“১০ মিনিট লেখা” টাইপের গতি বাড়ানোর টিপস

গত ৬ সপ্তাহ বা ৪২ দিনে ১০ মিনিটের প্রজেক্টে নিয়মিত অনুশীলনে সবাই নিজেদের বাংলা টাইপের গতিতে অকল্পনীয় উন্নতি লক্ষ্য করেছেন। বিশেষ করে অনেকেই লিখেছেন যে আগে তারা বাংলিশ টাইপে করে অভ্যস্থ ছিলেন। এমনকি বাংলা টাইপ করতে বিরক্তি বোধ করতেন কারন টাইপে গতি ছিল না। ফলে অল্প সময়েই আগ্রহ হারিয়ে ফেলতেন। তবে এই প্রজেক্টে নিয়মিত অনুশীলনের ফলে এখন অনেক দ্রুত বাংলা টাইপ করতে পারছেন এবং আগের থেকে অনেক বেশি আগ্রহ তৈরি হয়েছে তাদের মধ্যে। তাই ‘১০ মিনিট লেখা” টাইপের গতি বাড়ানোর কিছু টিপস আপনাদের জন্য …

১। ১০ মিনিটের প্রজেক্টের প্রতিটি পোস্টে বাংলাতে বড় করে কমেন্ট করেন ১০ মিনিটের মধ্যে।

২। সময় থাকলে এই প্রজেক্টের অন্যদের কমেন্ট পড়ে রিপ্লাই দেন।

৩। কমেন্টে রিপ্লাই দেবার সময়ও খুব বেশি না ভেবে দ্রুততার সাথে দেয়ার চেষ্টা করুন। এর মাধ্যমে দ্রুত টাইপ করার চর্চা যেমন হবে, ঠিক তেমনি কম সময়ে অনেক বেশি কমেন্টে রিপ্লাই দিতে পারবেন। ফলে আরো বেশি টাইপ করার সুযোগ হবে আপনার।

৪। নিয়মিত পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। কারন যত বেশি পড়বেন তত বেশি শব্দ মাথায় গেঁথে যাবে। ফলে লেখার সময় শব্দগুলো সহজে চলে আসবে, খুব বেশি ভাবতে হবে না। এর মাধ্যমে টাইপের গতিও বাড়বে।

৫। ১০ মিনিটের রাইটিং প্ল্যাকটিসে দ্রুততার সাথে সৃজনশীলভাবে ভাবতে শিখুন এবং নিজের মতো করে লিখতে অভ্যস্ত হয়ে উঠুন। কারন যতটা দ্রুত গতিতে ভেবে নিজের ভাষায় নিজের মতো করে লিখতে পারবেন ততটাই দ্রুত গতিতে টাইপ করতে অভ্যস্ত হয়ে উঠবেন।

 

১০ মিনিট লেখা” প্রজেক্টে নিজেদের উন্নতি নিয়ে লেখা কিছু কমেন্ট …

 

Moumi Khan

আমি আগে বাংলা কোন পোস্ট দেখলে এরিয়ে যেতাম, ভয় পেয়ে। কারন বাংলা লিখতে পারতাম না। এই ১০ মিনিট এর প্রোজেক্ট এর জন্য সেই ভয় কেটে গেছে। এখন বাংলা লিখতে ভাল লাগে। এখন পোস্ট খুজে লেখি। কাল কের থেকে আজ আরও দ্রুত লিখতে পারছি।

 

Tanvir Ahmed

একদম উপযুক্ত সময়ে রাইটিং প্র্যাকটিসের উত্তম উপায় পেয়েছি মনে হচ্ছে। কারণ ইংলিশ বা বাংলা অার্টিকেল গুলো পড়ে যতটুকুই বুঝতে পারি সেটুকু নিজের মত করে কিভাবে গুছিয়ে তুলে ধরা যায় তা ভাবছিলাম অার তখনই এই উদ্যোগ। অাশা করি বাকি ৬৯ দিন সময় দিলে ভাল করেই তুলে ধরার দক্ষতা অর্জন করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

বাংলা রিডিং পড়ার গতি দারুণ বৃদ্ধি পেয়েছে সাথে নিজের ভাষায় লেখার চিন্তাশক্তি ও কিবোর্ডে অভ্র দিয়ে টাইপের গতি ও অাগের থেকে বেড়েছে.

 

Farjana Akter Rubel

ধন্যবাদ স্যার ৬ সপ্তাহ আগে আমি বাংলাতে কিছুই লিখতে পারতাম্ না কারন কি লিখব তাই ভেবে পেতাম্না , তাছাড়া বাংলা টাইপিং যে করবো আমি তো জান্তামিনা যে কোন বাটনে কোন অক্ষর আছে আর যুক্ত বরনের কথা ভাবলয়েই ভয় লাগত আর বাংলা বা ইংরেজি পোস্ট পড়ার অভ্যাস ছিলনা বলে আমি বড় পোস্ট কে সব সময় এরিয়ে জেতাম কিন্তু এখন ৬ সপ্তাহের মধ্যে এস্কল সব সমস্যা ধীরে ধীরে দূর হয়ে গেছে আর বাংলাতে এখন লিখতে সময় ও কম লাগে আর নিজের ভিতরে একটা আলাদা ভাললাগা কাজ করে কারন এখন আমি বাংলাতে গুছিয়ে লিখতে পাড়ি আর প্রতিদিন কাজ করার ফলে আমি একটু একটু করে অনেক কিছু শিখতে পারছি ।আর আমার লিখার গতি ও পড়ার গত অনেক বেড়ে গেছে যা স্যার এর ১০ মিনিটের প্রোজেক্ট ছাড়া সম্ভব ছিলনা ।সর্ব পরি বলবো আমি ১৬ বছর পড়ালেখা করে যে বেসিক গরে তুলতে পারিনি স্যার তা আমাকে ৬ সপ্তাহে করে দিয়েছে ।স্যার এর সকল ধান্দার জয় হোক তাহলে আমাদের ,মত সাধারন অনেক এগিয়ে যাবে.

 

Sultan Mahmud Sobuj

মেসেঞ্জারে বন্ধুদের সাথে আমি আগে থেকেই বাংলায় চ্যাট করতাম যার কারণে বাংলা টাইপিংএ আমার পূর্ব থেকেই গতি ভাল ছিল।

এ প্রজেক্টে নিয়মিত সময় দেওয়ায় কারণে নিজেকে নতুন করে চিনছি।এক সময় ছিল নিজের মনের ইচ্ছে, আবেগ, কল্পনাগুলোও নিজের ভাষায় লিখতে গেলে ঠিকমতো লিখতে পারতাম না!

