরিক নামে ডাকবেন , আমি আপনাকে নিশ্চিত করে বলতে চাচ্ছি , আমি এটির উত্তর দিবো । আমরা কলোনেল ইউরিককে টাকা রাখতে দিবো । তাঁর টিনের বাক্স ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের মতন অনেক সিকিউরিটির মধ্যে আছে । ”

” তাহলে , আমাকে এখন প্ল্যান বাদ দিতে বলছো ? ” দুত বললেন ,

“সিউর । ” কিড সানন্দে উত্তর দিলো । “বাদ দিন । কেন আমি বলছি , প্রথম রাতে , আমি কলনেল বাড়িতে যেতেই তিনি আমাকে বেদরুম দেখিয়ে দিলেন । মেঝেতে কোন কার্পেট ছিল না , একটি বিছানা ছিল । ঘুমানোর আগে , আমার নকল মা , আমার কাছে এসেছিলো । ” পরান । ” তিনি বললো , আমার হারিয়ে যাওয়া সন্তান , গডের কাছে কৃতজ্ঞ , তোকে আমার কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে । তাঁর প্রতি আমি অনেক কৃতজ্ঞ ” কথাটা শুনে আমার মনে অনেক ধাক্কা লেগেছে । চোখ থেকে পানির ফোঁটা ঝরে আমার নাকে এসে পড়েছে । আমি এই রকম করুন দৃশ্য কোনদিন দেখে নি । আপনি ভাববেন না , যা আমাদের মধ্যে হয়েছে , তার জন্য আমি আপনাকে বলছি । আপনার যদি এই রকম কিছু পরিকল্পনা থাকে , তাহলে আপনার কাছে রেখে দিন । আমি কোন মহিলাকে তেমন কষ্ট দেই নি । কোন মায়ের সাথে না । কিন্তু এখানে যে মহিলাটি , তাঁকে যদি আমরা ঠকাই , সে একবার বুঝে গেলে , দ্বিতীয় বার আর ঠকবে না । আমি অনেক নীচ , পাপী হয়ে যাবো , শয়তান আমাকে গডের বদলে এই নরকে পাঠিয়েছে । কিন্তু আমি সেটার শেষ দেখবো । আর আপনি , ভুলে যাবেন না , যখন আমার নাম বলতে ইচ্ছে করবে তখন , ডন ফ্রান্সিসকো বলে ডাকতে ভুলবেন না । ”

” আমি আজকেই সব বলে দিবো , যে তুই – তুই ঠক জোচ্চোর । ” থ্যাকার তোতলাতে তোতলাতে বললেন ।

কিড নিঃশব্দে উঠে গিয়ে তাঁকে ষ্টীল হাতে নিয়ে থ্যাকারকে গলা দিয়ে ধরে দেয়ালে ধাক্কা মারলো । তারপর হাত বাঁকিয়ে মুখ বন্ধ করে দিলো ।

“আমি তোকে বলেছি , আমি কি জন্য এসেছি । ” সে ঠাণ্ডা হাসি দিয়ে বললো । “আমি যদি এখানে থাকি , তাঁর কারণ হবি তুই । কোন দিন ভুলে যাবি না , কেমন , পার্টনার । এখন , বল্‌ , আমার নাম কি ? ”
“ইর — ডন ফ্রান্সিসকো ইউরিক । ” থ্যাকার হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন ।

বাইর হতে ঘোড়ার গাড়ির শব্দ কানে এলো /

কিড বন্দুক বের করে , দরজার কাছে গেলো । সে ঘুরে কাঁপতে কাঁপতে ফিরে আসলো । বাঁ কাঁধ দুতের কাঁধে ভর করে দাঁড়ালো ।

“একটা কারণ আছে , ” সে আস্তে করে বললো । ” তারা সেখানে দাঁড়িয়ে আছে তাঁর কারণ আছে । লরিডোতে যাকে আমি খুন করেছি , তাঁর বাঁ হাতে একই ছবি আছে । ”

বাইর থেকে , ডন সান্তস ইউরিকের পুরান ঘোড়ার গাড়ি দরজার সামনে দাঁড়ালো । সেনোরা ইউরিক , ভারি সাদা পোশাক নিয়ে নামলো । চোখে মনে তাঁর খুশী খুশী ভাব ।

“পুত্র , তুমি এইখানে ? ” তিনি বললেন ।

” আমি আসছি , মা ” তরুন ডন ফ্রান্সিসকো ইউরিক উত্তর দিলো ।

 

Translated from :  https://americanliterature.com/author/o-henry/short-story/a-double-dyed-deceiver

A Double-Dyed Deceiver :Translation in Bangla | Razib Ahmed