আর এখন লিখতে পারি।তবে আত্মতৃপ্তি বলে একটা কথা আছে সেটা এখনো অধরাই রয়ে গেছে।নিয়মিত অনুশীলন করলে সেটাও পেয়ে যাব,ইনশাআল্লা।

 

Ayesha Siddiqa Jharna

৬ সপ্তাহে আমি বাংলিশ ছিলাম,

ধীরে ধীরে পাল্টাছে সে লেখা।আমি অন্য কারো উন্নতি কেমন হয়ছে বলতে পারবো না।নিজের টা আমি খুব ভালো বলতে পারবো।সত্যি স্যার আমার দারুণ উন্নতি হয়েছে।অামি নিজের কাজকে সব চেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়াটা এই প্রজেক্ট থেকে শিখছি।আমি তো ঝরে পরা,সে পেছনে বসা মেয়েটি।আসতে -বসতে বকা শুনতে হয়।নিজের কাছে মনে হয়তো আমি কোন কাজের না।কিন্তু এই চর্চাই আমাকে নিজেকে জানতে বেশি সাহায্য করেছে।সময় কাটাতাম আজে-বাজে কাজ করে।কিন্তু এখতো নিজের মতো করে সব করি।তাও আবার প্রতিটি নিজের উন্নতির জন্য।বাংলা টাইপে যুক্তবর্ণে সমস্যা হতো,অনেক শব্দ লিখতে পারতাম না।যদি টুক-টাক লিখতাম তা অনেক ভুলে ভরা ছিলো।

 

Razia Sultana

ঠিক আছে স্যাত ৬ সপ্তাহের লেকায় অনেক উন্নতি হয়েছে যদি ও আমি প্রতিদিন আমি এখানে আস্তে পারিনি। আমি ডেস্কটপ আর ল্যাপটপ এ ভালো পারি কিন্তু মোবাইলে ভালো বাংলায় টাইপ করতে পারতাম না এখন অনেক ভালো পারি মোবাইলে।

 

Delower Hossain

ধন্যবাদ স্যার।

৬ সপ্তাহ আগের কথা ভাবলে অবাক লাগে তখন আসলে কতটা অজ্ঞ ছিলাম, কখনও ভাবিও না আসলে ৪০/৪২ দিনের মাথায় এতটা উন্নতি হবে টাইপিং শুধু মাত্র এখন পান্তাভাত আল্লাহর রহমতে টাইপিং শক্তি আগের তুলনায় অনেক উন্নত।

এখন অনেক দ্রুত এবং নিজের ভাষায় নিজের মত করে লিখতে পারি একটা সময় বাংলা টাইপ করতে গেলে যুক্ত বর্ণ খুজে পেতাম না খুব কষ্ট হতো।

১০/১৫ বছরে পড়াশোনা করে যেই বেসিক অর্জন করতে পারিনি ১০ মিনিট রাইটিং প্রজেক্টে যোগ দেওয়ার পর তার দ্বিগুন অর্জন করেছি এর কোন সন্দেহ নাই।

এখন শুধু নিয়মিত হয়ে নিজকে এগিয়ে নেওয়ার পালা

 

Kalo Minar

বলছি ১০মার্চের অাগের কথা মোটামোটি বাংলায় টাইপ করলেও দক্ষ ছিলাম না বাংলা টাইপিং এ অার বাংলা পড়ার গতি এতোটা ভালো ছিলো না যতটা এখন। বাংলা টাইপের গতি এখন অাগের তুলনায় ১০গুন বেড়েছে যার জন্য সত্যিই অানন্দিত অামি অাগে কারো সাথে চেট করার সময় বা বিভিন্ন পোস্ট দেবার সময় বাংলিশই ব্যবহার করতাম বেশি এখন এটা কাটিয়ে উঠে নিজের ভাষায় টাইপ করছি, গুছিয়ে লিখছি নিজের মতন করে। ১০/১২বছর হয়তো বাংলা রিডিং পড়েছি তবে এখন যেভাবে পড়ছি সেটে তো গত ১২বছরে অর্জন করতে পারিনি। লেখা পড়ার পাশাপাশি নিজের চিন্তাশক্তিরও উন্নতি হয়েছে অনেক নতুন নতুন শব্দ যোগ হয়েছে যা নিয়ে পোস্ট করতে পারছি, কথা বলতে পারছি। এই ১০মিনিট ধান্দায় যোগ না হলে হয়তো জানতামই না এসব। সবচেয়ে ভালো দিক হচ্ছে অনলাইনে পড়তে পারছি, নিজেকে উন্নতি করতে পারছি। ৬সপ্তাহে অনেক কিছুই অর্জন হয়েছে যা অাগামিতে অনেক উপকারে অাসবে।

 

এন এম নাজ

ধন্যবাদ স্যার আমাদের জন্য নতুন নতুন উদোগ্য নেবার জন্য। আপনি উদোগ্য না নিলে আমরা সবাই অনেক পিছিয়ে থাকতাম আর কখনোই বাংলা নিয়ে চিন্তা করতাম না আর ভাবতাম আমরা বাংলা অনেক ভালো পারি,কিন্তু আমরা কখনও চর্চা করে দেখেনি। আজ থেকে ৬ সপ্তাহের আগের কথা চিন্তা করলে দেখি কতটা দূর্বলতা ছিলাম আর এখন কতটা ভালো পারি।

এই ৬ সপ্তাহে আমি যা অর্জন করেছি তা হলোঃ-

১) পড়ার গতি বেড়েছে।

২) লিখার টাইপিং দ্রুত হয়েছে।

৩) পড়ার মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।

৪) বড় লেখা দেখলে অনিহা চলে আসতো এখন আর তেমন হয়না।

 

Fabiha Busra

আসসালামু আলাইকুম স্যার। জি স্যার এ ১০ মিনিট পোস্টে র অব দান বলার মতো নয়।আমি অনেক অনেক কিছু পেয়েছি এ প্রজেক্টের ফলে।আমি যা যা পেয়েছি সে গুলো হল-প্রথমত আমার বাংলা লেখাতে আর অনিহা নেই।বরং আরো ভালো লাগে।

2য়ত-আমার বড় পোস্ট পরতে এখন অনেক ভালো লাগে।আগে ভালো লাগতো না।

৩য়ত-আগের থেকে এখন দ্রুত লিখতে পারি।এটা সবার দরকার বেসিক বারাতে।

৪থত-আমি এখন দ্রুত পড়তে পারি। যা আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

৫ মত-আমি আমার নিজের মতো করে নিজের ভাষায় লিখতে পারি। এটা বেসিকের জন্য অবশ্য ই দরকার।

আমি অনেক লাভ বান হয়েছি এ ১০ মিনিট প্রজেক্টের ফলে।অনেক অনেক ধন্যবাদ স্যার এ রকম একটা ব্যবস্থা করে দেবার জন্য।

 

Afrina Sharmin

আমি বাংলা লিখতে পারব এটাই আমার অজানা ছিল । স্কুল জীবনের পর আমি বাংলায় চার লাইন কিছু লিখেছি বলে মনে পরেনা। তবে এখন কোন টপিক বললে অন্তত ২০/২৫ লাইন লিখতে পারব এবং সেটা খুব অল্প সময়েই পারবো,

 

Kamrul Islam

বাংলা টাইপিং অনেক উন্নতি হয়েছে।শুধু টাইপিং নয় স্যার বাংলা পড়ার গতি, পড়ার প্রতি আগ্রহ, লেগে থাকার মানুষিকতা সবকিছুই উন্নতি হয়েছে।আগেতো পড়ার প্রতি তেমন আগ্রহ ছিলনা। ১০ মিনিট রাইটিং প্রোজেক্ট এর ফলে নিজের মত করে চিন্তা করা ও লিখার অভ্যাস তৈরি হয়েছে।

 

Md Sk Johnny

৬ সপ্তাহ বাংলা টাইপিংয়ের উন্নতির কথা যদি বলতে হয়, তবে বলবো আগে বাংলা টাইপের প্রতি খুব অনীহা ছিল, টাইপ করতে যেমন বিরক্ত লাগতো, তেমনি অনেক সময় ও লাগতো। কিন্তু এই প্রজেক্টে প্র্যাকটিস করার পর থেকে অবস্হা পাল্টে গেছে। এখন আর কষ্ট লাগে না, বিরক্ত ও লাগে না। বরং অপেক্ষায় থাকি কখন নতুন পোস্টে কমেন্ট করতে পারবো আর বাংলা টাইপের জন্য নতুন কি পরিকল্পনা আসছে। শুধু যে বাংলা টাইপে উন্নতি হচ্ছে তা না সাথে রিডিং পড়ার গতি আর আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 

Rupom Ahmed

স্যার আমি বাংলায় টাইপ করতে খুবই কম পারতাম কিন্তু ৬ সপ্তাহ বাংলা রাইটিং প্রাক্টিস করে আমার অনেক উন্নতি হয়েছে।এখন আমি আগের থেকে অনেক দ্রুত টাইপ করতে পারি।এটি সত্যি আমার অনেক কাজে লেগেছে স্যার।

 

Sadia Akter

অনেক ধন্যবাদ স্যার। এতো সুন্দর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য। ১০ মিনিট রাইটিং প্রজেক্ট এর মাধ্যমে বাংলায় লিখা মানে বাংলা কীবোর্ড দিয়ে লিখতে ইংরেজী এর মত পুরাপুরি না হলেও অনেক বেশী স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছি।

লেখার গতি বাড়ছে আগের তুলনায়।

চিন্তাশক্তি বাড়ছে, নিজের মত লিখতে উৎসাহিত হচ্ছি।

অন্যান্যদের কমেন্ট পড়ে অনেক অনুপ্রেরণা পাওয়া যায়।

 

Abu Hasnat

৬ সপ্তাহে আগে বাংলা লিখা বা পড়ার প্রতি কোন আগ্রহ ছিল না এখন বাংলা পড়ার জন্য ওয়েসসাইডে ডুকে নিয়জ পড়ি। এখন পড়তে বড়িং ফিল করি না। আসলে ৬ সপ্তাহে আগে আমি এই সব এর প্রতি কোন মন ছিল না।

এখন জিনের মত চিন্তা করে কমেন্ট করতে পারি বুজতে পারি। চিন্তা শক্তি বিদ্ধি পাচ্ছে। যেই বিষয় নিয়ে জীবনে চিন্তা ও করি নি আমি বুজাতে চাচ্ছি বাংলাতে যে এত দুর্বলতা আগে অনুভব করতে পারি নি কারন সব সময় কপি পোস্ট দিয়েই চালিয়ে যেতাম নিজে কিছুই লিখতে পারিনি এখন নিজের মত লিখতে পারছি বলতে পারছি। আসলে ১০ মিনিটের পোস্টে সময় দিয়ে অনেক উন্নতি করতে পারতেছি যা কল্পনার বাহিরেই ছিল

 

Sujon Kumar

স্যার এখন সেই ১০ মার্চে ফিরে দেখছি, সেই দিন আর আজকের মধ্যে এতাটা পার্থক্য হবে কখনো ভাবি নাই। আগে নিজের মত করে লিখতে অনেক সমস্যা হতো, টাংপির এর গতি ছিলই না বলতে গেলে।

 

Shamsun Nahar

স্যার,আমি নিজেও শূন্য থেকে শুরু করেছি।আমি আগে বুজতাম না।কি দিয়ে শুরু করবো।প্রথম দিন লেখা শুরু করার সময় আমি কিছু সময় নিজেছিলাম ভাবতে।এখন সেই সমস্যা টা কম হয়।তবে আমি এখনো এটা শিউর না যে আমি কতটা গুছিয়ে বলতে বা লিখতে পারি।তবে আশা করি এর উন্নতি হইতেছে।কিছুটা হলেও লিখতে পারতেছি।তাই স্যার আপনি লিখেন আমরা কমেন্ট করবো ইনশাআল্লাহ। এতে আপনার কতটুকু লাভ তা আমি জানি না।তবে আমার লাভ ১০০% তা বুজেছি।তাই তো পরীক্ষা অসুস্থ সব কিছু উপেক্ষা করেও কমেন্ট করি আর পোস্ট পড়ি।এখন স্যার পোস্ট পড়তে আর কমেন্ট করতে আনন্দ অনুভব করি।সেই আনন্দ এ পোস্ট পড়ি আর কমেন্ট করি।আসলেই কাজে আনন্দ থাকা লাগে।আমাদের শারীরিক অসুস্থতা আসলে কিছুই না।মনে শক্তিই বড়।মন যদি চায় আমরা যেকোন কাজে সফল হতে পারি।শুধু মন দিয়ে কাজ করা লাগে।আমাদের সবার উচিত আগে নিজেকে ভালোবাসতে শিখা তাহলে আমরা সবাই জীবনে অনেক বড় সাফল্য পাবো।আমরা আসলে কিন্তু নিজেকে খুব কম ভালোবাসি। এখন সবাই খুব অবাক হবে এটা কোন কথা হল??হা এটাই কথা।আমাদের তরুন সমাজ তার বিএফ বা জিএফ কে অনেক ভালোবাসে তার জন্য সব করতে পারে সারারাত জেগে তার সাথে কথা বলে বা চ্যাট করে আনন্দ পাই কারন তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখি বিয়ে করার সুখে থাকার।কিন্তু আমরা যদি ঠিক ততটাই নিজেকে ভালোবাসতে পারি তাহলেই আমরা সারারাত কোন কষ্ট ছাড়া নিজের জন্য কাজ করতে পারতাম।নিজের স্বপ্ন পুরনের জন্য নিজে সারাজীবন সুখের থাকার জন্য যা দরকার তাই করতাম।তাই আমরা সবাই নিজের ভালোবাসেন। তাহলে বুজবেন স্যার এর পোস্ট, কথা মানা কতটা দরকার। স্যার আপনার পোস্ট সত্যি অনেক অনেক দরকার। আপনার এই টাইপিং এর কারনে এখন আমার ইচ্ছে করে অনেক অনেক গল্পের বই পড়তে।আমি গল্পের বই পড়তে খুবই অপছন্দ করতাম।কিন্তু আজ খুব খুবই পছন্দ করি।স্যার আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

 

MD Alamin

মাত্র ৬ সাপ্তাহে আমার টাইপিং এর গতি অনেক বেড়ে গিয়েছে তা আসলে অনেক প্রশংশনিয় আমিই মনে করি আমি অনেক দুর্বল ছিলাম রাইটিং এ এখন সেই তুলনায় অনেক তারাতারি লিখতে পারি আমি ও আশা বাদী আমি আরও অনেক দ্রুত লিখতে পারবো

 

Oishi Ahsan Mim

টানা ৬ সপ্তাহ এই প্রজেক্ট এ সময় দেয়া সার্থক হয়েছে কারন এই প্রজেক্ট এ অংশগ্রহন এর পূর্বে বাংলা টাইপ তো দুরের কথা কখনো ভাবি ও নি সর্বদা বাংলিশ ও ইংলিশ ( যদি ও সার্চ ইংলিশের কল্যানে ইংলিশের ভিত গড়তে সক্ষম হয়েছি) ব্যাবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতাম।মুলত বাংলিশই(বাংলা ও ইংলিশের সংমিশ্রণ যার মাঝে কোন ভাল লাগা থাকতে পারে না) ছিল প্রধান হাতিয়ার এর মাঝে স্মার্টনেস, গর্ভ, ভাল লাগা,ভাল বাসা ইত্যাদী!

সেই বাংলিশের মত বস অভ্যেস পরিত্যাগ করতে সক্ষম হয়েছি এখন বাংলিশ নয় বাংলা ও ইংলিশে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে থাকি।

১ মিনিটের মধ্যে অনায়াসে ৪০০ শব্দ পড়তে পারি যা পুর্বে পুরই ব্যাতিক্রম ছিল।আগে কখনো ৪০০ শব্দ পড়েছি কি না এ নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে কারন তখন রিডিং মানেই অনিহা ও বিরক্ততা যার বিনিময়ে দু এক লাইন পড়তেই পরার আগ্রহ হাওয়ায় মিলিয়ে যেত, আলহামদুলিল্লাহ স্যারের ও ১০ মিনিট প্রজেক্ট এর কল্যানে আমার মাঝে অবিশ্বাস্য পরিবর্তন লক্ষ্য করছি। আগে মনে হত আমায় দ্বারা কিচ্ছু হবে না কিন্তু এখন এই প্রজেক্ট আমায় নিজের প্রতি আত্ববিশ্যাষী করে তুলেছে আমায় নিয়মিত লেগে থাকা ধারা অব্যাহত রাখা শিখিয়েছে।চিন্তা চেতনা ও গুছিয়ে লেখার দিকেও কিছু টা উন্নতি উপলব্ধি করতে পারছি, সব থেকে বেশি যেটা বৃদ্ধি পেয়েছে তা হচ্ছে টাইপিং। টাইপিং খুব দ্রুত পারি যা আমার জন্য অবিশ্বাস্য ছিল মাত্র ১০ মিনিটে ১৫০/২০০ লেখা কঠিন মনে হয় না।

সর্বোপরি এই প্রজেক্ট আমায় ইতিবাচক দিক গুলো বুঝিতে শিখিয়েছে।

 

Mahmuda Akhter Rozy

মাত্র ৬ সপ্তাহ আগে আমি বড় পোস্ট দেখলে এড়িয়ে যেতাম। কারো পোস্ট পড়ে ভালো লাগলেও কমেন্ট লেখার ভয়ে শুধু ইমো দিতাম। ১০মিনিট রাইটিং পোস্ট আমার এই সমস্যার সমাধান করেছে।

আমি এখন দ্রুত লিখতে পারি। প্রথম প্রথম কিছুক্ষণ লেখার পর হাত ব্যাথা করতো। এখন আর সেই সমস্যা নেই। পড়ার গতি বেড়েছে। অনেক আনন্দ নিয়ে পড়তে, লিখতে, টাইপ করতে শিখিয়েছে এই প্রজেক্ট।

স্যারকে ধন্যবাদ এই প্রজেক্ট চালু করার জন্য।

 

Sheikh Al Amin

আগে বাংলাতে লখতে ভয় লাগতো স্যার, দ্রুত লিখতে পারতাম না বলে। বড় পোষ্ট দেখলে ভয়ে দুরে চলে যেতাম, পড়ার অভ্যাস ছিলনা বলে। কিন্তু এখন পড়ার অভ্যাস হয়ে গেছে। দ্রুত পড়তে ও লিখতে পারি। নিজের মত করে গুছিয়ে লিখতে ও বলতে পারছি স্যার ১০ মিনিটের প্রজেক্টে চর্চার মাধ্যমে।

 

Biplob Kishore Deb

১০ মিনিটের রাইটিং প্র্যাকটিসে মাত্র ৬ সপ্তাহে নিয়মিতরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু বেসিক দক্ষতা অর্জন করেছেন, যেমনঃ বাংলায় দ্রুত পড়ে বুঝতে পারা, সৃজনশীলভাবে চিন্তা করে নিজের ভাষায় নিজের মতো করে লিখতে পারা- অর্থাৎ মুখস্ত-নির্ভরতা ও অন্যকে কপি করার অভ্যাস থেকে মুক্তি লাভ করা- এবং একেবারে শূন্য থেকে শুরু করে দ্রুত গতিতে টাইপ করতে অভ্যস্ত হওয়া। এই স্কিলগুলো নিয়মিতরা ১৬-১৭ বছরের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা জীবনে অর্জন করতে পারেননি, আর এখানে মাত্র ৬ সপ্তাহে অনেকটাই রপ্ত করতে পেরেছেন।

তবে গত ৬ সপ্তাহে নিয়মিতদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো তারা এখন সার্বিকভাবেই পড়া এবং লেখার প্রতি দারুন আগ্রহী হয়ে উঠেছেন কারন পড়াশোনার মধ্যে তারা আনন্দ খুঁজে পেয়েছেন। এর মাধ্যমে ধীরে ধীরে তারা নিয়মিত পড়াশোনায়ও অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন। নিয়মিতদের অনেকে কমেন্টে এমনটাও লিখেছেন যে, তারা যে বাংলাতে এতোটা দুর্বল ছিলেন সেটা ১০ মিনিটের এই অনুশীলন শুরু হবার আগে কখনও উপলব্ধি করতে পারেননি। সর্বোপরি এই ৬ সপ্তাহে নিজেদের উন্নতিতে নিয়মিতরা এতোটাই আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছেন যে তারা এখন বিশ্বাস করেন নিয়মিত সময় ও শ্রম দিয়ে লেগে থাকলে তাদের দ্বারাও দারুন কিছু করা সম্ভব।

 

Sayka Jabin

এই ছয় সপ্তহে আমাদের পড়ার এবং লিখার প্রতি যে আগ্রহ ও ভালোবাসা তৈরি হয়েছে টা আগে ছিল পুরই উল্টো ।আগে আমরা বাংলা পোস্ট দেখলে পালাতাম ,পড়তে বিরক্ত লাগত সেখানে লিখা তো দুরের ই কথা।আর আজ আমরা ১০ মিনিট পোস্ট ের মাধ্যমে অনেক অনেক এগিয়ে গেছি ।এখন বাংলা পোস্ট খুব মনোযোগ নিয়ে পরছি আর খুব কম সময়ে বড় কমেন্ট করতে পারছি ।

 

Shafin Ahmed

জি ভাইয়া, নিয়মিত কমেন্ট লেখার কারনে এখন অনেক দিকেই উন্নতিগুলো লক্ষ করতে পারছি। টাইপ করার গতি বৃদ্ধি এর অন্যতম একটি। এখন যেকোন সময়ে বাংলায় খুব সহজেই নিজের মত প্রকাশ করতে পারি। চিন্তা করা গতি এবং সেটা নিজের ভাষায় উপস্থাপন করা দুটোই খুবই ভাল হয়েছে।

 

Lipi Sd

জ্বী স্যার ১০ মিনিটের রাইটিং প্রজেক্ট আমার প্রফেশনাল,কাজে অনেক সাহায্য করছে। একজন কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে নিজের ভাষায় লেখার দক্ষতা খুবই প্রয়োজন যা,প্রতিদিন চর্চা,করতে পারছি ১০ মিনিটের রাইটিং প্রজেক্টের মাধ্যমে । স্যার আপনার এই নতুন উদ্যোগ আমার কাজে আরও সাহায্য করবে দক্ষতা অর্জন করতে।

Pariya Mone

আসসালামুআলাইকুম।

১০মিনিট রাইটিং প্রজেক্টে প্র্যাকটিস করার আগে আমার বাংলা টাইপ করার অভ্যাস ছিলো না বললেই চলে। যেখানে টাইপ করার অভ্যাস ছিলো না সেখানে গতি কিভাবে থাকবে? যদিও কখনো বাংলাতে কিছু লিখতে চাইতাম অক্ষর খুজে পেতাম না বলে বাংলা টাইপের প্রতি অনীহা চলে আসতো। ১০মিনিট প্রজেক্টে নিয়মিত প্র্যাকটিস করার ফলে এখন অনেক দূত টাইপ করতে পারি।

বোরিং লাগে না!!

না। এখন বাংলা টাইপ করার সময় একটুও বিরক্তি লাগে না। বরং মনের আনন্দে বাংলা টাইপ করি।

মাঝে মাঝে বড় বড় কমেন্ট লেখার পর বিশ্বাসই হয় না যে এত বড় কমেন্ট আমি কিভাবে লিখলাম! আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো টাইপ করতে পারি।

আসলে স্যার আপনার সব ধান্দাবাজী আমাদের মতো সাধারণ মানুষ নিজের দূবলতা গুলো কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হচ্ছি। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ স্যার।

 

Dxn Queen

প্রথমত আমার আগ্রহ তৈরি হয়েছে বাংলা কোন পোস্ট পড়ার। সত্যি কথা বলাতে বাংলা কোন পোস্ট দেখালেও আমরা মেজাজ খারাপ হতো, জানি না কেন হতো,দয়া করে মাফ করবেন আমাকে,আমি সত্যি জানি না কেন এমন হতো, সবচেয়ে বড় কথা এখন আমার পড়তে ভালো লাগে, এবং লিখতে ও ভালো লাগে,কিছু দিন আগে ও লিখতে বেশ সময় লাগতো, এখন খুব তারাতাড়ি লিখতে পারি। মাএ কিছুদিন আগে, কার পোস্টের নিচে কমেন্ট করে জানতে চেয়েছিলেন ঠিক মনে নেই, জানতে চেয়েছিলেন বাংলা লিখার জন্য কোন এপস ব্যবহার করবো,সে বলার পারে এপস ডাওনলোড করেছিলাম,,এখন বড় পোস্টও পড়ে ফেলি,,,,

 

Mohammad Nurul Alam Faruqee

১০ মিনিট টাইপিং প্রজেক্টের সাথে যুক্ত আছি ২ সপ্তাহ ধরে। আমার দেখা মতে এই গ্রুপে একদম শূন্য থেকে উঠে এসেছে এমন অনেকেই দেখলাম। বিশেষ করে সার্চ ইংলিশে অনেকেই তাদের বেসিক মজবুত করে নিয়েছে। আমার ক্ষেত্রে বাংলা টাইপিং এবং রিডিং উন্নতি হলে ও ইংলিশে তেমন উন্নতি হয়ে উঠে নি। বাংলা অনুশীলনের জন্য ১০ মিনিট প্রজেক্টর তুলনা অপরিসীম। এই গ্রুপে অন্যতম ভাল দিক হল এখানে কাউকে হেয় করে কমেন্ট রিপ্লাই দেয়া হয় না। যা একজন ব্যাক্তি মানুষের সহনশীলতার পরিচায়ক। রাজীব স্যারের সুস্বাস্থ্য কামনা করে শেষ করলাম।

 

Farhana Akter Poly

স্যার ৬সপ্তাহ আগেও ভালো করে বাংলা টাইপ করতে পারতাম না,বড় পোষ্ট পড়ার প্রতি কোন আগ্রহ কাজ করত না, বাংলা টাইপ করতে অসুবিধা হত, নিজের মত করে লিখার জন্য শব্দ নির্বাচন করতে পারতাম না অনেক ভাবতে হত কিন্তু ৬সপ্তাহ প্রাক্টিস করে এখন বাংলা অনেক দ্রুত টাইপ করতে পারছি,বড় বড় পোষ্ট ২মিনিটের আগেই শেষ করতে পারছি রিডিং পড়াতে অনেক দ্রুত গতি চলে এসেছে নিজের মত করে এখন মনের ভাব প্রকাশ করতে পারি আগের মত এত বেশি ভাবতে হয়না.এখন যেকোনো কিছু পড়তে ভালো লাগে। পড়ার প্রতি বিরক্তিকর ভাব আসেনা.এখন বাংলা লিখতে ও কোনে জড়তা কাজ করেনা।অনেক্ষন বাংলায় লিখতে পারি।এখন আমাদের ওয়েবসাইটে ও কমেন্ট করতেবসুবিধা হবে বাংলায়

 

Saifullah Saifullah

আসলে শুরুর দিনটা অনেক কষ্টের ছিল কিন্তু েএখন অনেক নিজের কাছে হালকা মনে হয় । সামনে পথ চলার একটা সাহস আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়েছে । যা অকল্পনিয় যার কারনে আজ এখন বেশী থেকে বেশী সময় েএখানে দিতে মজালাগে সামনে এভাবে লেগে থাকালে আরও উন্নতি হবে বলে আশাবাদী ।টাইপিং এর কথা কি বলবো এখন বাংলা ইংরেজি , আরবী সমানে লিখতে পারি তবে তুলনামূলক বাংলাটা িএগিয়ে যা এই প্রজেক্টের অবদান । আগে একটু লিখলে বিরক্তিবোধ করতাম , আর এখন লিখতেই মন চায় । প্রথমে প্রায় অনেকগুলো পোস্ট কমেন্ট করি মোবাইল দিয়ে এরপর কি-বোর্ডে আস্তে আস্তে অল্প অল্প করে শিখে ফেলি , রাজিব ভাইয়ার ধান্ধাবাজিতে টিকে থেকে ।ধন্যবাদ ভাইয়াকে ও জান্নাত আপুকে।

 

অন্তরালে বালিকা

বাংলা টাইপিং এর গতি বেড়েছে এবং পড়ার গতিও বেড়েছে। নিজের মনে ভাষায় যা খুশি লিখার মতো একটা প্রযেক্ট পেয়ে খুবই খুশি ছিলাম কারন ভাষার প্রধান কাজ হচ্ছে মনের ভাব প্রকাশ করা আর আমরা সেই কাজটাই পারতাম না আগে শুধু নামেই বাঙালি ছিলাম কিন্তু এখন মনের মধ্যে আলাদা জোর নিয়ে বলতে পারি যে হ্যা আমি সত্যি বাংগালি। অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ স্যার কে।

 

Sultana Rani

অনেকের লেখার মান বেড়েছে!দ্রুত লিখতে পারছেন!এটা ভালো লাগছে।আর নিজের কথা যদি বলি, আমার বাংলা লিখার আলসেমি টা দূর হয়েছে।

অনেক ধন্যবাদ।

 

Md Kurshedul Alam

জি স্যার ১০ মিনিট রাইটিং প্রজেক্ট যখন শুরু করেছিলেন,প্রথমে আমি মনে করেছিলাম যে,স্যার মনে হয় নতুন আর একটা চ্যাপ্টার শুরু করতে যাচ্ছে।ইনশাআল্লাহ আগের থেকে অনেক এগিয়ে তুলনা অনেক পারি স্যার।আর যে গুলো সময় আছে রেগুলার যদি থেকে পাশ করতে পারি,তাহলো সামনের আরও ভালো হবেই মনে করি।স্যার আপনাকে ১০ মিনিট রাইটিং প্রজেক্ট উপহার দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। স্যার আজকে আমরা আমাদের নিজের মত নিজের ভাষায় লেখার আপ্রাণ চেষ্টা করতেছি।স্যার আপনার অনুপ্রেরণা। আজকে জান্নাত আপু নতুন লেখনি শুরু করেছেন।আপু জন্য শুভ কামনা

 

Sabbir Ahmad Mamun

এখন বাংলায় টাইপিং এর গতি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে।।।।।

তবে আমার বাংলা টাইপিং এর হাতে খড়ি হয় ডি এস বি এর আড্ডা পোস্ট থেকে।।।।

প্রায় ২ মাস ডিএসবি এর আড্ডা পোস্টে কমেন্ট ও রিপ্লাই দেয়ার মাধ্যমে আমার বাংলা টাইপিং এর গতি বৃদ্ধি পেতে থাকে।।।

সেজন্যে প্রথমেই ধন্যবাদ জানাব সম্মানিত স্যার এবং আমাদের সবার প্রিয় কামরুল ওরফে রাসেল ভাইকে।।।

যাদের কারনে আড্ডা পোষ্টের রিপ্লাই বা কমেন্টের উত্তরদাতাদের সিলেক্টিভ ৫ জনের মধ্যে আমি ১ জন ছিলাম।।।

এবং তার পর এখন স্যারের ১০ মিনিট পোস্টে কমেন্ট ও রিপ্লাই দেয়ার মাধ্যমে দ্রুত ই বাংলা টাইপিং এ গতি বৃদ্ধি পাচ্ছে।।।

ধন্যবাদ আবারও স্যার।।এই সুযোগ টা করে দেয়ার জন্য।।।।

আমাদের এখন সুযোগ টা কাজে লাগাতে হবে।।।সবার জন্য শুভ কামনা রইলো।।।

 

নীল আকাশ

বাংলা লিখতে যে ভয় ছিল সেটা চলে গেছে এবং বাংলা লিখতে এখন অনেক ভাল লাগে । নিজের মধ্যে যে অপরাধবোধ ছিল সেটা চলে গেছে । বড় বড় পোষ্ট পড়ার প্রতি আগ্রহ তৈরী হয়েছে । পড়া ও লেখা দুটোই এখন ভালো লাগে । নিজের ভাষায় নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার আনন্দই অন্যরকম ।

 

Parul Akhtar

এই ১০ মিনিটের প্রজেক্ট থেকে আমি আমার খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু বেসিক অর্জন করতে পেরেছি। এখন বাংলা দ্রুত পড়তে পারি। যেকোনো বিষয় বা অনুচ্ছেদ পড়ে দ্রুত নিজের ভাষায় কমেন্ট লিখতে পারি। কমেন্ট লিখার জন্য সময় নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। আগের থেকে দ্রুত টাইপিং করতে পারি। মাঝে মাঝে মনে হয় পুরো কি-বোর্ডটি আমার দুটি আঙ্গুলের নিচে। সবচেয়ে বড় দক্ষতা হলো – নিজের ভাষায় লিখার অভ্যাস। এই ১০ মিনিটের প্রাকটিসের জন্য আমি ধীরে ধীরে নিজের ভাষায় লিখতে পারছি। নিজের ভাষায় নিজের মত করে লিখার ফলে আমার সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটছে আর মুখস্ত বিদ্যার অভ্যাসটি কমে যাচ্ছে। রিডিং পড়ার অভ্যাসটি ছিল না মোটে ও । গ্রুপের যে কোনো বড় পোস্ট সব সময় এড়িয়ে চলতাম। দু লাইন পড়েই বাদ। কিন্তুু এখন রিডিং পড়ার গতি অনেক বেড়েছে। অল্প সময়ে যে কোনো পোস্ট, কোনো অনুচ্ছেদ পড়তে পারি। তাই এড়িয়ে যাবার অভ্যাসটি ও পরিবর্তন হয়েছে। এখন বাংলা পড়তে বরং অনেক ভালো লাগে। কখনো ভাবিনি এত অল্প সময়ে, এমনকি এভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ বেসিকগুলো অর্জন করতে পারব। ধন্যবাদ স্যারকে এভাবে আমাদের গাইড করার জন্য, আমাদের এমন সুযোগ দেওয়ার জন্য। এবার শুধু আমাদের পালা। নিয়মিত স্যারের গাইডলাইন অনুসরণ করে পরিশ্রম করা। তাহলে সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে পারব। ইনশাআল্লাহ।

 

Setu Khandaker

১. বাংলা টাইপিং : আগে বাংলা লিখতাম না বললেই চলে। একটা লাইন লিখতে আমার কয়েকমিনিট লেগে যেত। কোনো পোষ্ট লিখতে গেলে ৩০ মিনিট ছাড়া লিখা ই শেষ হতনা। এর কারন হলো আমি বাংলা বর্ণ খুজে পেতামনা। এখন এসব কিছু ওভারকাম করতে পেরেছি। খুব সহজে খুজে পাই। আর তাই সহজেই লিখতে পারি। ২. পড়ার গতি: ফেসবুকে খুব তাড়াতাড়ি আগের চেয়ে অনেক গুলো পোষ্ট পড়ে ফেলতে পারি। কমেন্ট ও করে ফেলতে পারি। তার মানে পড়ার গতি আগের থেকে কিছুগুণ বেড়েছে। ৩. বড় পোষ্টের প্রতি আগ্রহ : বড় পোস্ট দেখলে আগে বরিং লাগত। পড়তে চাইতামনা। এখন আগ্রহ জন্মেছে। ২ মিনিট ৪০০ শব্দ পড়া গেলে আর ভয় কিসের। খুব সহজে পড়া ফেলা যায় এখন।

 

Tanjil Lima

৬ সাপ্তাহ আগে বাংলা টাইপ ই করতে পারতাম না। ৬সাপ্তাহ পর বর্তমানে বাংলা টাইপ করা ভালো লাগার হয়ে উঠেছে। আগে বংলিশ ছিলাম এখন আর নেই। সব কিছুতেই বাংলা লেখার চেষ্টা করি। তাই আশা করি ওয়েবসাইটে ও কমেন্ট করতে পারবো।

 

Jahanara Rahman

অসংখ্য ধন্যবাদ স্যার।

গত ছয় সপ্তাহ ধরে আমি যতটা সম্ভব নিয়মিতভাবে লিখার চেষ্টা করেছি। আর নিজের মত করে লিখে যাওয়ার কারণে জন্য আমার বেশ উপকার হয়েছে। আমি এখন ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাতেও লিখতে পারি।

 

Mohammad Masum Billah

৬ সাপ্তাহ আগে বাংলা টাইপিং করতে বিরক্তি রাগতো আর তেমন গতিও ছিলো না বিধায় করতাম না,বাংলিশ টাইপিং করতাম।কিন্তু এখন এই ১০ মিনিটে পোস্টে সময় দিয়ে বাংলিশে লিখা ছেড়ে দিয়েছি আর বাংলা টাইপিং এখন পানি ভাত হয়ে গেছে।ইনশাআল্লাহ এইটা সারা জিবনে কাজে আসবে।আর সামনে আরো ভালো করবো ইনশাআল্লাহ

 

Tanjila Akter Nisa

বাংলা টাইপিং জানতাম পারতাম কিন্তু চর্চা করা হতো না যার কারণর বাংলা লিখার গতি অনেক কম ছিলো।

গত ৬ সাপ্তাহ একদম প্রতিদিন বাংলা টাইপিং করেছি আমি একদিন ও বাদ দেইনি যার দরুণ এখন আমরা বাংলা টাইপিং আগের থেকে অনেক ভালো।

যেহেতু আমি ট্যা ব্যবহার করি তাই ট্যাবে আমি মোটামুটি ভালো টাইপিং পারি। যদি ল্যাপটপে লিখতাম আমার ল্যাপটপে কিবোর্ড এ লিখার গতি বারতো। তারপর ও আমি ল্যাপটপেরর কিবোর্ডে ও এখন আগের থেকে বেশি স্পিডে লিখতে পারি।

চর্চা এমন এক জিনিস যা ধরে রাখতর পারলে এর জাদু মানুষকে শুধু উন্নতির দিকে নিয়ে যায় তা ১০ মিনিট রাইটিং পোস্টে অংশ নিয়ে বুঝতে পারছি।

 

Md Daloare Hossain

১০ মিনিট রাইটিং প্রজেক্ট আমাদের জন্য আশীর্বাদ সরূপ। আমরা স্কুল লাইফে লেখাপড়া করছি তবে এতো মনযোগী হয়ে নয়😥 আমরা পড়তাম শুধু পরিক্ষায় পাশ করার জন্য। আর লিখতাম যদি বাড়ির কাজ থাকতো এবং পরিক্ষার খাতায় এর চেয়ে বেশি কিছু নয়। তবে ঐ লেখালেখি ছিল খাতা-কলমে। যখন থেকে ফেজবুক ব্যবহার শুরু করি তখন শুধু লাইক করতাম আর কমেন্ট লিখতাম গুটিকয়েকটি শব্দের ব্যবহারে (Thnx, wc, gd) আর ওয়ালে পোস্ট লেখা ৫ লাইনের অধিক মনে হয় না লিখছি। কারো পোস্ট একটু ভালো লাগলে কপি পেস্ট বা শেয়ার করতাম।

সবচেয়ে বেশি লেখি ডিজিটাল স্কিলস ফর বাংলাদেশ গ্রুপে, তাতে করে পড়া এবং লেখার গতি বাড়ে কারণ তাতে আনন্দ পেতাম। মাঝখানে লেখালেখি অনেকটাই কমে গেছে বিশেষ করে মোবাইল চিন্তাই হওয়ায়। বাড়িতে থাকায় ইন্টারনেটে একটিভ হতে পারছি না😥 শীঘ্রই একটিভ হব ইনশাল্লাহ ।

১০ মিনিট প্রজেক্ট চালু হওয়ায় শুরু হয় নতুন পথচলা বড় কমেন্ট লেখা এবং বড় রিপ্লাই দেওয়া। তবে এখনো শতভাগ সিরিয়াস হতে পারিনি নিজ ব্যস্ততার কারণে । এখানে ৫০ এর অধিক রিপ্লাই আর কমেন্ট মিলে লিখিি তাতে পড়া, বুঝা, চিন্তা করা এবং লেখার উন্নতি হয়েছে অকল্পনীয়। এটা এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এতো অল্প সময়ে। আশাকরি যারা শূন্য থেকে শুরু করছে তারা সহ সকলের উন্নতি হয়েছে অকল্পনীয়। স্যার যে লেখাটি তৈরি করছেন ওয়েবসাইটে দেওয়ার জন্য তা ওয়েবসাইটে দেওয়ার জন্য অনুরোধ রইলো। ফেজবুক ওয়ালের পোস্ট গুলো সার্চ করে পাওয়া একটু কঠিন কার কি-ওয়ার্ড নাই তবে ওয়েবসাইটে লেখা কি-ওয়ার্ড লিখে সার্চ করলেই খুব সহজে পাওয়া যায়। তাই ওয়েবসাইটে লেখা প্রকাশ করার অনুরোধ রইলো।

 

Farzana Rumky

স্যার ৬সপ্তাহে বাংলা টাইপের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে ।এখন ভুল ক্রটি কমই হয় ।আর গতিটাও একটু বৃদ্ধি পেয়েছে ।সব মিলিয়ে বাংলা লিখতে বেশ ভাললাগে।এখন দিনে ইংরেজির সাথে সাথে বাংলা লেখার উপরও সমান সময় দিয়ে থাকি।বাংলা টাইপিং কঠিন নয় যতোটা আমি মনে করতাম।

 

Md Kamrojjaman

টাইপিং এর গতি বাড়ানো জন্য ১০ মিনিট পোস্ট টি ম্যাজিকের মত কাজ করেছে। স্যার এর পোস্ট টি পড়ে নিজের ভাষায় ১৫০ শব্দ প্রথম দিকে লিখতে ভাল না লাগলেও নিয়মিত যারা সময় দিয়ে গেছে খুব সহজে লিখতে পারছে এখন, ৮ মিনিটে ১০০ শব্দ লিখে সত্যি খুব কষ্ট ছিল আগে। এখন আমি বলতে পারি যে নিজের মত লেখার দক্ষতা যেমন বেড়েছে ঠিক তেমনি লেখার গতিও অনেক গুন বেরেছে এই কয়েকদিনে।

 

Arpita Barai

৬ সপ্তাহে আগেও আমি বাংলা পড়তে ভাল লাগতনা এড়িয়ে যেতাম এমনকি আমি বাংলা কে ইংরেজি কে লিখতে পারলে আমার কাছে মনে হতো এটা বেশী স্মার্ট কিন্তুু ১০ মিনিট রাইটিং চ্যালেন্জ আমার ধারনা পাল্টে গেছে। আর আগে কি লিখবো সেটা নিয়ে ভাবতে হতো কিন্তুু এখন সেই ভয় টা কেটে গেছে। এখন বাংলা টাইপিং করতে ও ভাল লাগে যা আগে আমি পারতাম না। ধন্যবাদ স্যার এমন একটি ধান্দার জন্য।

 

Shahariar Tasnim

ধন্যবাদ স্যার আমাদের নিজের উন্নতি নিয়ে বলার একটা সুযোগ দেওয়ার জন্য।।

আজ থেকে ৬ সপ্তাহ আগে একটা মিনিটের জন্য ও ভাবিনি আমি বাংলাতে খুব দ্রুত টাইপিং করব যেমনটা বাংলিশে টাইপ করতে পারতাম।।তাই বাংলা টাইপিং আমার জন্য খুব বোরিং আর জগন্য কাজ ছিল।।

১২ টা বছর বাংলা মিডিয়ামে পড়ার পর ও বাংলাতে টাইপ করে পারতাম না নিজের ভাষায় ঘুচিয়ে লিখতে পারতাম না এর চেয়ে জগন্য কথা আর কি হতে পারে সেটা নিয়ে আমার কোনো আইডিয়া নাই।।

যে ভাষা আমার মাতৃভাষা সেই ভাষায় টাইপিং করতে না পারা কতটা কস্টের তা ৬ সপ্তাহ আগে অনুভব করতাম।।

তারপর ৬ সপ্তাহ আগে জীবনের ১ম আশীর্বাদস্বরুপ পাই ১০ মিনিট রাইটিং প্রজেক্ট।। যেখানে নিয়মিত থেকে স্যারের অনুপ্রেরণামূলক পোষ্ট গুলো পড়ে নিজেকে শুধু বাংলা টাইপিং পারদর্শী না বাংলা পড়ার ঝোঁক ও বৃদ্ধি করতে পেরেছি।। যেটা একাডেমিক পড়ার সময় অর্জন করতে পারিনি।।

 

Tau Hid

১০ মিনিটের পোস্ট আমাকে যা দিয়েছে তার সংক্ষিপ্ত একটা লিস্ট।

১) আমি আগে একটা মোটামুটি বড় কমেন্ট লিখতে ১০ মিনিট সময়ে হতোনা সেটা ৫০ শব্দের হলেও কিন্তু এখন স্পিরিট বেড়ে গেছে আমি এখন অন্য দিকে তাকিয়েও লিখতে পারি। ৮ মিনিটে অনেক বড় কমেন্ট লিখতে পারি।

২) বাংলা এবং ইংরেজি দুইটাতেই আমি রিডিং পড়ায় ডাব্বা ছিলাম কিন্তু এই ১০ মিনিটের রাইটিং প্রজেক্ট এর কারণে আমি এখন দ্রুত পড়তে পারি এবং পড়ে বুঝতে পারি কারণ এখানে সময় বেধে দেওয়া এতে করে আমার পড়ার প্রতি আগ্রহ বেড়ে গেছে ইংরেজির ক্ষেত্রেও এটা কাজ করে।

৩) সময়ের কাজ সময়ে করার অভ্যাস ছিলোনা আমার কিন্তু এখন সময়ের কাজ সময়ে কি ভাবে করতে হয় সেটা আমাকে শিখিয়েছে এই ১০ মিনিটের রাইটিং প্রজেক্ট।

৪) ২০ শব্দ লিখতে গেলে ১০ টা বানান ভুল হতো এখন আমি মনযোগ দিয়ে লিখলে একটা বানান ভুল হবেনা এই কনফিডেন্ট আমাকে ১০ মিনিটের প্রজেক্ট দিয়েছে।

৫) অল্প শিক্ষিত মানুষ আমি কোনো একাডেমিক সার্টিফিকেট নেই কিন্তু এই ভয় জয় করে কিছু শিখার আগ্রহ জন্মেছে ভিডিও করে আর লিখার আগ্রহ জন্মেছে ১০ মিনিট রাইটিং প্রজেক্ট এ কমেন্ট করে।

ধন্যবাদ স্যার এমন ধান্দা চালু থাক আমাদের মতো দূর্বল ছাত্রদের জন্য।

 

Iqbal Hossain Hasan

আমি তো ক খ অ আ ও যানতাম না ভালো করে পড়া তো দূরের কথা আপনার 10 মিনিটের প্রজেক্টে প্রথম থেকে এছন পয্নতো আছি এবং শেষ পর্যন্ত থাকবো ইনশাল্লাহ আর এই কয়দিনে বাংলা টাইপ করতে শিখেছি মোটামুটি এবং আপনাআপ420/420 শব্দের পোস্ট পড়তে এক মিনিট দশ বিশ সেকেন্ড লাগে প্রথম জখন পড়তাম তখন লাগতো দশ বারো মিনিট ইনশাল্লাহ আশা করি দিন দিন সময় কমতে থাকবে দোয়া করবেন যেন শেষ পর্যন্ত থাকতে পারি খোদা হাফেজ

আহাম্মেদ সালাহ

১০ মিনিট রাইটিং হয়তো আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেবার পথে জিবন্ত উদাহরন।বাংলা লেখা বড় পোস্ট পড়া নিজের মতো করে লেখা আর ধৈর্য যেটা সব থেকে বেশি পেয়েছি সাথে এগিয়ে যাবার অনুপ্রেরণা।সর্বদাই সাথে থাকবো দূর্বার এ যাত্রার

 

L.A. Dolon

ছয় সপ্তাহে রিডিং, রাইটিং আর সাথে টাইপিং এর গতি অনেক ভাল হয়েছে বলে আমি মনে করি।কেননা আগে এত তাড়াতাড়ি লেখা বা পড়ার চিন্তাও কোনদিন মাথাতে আসে নি।ইভেন আমি এত তাড়াতাড়ি কোন কিছু চিন্তা করতেও মনে হয় পারতাম না।বাট আলহামদুলিল্লাহ যে আমার অনেকটাই উন্নতি হয়েছে।বাট আমি একটা মধ্য পর্যায়ে অবস্থান করতেছি।যেখানে পেছনে ফিরে গেলে আজীবন যেভাবে আছি সেই একঘেয়ে লাইফ যাপন করতে হবে।আর যদি কষ্ট করে হলেও সামনে এগোয় হোক না সে হামাগুড়ি দিয়ে আছে সাফল্যের রাজধানী।যেখানে কেজি দরে সাফল্য পাওয়া যায়😃

 

Mohsin Ali

৬ সপ্তাহে নিজের টাইপিং গতি অবিশ্বাস বেড়েছে। আগে টাইপিং করতে বিরক্ত অনুভব করতাম এখন লেখতে আনন্দিত হয়।

 

Amrita Deb

জি স্যার, বাংলা দ্রুত পড়ে বুঝতে পারা বা নিজের মতো লিখতে পারার মত বেসিক দক্ষতার গুরুত্ব কতটা বা আমরা কতটা অদক্ষ এই দিকে ১০ মিনিটের রাইটিং প্রজেক্টের আগে সেভাবে অনুভব করি নি। বাংলা টাইপ তো বিরক্তির ছিল আগে। তবে গত ৬ সপ্তাহে এখন অনেক দ্রুতেই বাংলা টাইপ করতে পারি। বাংলা পড়ার ও লেখাতেও গতি আগ্রহ বেড়েছে অনেক।পাশাপাশি সৃজনশীল চিন্তা ক্ষমতা তৈরি হয়েছে যার ফলে সহজেই যে কোনও বিষয় নিয়ে লিখতে পারছি। সত্যি বলতে ১০ মিনিটের অনুসিলন আমাদের বাংলার ব্যবহারের ভয় সংকোচ কেটে গেছে। এখন নিয়মিত সবাই আত্মবিশ্বাসের সাথে লিখতে পারছি।

https://www.facebook.com/apurazib/posts/2355541421348509

 

Loading

Spread the love

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *